Sabitlenmiş Tweet
Abdur Rab Bhuttow
1.5K posts


রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহি বাস পড়ে গেছে পদ্মা নদীতে।
আল্লাহ যাত্রীদের হেফাজত করুন।
#Bangladesh #busriver
বাংলা

#Bestever
জাতীয় শহীদ সে"না দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে শহীদ পরিবারের সাথে মতবিনিময় সভা ও ইফতার দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। আ'র্মিকমপ্লেক্স,ঢাকা সেনানিবাস ২৫/০২/২০২৬ বুধবার
বাংলা

নাসের রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব
আব্দুর রহিম রিপন। নির্বাচনে নাসের রহমানকে পরাজিত করাতে বিভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নেন। নির্বাচন থেকে সরে যাওয়া জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নানের সাথে গোপন বৈঠক করে তাকে বিজয়ী করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগেমাঠে নামান রিপন ও তার সহযোগী চক্র। তাদের ধারণা ছিলো নাসের রহমান পরাজিত হলে মৌলভীবাজারের রাজনীতি তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এই অপচেষ্টা বাস্তবায়নের জন্য রিপন তার কালো টাকা বিনিয়োগ করেন জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে। কিন্তু নাসের রহমানের জন সমর্থনের কারণে আর ভোটের মাঠে আমাদের অবস্থানের কারণে সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়।
নির্বাচনে প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীকে পরাজিত করে নাসের রহমান নির্বাচিত হন। বিএনপি সরকার গঠনের পর নাসের রহমানকে যখন মন্ত্রী সভায় অন্তর্ভুক্তের আলোচনা চলে তখন রিপন আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেন। ফ্রান্স প্রবাসী তার এক এজেন্টকে দিয়ে নাসের রহমানের নামে এআই দিয়ে বানানো মিথ্যা বানোয়াট কল্প কাহিনীর ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ করে। যা নাসের রহমানকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সুবিধাভোগীদের পরামর্শে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানের জায়গায় সাধারণ সম্পাদক বানাতে কৌশলে রিপনকে জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব করা হয়।
জেলা আহ্বায়ক কমিটির দ্বিতীয় কর্ণধার হয়ে জেলায় নাসের রহমান অনুসারীদের কোণঠাসা করে তার পছন্দের লোক দিয়ে কমিটি করেন। একই ভাবে ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিটিতে পছন্দের লোক দিয়ে সেট করেন। উদ্দেশ্য নির্বাচনে নাসের রহমানকে পরাজিত করা।
নির্বাচনে নাসের রহমান পরাজিত হলে আজ মৌলভীবাজারের রাজনীতি রিপনের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতো। দলের ভেতরে রিপনদের মতো গুপ্ত সুপ্তদের ব্যাপারে বিএনপির নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকা উচিত
শুরুতেই ৫ আগষ্টের পরে দুদকের মীমাংসিত নাসের রহমানের একটি ভুয়া অভিযোগ মিডিয়া প্রচার করে তাকে বিতর্কিত করতে চান আব্দুর রহিম রিপন। সে কাজের জন্য তিনি বিশাল বিনিয়োগ করে ব্যর্থ হন। দুদকের সিনিয়র কর্মকর্তারা সেটা তদন্ত করলে রহস্য বেরিয়ে আসে। এই রিপনকে পেছন থেকে সহযোগিতা করছেন জেলা কমিটির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ুন!
রিপনের উত্থান:
সাবেক একজন কারা মহা পরিদর্শকের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেন রিপন। সেটাকে পুঁজি করে কারা কর্মকর্তাদের বদলী বাণিজ্য করে কালো টাকার মালিক হন মহারাজ। টাকা হয়েছে এবার নেতা হয়ে এমপি মন্ত্রী হতে চান মহারাজ।

বাংলা

ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতের প্রার্থী এস এম খালেদুজ্জামানকে নিয়ে একের পর এক বিতর্ক সামনে আসছে। সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগের আগেই গত বছর বসুন্ধরার এক্সিম ব্যাংক শাখার মহাব্যবস্থাপকের ওপর দলবল নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে।
প্রশ্ন হচ্ছে— এমন আচরণ যার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ উঠে, তিনি কি সত্যিই জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার নৈতিক যোগ্যতা রাখেন?
#ঢাকা১৭ #সবারআগেবাংলাদেশ
বাংলা

তৈল মর্দন পছন্দ করেন না তারেক রহমান। এমন নেতাই চায় বাংলাদেশের জনগণ।
#thank_you @trahmanbnp #Bangladesh
বাংলা

বেগম জিয়ার মৃত্যুতে শেখ হাসিনার শোক প্রকাশ ভন্ডামি ছাড়া কিছুই না। অসুস্থ বেগম জিয়াকে নিয়ে সেদিন কি বলে ছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা শুনুন।
#BegumKhaledaZia #Bangladesh
বাংলা

জনাব তারেক রহমানের নিরাপত্তায় কেনো এতো অবহেলা? নিরাপত্তা নিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্বরতা কেনো উদাসীন??
@trahmanbnp
বাংলা
Abdur Rab Bhuttow retweetledi

ঢাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার পরলোকগমনের সংবাদে গভীরভাবে শোকাহত।
তাঁর পরিবার এবং বাংলাদেশের সকল মানুষের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা। সর্বশক্তিমান যেন এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি তাঁর পরিবারকে দান করেন।
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
২০১৫ সালে ঢাকায় তাঁর সঙ্গে আমার সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাতের কথা স্মরণ করছি। আমরা আশা করি, তাঁর ভাবনা ও উত্তরাধিকার আমাদের অংশীদারিত্বকে ভবিষ্যতেও পথনির্দেশ করবে।
তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।


বাংলা

বেগম খালেদা জিয়া - এক হার না মানা দেশনেত্রী
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ইতিহাসে সর্বাধিক সাফল্য ও কৃতিত্বের অধিকারী রাজনৈতিক নেত্রী, চার বারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ ইন্তেকাল করছেন। ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন। মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। তাঁকে বেহেশত নসিব করুন। শোকাহত পরিবারের সদস্য এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
…*১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহন করেন।
…* স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী খালেদা জিয়া ১৯৮৪ সালে একজন গৃহবধু থেকে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহন করে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সফলকাম হয়ে এদেশে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের আপোষহীন নেত্রী হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
…* পরবর্তীতে ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিরোধী দলের দাবী মেনে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের অধীনে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। সংসদীয় পদ্ধতি প্রবর্তনের পরে দ্বিতীয় বারের মত প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেন।
…* ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তৃতীয় বারের মত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। স্বল্পতম মেয়াদের এ সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন, যা বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় একটি গ্রহণযোগ্য উপায় হিসাবে জনগণ গ্রহণ করে। একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করার লক্ষে তিনি ক্ষমতা ধরে না থেকে সংসদ ভেঙে দেন।
…* পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালের জুন মাসের ৭ম সংসদে সর্বকালের বৃহত্তম বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচিত হন। …* ২০০১ সালের ১লা অক্টোবরের সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মধ্য দিয়ে পূণরায় ক্ষমতায় আসেন, এবং চতুর্থবারের মত প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হন।
…* ২০০৮ সালে সেনানিয়ন্ত্রিত জরুরী অবস্থার সময় তাঁ কারারুদ্ধ করা হয়। তিনি রাজনীতি ছেড়ে বিদেশে চলে যেতে অস্বীকৃতি জানান। জরুরী অবস্থার মধ্যে আয়োজিত কন্ট্রোল্ড ও পূর্বনির্ধারিত ফলাফলের নির্বাচনে তিনি বিরোধী দলীয় নেতা পদে আসীন হন।
…* এরপরে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারী শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন বয়কট করেন, ঐ সময় তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়।
…* তিনি বহুবার বলেছেন, “এই দেশের মাটি এবং মানুষই আমার সবকিছু। এদেশ ছেড়ে কোথাও যাব না। এদেশে আমার জন্ম, এখানেই মরতে চাই”।
…* ২০১৮ সালের মিডনাইট নির্বাচন অনুষ্ঠানের কিছুকাল আগে তাঁকে মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজবন্দী করা হয়।
…* বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফেরানোর আন্দোলনে খালেদা জিয়ার নিরলস সংগ্রাম, আপোষহীনতা, কারাবরণ, ও ত্যাগ তিতিক্ষার কারণে তিনি বাংলাদেশের অভিবাবক ও ‘গণতন্ত্রের মা’তে পরিণত হয়েছেন।
…* বাংলাদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় দল বিএনপির সাড়ে তিন দশকের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াই একমাত্র রাজনৈতিক নেত্রী যিনি কখনও কোনো নির্বাচনে হারেননি। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার সর্বমোট ২৩টি আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সবগুলোতেই বিজয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশের জাতীয় এই নেত্রীর অনবদ্য সংগ্রাম ও অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ যুক্তরাষ্ট্র থেকে “ফাইটার ফর ডেমোক্রেসি" ভুষিত করা হয় দেয়া হয়। এই বিশেষ সন্মাননা পুরষ্কারটি দেয়া হয় তিনটি কারণে:
১. সংসদীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থার জন্য তার আপোষহীন সংগ্রাম।
২. সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অনড় অবস্থান ও শক্ত হাতে দমন।
৩. নারীর ক্ষমতায়ন ও গ্রামীণ নারী সমাজকে স্বনির্ভর হিসাবে গড়ে তুলতে পারার জন্য তার শাসন আমলে নেয়া পদক্ষেপ সমূহের জন্য।
মার্কিন সিনেটররা সেদিন দেশনেত্রীকে এক আবেগঘণ পরিবেশে জানিয়েছিলেন তাদের প্রাণ ঢালা অভ্যর্থনা, অভিভাষণ ও অভিনন্দন।
দেশের কল্যানে অবিংসবাদিত এ নেত্রীর উৎসর্গিত অবদানের প্রতি দেশবাসীর অপরিসীম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা॥ 🫡🇧🇩

বাংলা

হাসিনার এই হুমকি মোকাবিলা করার মতো অফিসার বর্তমান পুলিশের নেই। যারা আছে তাদেরকে কৌশলে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে নীরবতা পালন করছে গোয়েন্দা সংস্থা।
জনাব তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে দলের পক্ষ থেকে। বিতর্কিতদের দুরে রাখুন তারেক রহমানের কাছ থেকে।
@trahmanbnp @Yunus_Centre
বাংলা
