Raheel A Rahman
1.2K posts

Raheel A Rahman
@AdvMA_Rahman
Muslim, Writer, Lawyer, Political activist.
Katılım Mart 2017
230 Takip Edilen678 Takipçiler

আওয়ামী জুলুম থেকে বর্তমান — পুরো ইতিহাসটা এই গানে পেয়ে যাবেন, শেষে সমাধানটাও আছে।
লিরিক্স দিলাম, মূখস্থ করে নিতে পারেন যার ইচ্ছা। 😀😀😀
আওয়ামী জুলুম - ক্রসফায়ার, গাড়ি পোড়ানো, মুজিবছানাদের "জবাই কর" স্লোগান থেকে ছাত্রজনতার বিপ্লব হাইজ্যাক করে আরেক জালিমের আগমণ — সবই রেখেছি।
সাঁই সাঁই বন বন, চল্লিশ সেরে এক মণ
ট্রাকের গায়ে লেখা দেখি, সারা বাংলা পাঁচ টন।
গাড়ি চলে ডিজেলে, বোমা ফুটে পেট্রোলে
গণতন্ত্রের যাঁতাকলে, দেশ তো রসাতলে।
লড়াই যেথা ক্ষমতার, কেবা আপন কেবা পর
মুজিবসেনা শ্লোগানে কয়, ধইরা ধইরা জবাই কর।
গণতন্ত্র বাঁইচা আছে, বাঙ্গালীরা বাঁইচা নাই
মার্চ মাসের ভাষণ যেন, ক্রসফায়ারে শুনতে পায়।
তন্ত্র মন্ত্রের দোহাই দিয়া, মানুষ পোড়ায় পেট্রোল দিয়া
মরার পরে উদ্ধার করবো, হাসিনা না তারেক জিয়া।
বন্ধে মায়া লাগাইছে, গণতন্ত্র শিখাইছে, দেউলিয়া বানাইছেএএ,
কি জাদু করিয়া ইউনুস ক্ষমতায় আইছে...
চুক্তি কইরা গদি পাইলো, দেশ বেইচা ভাইগা গেল
সকল দলে মিলেমিশে, দেশ বেচার দলীল দিল।
হাজার তরুন লাশের উপ্রে আবার গণতন্ত্রের চাষ
সেই মায়ের কী হইব যার কোলে পুতের লাশ?
মাছে ভাতে বারো মাস, কত সুখ কত আঁশ
গণতন্ত্র আইসা পরে, সবকটারে দিল বাঁশ।
জননেতাদের সালাম নিন, বাঁশ মার্কায় ভোট দিন
তা তা ধিন ধিন, গিরা গুইনা বাকি দিন।
সকল দেশের রাণী বাংলা, রাজা হইল মার্কিন রাজ
দেবর হইল ভারতরাজ, তাই দ্রৌপদীর মাথায় বাজ।
জামাই টানে মহেশখালী, দেবর টানে সুন্দরবন
ভাসুরবেটা ব্রিটিশে কয়, এখনো তো ভরা যৌবন।
আকসা আর জিসোমিয়ায় সই করতে চায় গোপনে,
মার্কিন দাসত্বের জিঞ্জির পরায় সবার চরণে।
লুটতরাজের মহোৎসবে দেশটারে আজ চুইষা খায়,
লাখো শিশুর কান্না আজি বাতাসেতে ভাইসা যায়!
লুটপাটের এই মহোৎসবে, বাড়ে শুধু দীর্ঘশ্বাস,
গণতন্ত্রের মুখোশ পইরা, চলতাছে এই নরকবাস।
লাখো তরুণ স্লোগানে কয়
আর নয় শতমত,
মুক্তির এক পথ
খিলাফত খিলাফত।
বাংলা

