Purulia Police 리트윗함
Purulia Police
5.8K posts

Purulia Police
@PuruliaPolice
Official Twitter account of Purulia District Police ● Dial 100 / 8145500734 for emergencies ● Visit our website for more information.
Purulia, West Bengal. 가입일 Ekim 2016
15 팔로잉4K 팔로워
Purulia Police 리트윗함

অপরিচিতের সঙ্গে অনলাইনে বন্ধুত্ব!
হরিয়ানা রাজ্যের লাডওয়া থানা এলাকার এক বাসিন্দা স্ত্রীর মৃত্যুর পর একাকিত্ব কাটানোর জন্য অপরিচিত এক মহিলার সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধুত্ব করেন। কিছুদিনের মধ্যে সম্পর্ক হয় গভীর থেকে গভীরতর। খুব অল্প দিনের মধ্যে বিয়ের প্রস্তাবে রাজী হয়ে, গত ১৮ই মার্চ ঐ মহিলার সঙ্গে দেখা করার জন্য পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে এলে, তাঁকে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হয় এবং পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কল করে ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
লাডওয়া থানায় একটি অপহরণ সংক্রান্ত ‘জিরো এফআইআর’ নথিভুক্ত হওয়ার পর, বিষয়টি কাঁথি থানায় স্থানান্তরিত হয়। তদন্তের ভার পরে সাব-ইন্সপেক্টর প্রীতম পাঁজার উপর। SOG টিমের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত প্রবীণ ব্যক্তিকে কাঁথি থানার অন্তর্গত দারুয়া এলাকা থেকে উদ্ধার করে, অবশেষে গত ২৯ মার্চ অপহৃত অজিত বাবুকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
গ্রেফতার এক মহিলা (৩০ বৎসর )। তদন্ত চলছে।
@MedinipurSp

বাংলা
Purulia Police 리트윗함

Purulia Police 리트윗함
Purulia Police 리트윗함

This video related to an incident that took place in the year 2024 . It has been falsely circulated as that of 2026. Any person circulating such false information will be legally prosecuted.
#FakeNewsAlert

English
Purulia Police 리트윗함
Purulia Police 리트윗함
Purulia Police 리트윗함

ঘরে ফেরার গল্প
গতকাল সকালে গুসকরা স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম ডিউটি চলাকালীন বর্ধমান জিআরপি কর্মীরা এক বৃদ্ধাকে প্ল্যাটফর্মে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখেন। সময় নষ্ট না করে তাঁরা এগিয়ে গিয়ে কথা বললে জানা যায়, তিনি বাড়ির পথ হারিয়েছেন।
শান্তভাবে ভরসার হাত বাড়িয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে তিনি জানান, তাঁর বাড়ি বোলপুরে। এরপর যথাযথ খোঁজখবর নিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হয় এবং অবশেষে বৃদ্ধাকে তাঁর পরিবারের হাতে নিরাপদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
বর্ধমান জিআরপি কর্মীদের ধন্যবাদ।
@srp_howrah

বাংলা
Purulia Police 리트윗함

হারানো ফোন ফিরে পাওয়া
চুরি যাওয়া বা হারিয়ে ফেলা মোবাইল ফোন উদ্ধারের বিষয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার থানার পুলিশ কর্মীরা, গোয়েন্দা দফতর এবং সাইবার থানাগুলি সক্রিয় থাকে বছরভর। সব ফোন যে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিতে পারি, এমন নয়। কিন্তু চেষ্টা থাকে আন্তরিক। ফলও মেলে পরিশ্রমের। উদ্ধার করতে পারলে ফোনের মালিককে ফোন ফিরিয়ে দিই আমরা যত দ্রুত সম্ভব। গত কয়েক দিনে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর হারিয়ে যাওয়া ফোন। যা তুলে দেওয়া হয়েছে ফোনের মালিকদের হাতে। রইল তার কিছু মূহুর্তের ছবি।
বাংলা
Purulia Police 리트윗함

সাইবার-জালিয়াতির প্রচুর টাকা ফেরত প্রতারিত মানুষের কাছে।
সারা রাজ্য জুড়েই চলছে সাইবার-প্রতারকদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের লাগাতার অভিযান। প্রায়ই প্রতারিত হচ্ছেন বহু মানুষ। কষ্টের টাকা জলে যাচ্ছে সাইবার-সতর্কতার অভাবে। জালিয়াতদের ফাঁদে পড়ে খোওয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করে প্রতারিত মানুষের কাছে সেই টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে নিরন্তর। গত কয়েক দিনে প্রচুর টাকা এভাবেই রাজ্য পুলিশ ফিরিয়ে দিয়েছে প্রতারিতদের কাছে। ভাগ করে নিলাম, কিছু ছবি।
বিনীত অনুরোধ, সতর্ক থাকুন। অচেনা লিঙ্ক বা মেসেজে সাড়া দেবেন না। আপনার পরিশ্রমের টাকা যেন প্রতারকরা হাতিয়ে না নিতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন প্রতি মুহূর্তে।
#WBP #cybersecurity
বাংলা
Purulia Police 리트윗함