শিয়াদের ভিতর যেমন কিছু উল্টাপাল্টা লোকজন আছে, একিরকম সুন্নীদের ভিতরেও। শিয়াসুন্নী বিভেদের উৎপত্তিটাই তো ছিল পলিটিক্যাল। এটাতে আকিদা যুক্ত হয়েছে আরও শত বছর পরে। ঠিক যে রাজনীতির কারণে তার উৎপত্তি সেই রাজনীতি দিয়েই এই বিরোধের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। মুসলিম উম্মাহ খিলাফাহ রাশিদার অধীনে এই বিরোধ অল্পসময়েই শেষ করে দেবে, ইনশাআল্লাহ।
#IranWar

বাংলা

এখানে একটি অসাধারণ কথা বলেছেন যে, "যেসব শিয়া সুন্নীদের বিরুদ্ধে বলে তারা বৃটিশ মুসলিম, আর যেসব সুন্নী শিয়াদের বিরুদ্ধে বলে তারা আমেরিকান মুসলিম।"
সত্য চিত্রটাই ফুটে উঠেছে, আমাদের এই বৃটিশ - আমেরিকানরাই বিভক্ত করেছে এবং বিভক্ত রেখেছে। আকিদার মারামারিতে লিপ্ত করে দিয়ে তারা রাজনীতিটা করছে। আমরা রাজনীতি বুঝি না বলেই আকিদা নিয়ে ফালতু মারামারিতে ব্যস্ত থাকি।
বাংলা

একটি চুক্তি যা সমগ্র সৃষ্টিজগতকে ভীত করে তুলেছিল। আকাশ তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছিল, পৃথিবী তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছিল, পাহাড়সমূহও তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছিল।
কিন্তু তুমি গ্রহণ করেছিলে সেই 'আমানাহ'।
তাহলে এই আমানাহ কী? এটা হলো স্বাধীন ইচ্ছা (Free Will) যা পছন্দ ও অমান্য করার ক্ষমতা।
দুনিয়াতে আল্লাহর খলীফা (প্রতিনিধি) হবার চুক্তি করে এসেছ, আল্লাহর বিধানকে প্রতিষ্ঠিত রাখার চুক্তি করে এসেছ।
সূর্য জ্বলে কারণ তাকে জ্বলতেই হয়। পাহাড় দাঁড়িয়ে থাকে কারণ তাকে দাঁড়িয়েই থাকতে হয়। ফেরেশতারা মান্য করে কারণ তাদের মানতেই হয়। তারা চলে আদেশে, আর তুমি চল সিদ্ধান্তে। এই কারণেই জীবন এত ভারী মনে হয়।
এই কারণেই উদ্বেগ জন্মায়। প্রতিবার তুমি নিজের কামনা-বাসনার বিরুদ্ধে লড়াই করো। প্রতিবার তুমি কমফোর্টের বদলে সত্যকে বেছে নাও। প্রতিবার তুমি ক্লান্ত থাকলেও নামাজে দাঁড়াও। প্রতিটি কুফরের বিরুদ্ধে তোমাকে লড়াই করতে হয়। কুফর সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়। তুমি ক্লান্ত, বিধ্বস্ত, অসহায় অনুভব কর। তুমি আসলে সেই অঙ্গীকারের ভার অনুভব করছো। তুমি সেই চুক্তি পালনের কাঠিন্য অনুভব করছো।
পাহাড়গুলো জানত 'পছন্দ করার স্বাধীনতা' মানে ব্যর্থ হওয়ারও সম্ভাবনা। তাই তারা আত্মসমর্পণকেই বেছে নিয়েছিল। তারা স্বাধীন ইচ্ছা লাভের সাহস করে নি।
কিন্তু তুমি বেছে নিয়েছ ঝুঁকি, ভালবাসার ঝুঁকি। তুমি চেয়েছিলে স্বেচ্ছায় আল্লাহকে ভালোবাসার সুযোগ, বাধ্য হয়ে নয়।
এই কারণেই তোমার একটি নামাজ ফেরেশতাদের তাসবিহের চেয়েও ভারী। ফেরেশতারা পবিত্র কারণ তাদেরকে সেভাবেই সৃষ্টি করা হয়েছে এবং সেভাবেই আদেশ করা হয়েছে।
তুমি অদৃশ্য আল্লাহকে স্বেচ্ছায় স্মরণ কর নিজের নফসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে।
জুলুমের বিরুদ্ধে, জালিমের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে তোমার উচ্চারিত প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লিখনি, প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি শ্লোগান, প্রতিফোঁটা রক্ত - দুনিয়া ও এর ভিতর যা কিছু আছে তাদের চেয়ে ভারী।
দুনিয়ার সকল প্রজাতির ইবাদতের চেয়ে ভারী।
তুমি দুনিয়ায় করা চুক্তিগুলোকে গুরুত্ব দাও। দুনিয়ার শক্তিশালীদের সাথে করা চুক্তিগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন কর। স্মরণ করো, তুমি মহাবিশ্বের পালনকর্তার সাথে চুক্তি করে এসেছ। এই চুক্তি ভঙ্গ করার রিস্ক নিতে যেও না। তুমি দুনিয়ার পরাশক্তির সাথে করা চুক্তি ভাঙ্গতে ভয় পাও। মহাবিশ্বের পালনকর্তার সাথে করা চুক্তি ভাঙ্গার দূঃসাহস হয় কী করে???
“নিশ্চয়ই আমি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও পর্বতমালার নিকট আমানত পেশ করেছিলাম; তারা তা বহন করতে অস্বীকার করল এবং এতে ভীত হলো। কিন্তু মানুষ তা বহন করল। নিশ্চয়ই সে অত্যন্ত জালেম, অজ্ঞ।” - (সূরা আল-আহযাব - ৭২)
“আমি তাকে পথ দেখিয়েছি—সে কৃতজ্ঞ হবে, না অকৃতজ্ঞ হবে।” - (সূরা আল-ইনসান - ৩)
“জান্নাত ঘিরে রাখা হয়েছে কষ্টকর জিনিস দিয়ে, আর জাহান্নাম ঘিরে রাখা হয়েছে প্রবৃত্তির কামনা দ্বারা।” (সহীহ বুখারি - ৬৪৬৪)