সালটা ২০২৩, ৫ মার্চ। উস্তি থানার চাটুগঞ্জ বাজারের ঘটনা। রেজাজুল লস্কর ওরফে ছোট মাতাল— নামেই তার পসার।
সেদিন রাত প্রায় ৮টা। ব্যবসায়ী নিখিল কুমার সাহা দোকান বন্ধ করার সময় ছোট মাতাল তার দোকানে গিয়ে চাঁদা দাবি করে। নিখিল বাবু অস্বীকার করায়, শুরু হয় বচসা। যা মুহূর্তেই ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। অভিযুক্ত গুলি চালিয়ে নিখিল বাবুকে গুরুতর জখম করে এবং বোমাবাজি করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় মানুষজন দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় নিখিল বাবুকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পর উস্তি থানায় একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়। তদন্তের ভার গিয়ে পড়ে ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর আবুল মারজানের উপর। তিনি দ্রুত তদন্ত শুরু করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশীট জমা করেন।
সম্প্রতি এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। মহামান্য আদালত অভিযুক্ত ছোট মাতালকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন।
@DiamondHrbrPD


বাংলা
Purulia Police 리트윗함
Purulia Police 리트윗함

চলন্ত ট্রেনে প্রসব: মা ও সদ্যজাতের সহায়তায় পুলিশ।
ডাউন কাটোয়া-আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে ঘটে যায় এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। এক যাত্রী চলন্ত ট্রেনের মধ্যেই এক সন্তানের জন্ম দেন। পরিস্থিতি হয়ে ওঠে অত্যন্ত জটিল।
খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত তৎপরতা শুরু করে কাটোয়া জিআরপি। সাব-ইন্সপেক্টর সুপ্রিয়া মুখার্জি এবং তাঁর দুই সহকর্মী ট্রেনটি কাটোয়া রেলস্টেশনে পৌঁছানোর আগেই রুদ্ধশ্বাসে প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত হন।
ট্রেন পৌঁছাতেই জিআরপি ও আরপিএফ কর্মীরা অত্যন্ত সতর্কতা ও যত্নের সঙ্গে মা ও নবজাতক শিশুকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন।
মা ও শিশু দু’জনেই সুস্থ আছেন। কর্তব্যরত জিআরপি ও আরপিএফ কর্মীদের ধন্যবাদ।
@srp_howrah

বাংলা
Purulia Police 리트윗함

Mission গয়নার বাক্স!
বাড়ির আলমারি থেকে উধাও সারাজীবনের সঞ্চয় প্রায় ৭০ লক্ষ টাকার সোনার গয়না, বাড়িতে উপস্থিত দু'জন বাসিন্দার নজর এড়িয়ে। কী করে?
চলতি মাসের ১৬ তারিখ, সকালে কেষ্টপুরের বাসিন্দা শুভম ব্যানার্জি বাগুইআটি থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ— বাড়িতে দীর্ঘদিন পরিচারিকার কাজ করত বছর ২৬ শের এক মহিলা। হঠাৎ একদিন বিনা কারণে কাউকে কিছু না জানিয়ে কাজে আসা বন্ধ করে দেয় ওই পরিচারিকা। সন্দেহ তখনও দানা বাঁধেনি শুভম বাবু এবং তাঁর পরিবারের মনে। অবশেষে একদিন গয়নার খোঁজ পড়তেই টনক নড়ে সবার। আলমারি তো চিচিং-ফাঁক!
ছক মিলে যায়। শুভম বাবু সবটা বুঝে বড্ড দেরি হওয়ার আগেই চলে আসেন আমাদের কাছে। তদন্তের ভার বর্তায় বাগুইআটি থানার অফিসার অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর উত্তম দাসের উপর। শুরু হয় তদন্ত। অপরাধের ধরণ বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত করা হয় অপরাধীকে।
শুরু হয়ে যায় সোর্স মারফত নজরদারি, মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে বাগুইআটি থানা এলাকার পঞ্চাননতলা থেকে ওই সন্দেহভাজন পরিচারিকাকে গ্রেফতার করা হয়। হেফাজতে নিয়ে শুরু হয় কড়া জিজ্ঞাসাবাদ, যার ফলে দ্রুত বেরিয়ে পড়ে চুরির নেপথ্যকাহিনি, এবং চোরাই মালের অতি গোপন আস্তানা। উদ্ধার হয় সমস্ত গয়না।
তদন্ত জারি রয়েছে। কম সময়ে মামলার কিনারা করার জন্য অভিনন্দন বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত বাগুইআটি থানার পুলিশ কর্মীদের। আমরা অপরাধীর দ্রুত শাস্তি সুনিশ্চিত করব, প্রতিশ্রুতি রইল।
@bidhannagarpc


বাংলা
Purulia Police 리트윗함

"স্বপ্ন সেটা নয় যা আমরা ঘুমিয়ে দেখি, স্বপ্ন সেটাই যেটা সুষমিতাকে ঘুমোতে দেয় না।"
দার্জিলিং পুলিশ জেলার ডালি পুলিশ-লাইনে কর্মরত সিভিক-ভলেন্টিয়ার সুষমিতা লেপচা। পুলিশের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি একজন আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফুটবল left-back প্লেয়ার।
সুষমিতার এই পথচলার শুরু ছেলেবেলায়। পাহাড়ের কোল থেকেই ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা। খুব ছোটতেই দাদার হাত ধরে মাঠের সঙ্গে তাঁর পরিচয়।
সুষমিতা left-back ডিফেন্ডার হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বহু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কম্বোডিয়া, চায়না, নেপাল — বিভিন্ন দেশে খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে একাধিক সাফল্য। ইস্টবেঙ্গলের মত ঐতিহ্যবাহী দলের ম্যাচ থেকে 'সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ' - এ অংশগ্রহণ করে জয়লাভ করেছেন তিনি। অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপে ভারতীয় মহিলা জাতীয় দলে নিজের জায়গা গড়ে নিয়েছেন। বহু ম্যাচেই রয়েছে তাঁর অভিজ্ঞতা।
বিশ্বকাপে ভারতীয় পতাকা বুকে নিয়ে দেশের হয়ে নীল জার্সি পরে প্রতিনিধিত্ব করা — এই স্বপ্নের উদ্দেশ্যেই এগিয়ে চলেছেন সুষমিতা।
তাঁর এই স্বপ্নপূরণের পথে এগিয়ে চলার জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা।
@police_darj

বাংলা
Purulia Police 리트윗함

কিশোরীকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে প্রতিবেশীর আমৃত্যু কারাদণ্ড
সাল ২০২১। আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা থানা এলাকার ঘটনা। কাজের তাগিদে প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন বাবা-মা। বাড়িতে একাই থাকত তাদের ১৬ বছরের কিশোরী মেয়ে।
প্রতিবেশী স্বপন বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরেই তাকে উত্ত্যক্ত করত। নোংরা প্রলোভন আর ইঙ্গিত দিয়ে বিরক্ত করত বারবার। কিন্তু কিশোরী প্রতিবারই তার সেই কু-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল। এই প্রত্যাখ্যানই ধীরে ধীরে আক্রোশে পরিণত হয় স্বপনের মনে। এমনই একদিন সকালে বাবা-মা কাজে বেরিয়ে যাওয়ার পর হঠাৎ বাড়িতে ঢুকে পড়ে সে। আবারও নিজের লালসা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু কিশোরী আবারও তাকে প্রত্যাখ্যান করলে, অপমান আর বিকৃত রাগে উন্মত্ত হয়ে ধারালো দা দিয়ে গলায় বারবার কোপ মারতে থাকে স্বপন। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে কিশোরী। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফালাকাটা থানার পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় কিশোরীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি—চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।কিশোরীর বাবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু করা হয়। তদন্তের ভার গিয়ে পড়ে, ওই থানার কর্মরত অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর নিরেন রায়ের উপর, যিনি ঘটনার দিনই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষে নিখুঁত চার্জশীট জমা করেন।
সম্প্রতি এই মামলার রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্তকে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা সহ আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন।
নির্মম হত্যাকাণ্ডের এই ঘৃণ্য অপরাধের শাস্তি সুনিশ্চিত করার জন্য অভিনন্দন আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশকে।
@SPAlipurduar


বাংলা
Purulia Police 리트윗함

আমাদের মেয়েরা সুরক্ষিত থাকুক, প্রসেনজিৎ মান্নার মত মানুষের হাত থেকে
সালটা ২০২২। সকাল তখন প্রায় ১০টা। ১২ বছরের ছোট্ট মেয়েটি সেদিন পাড়ার ক্লাবের সামনের টাইম কল থেকে জল আনতে গিয়েছিল। সেই সময় প্রতিবেশী প্রসেনজিৎ মান্নার আদিম লালসার শিকার হতে হয় তাকে। সুযোগ বুঝে, একা পেয়ে ওই নাবালিকার উপর শারীরিক নির্যাতন চালায় প্রসেনজিৎ।
এই ঘটনার পর ২৯ এপ্রিল, হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের জগৎবল্লভপুর থানায় নাবালিকার পরিবার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তদন্তের ভার গ্রহণ করেন ওই থানার তৎকালীন অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর অলোক মণ্ডল। তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ঘটনার দিনই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন এবং সমস্ত তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে তদন্ত শেষে নিখুঁত চার্জশীট জমা করেন।
সম্প্রতি মহামান্য আদালতের রায়ে অভিযুক্ত প্রসেনজিৎ মান্নাকে দোষী সাব্যস্ত করে সশ্রম কারাদণ্ড সহ জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
@RuralHowrah


বাংলা
Purulia Police 리트윗함