বাংলা

মারইয়াম!!!! আহ, মারইয়াম!!!!
অনেক কষ্ট? ভেঙ্গে যাচ্ছ? অভিযোগ আর অনুযোগের পাহাড় বহন করছো?
দেখ পবিত্রতম নারীটিকে.....
কাউকে অভিশাপ দিল না,
ছিল না অভিযোগ আল্লাহর কাছেও...
তার হৃদয়ে ছিল সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ।
উচ্চারিত হলো, অসীম কষ্টের নিঃশব্দ আর্তনাদ,
“হায়! আমি যদি আগেই মারা যেতাম!
যদি বিস্মৃত, বিলুপ্ত হয়ে যেতাম!”
নাহ, এখানে অবিশ্বাস ছিল না।
ছিল এক ব্যথার প্রকাশ, ভাষার বাইরে।
একাকী নির্দোষ নারী,
বুঝবে না সমাজ, করবে না বিশ্বাস,
দেবে কেবল অপবাদ।
একাকীত্ব, প্রসবের বেদনা,
কোনো ধাত্রী নেই, কোনো আশ্রয় নেই।
দূর্বল কিন্তু বিশ্বাসী!!
হৃদয় ছিঁড়ে বের হল, "হায়, যদি আমি না থাকতাম!! বিলুপ্ত হয়ে যেতাম!!! বিস্মৃত হয়ে যেতাম সবার স্মরণ থেকে!!"
যদি কষ্ট তোমাকে নাড়িয়ে দেয়,
যদি তুমি একা অনুভব করো,
যদি তোমাকে রাখা হয় এমন জায়গায়
যা তুমি বেছে নাওনি....
তাহলে একটু থামো,
মারইয়ামের মতো,
নিচের দিকে তাকাও।
হয়তো ঠিক তোমার পায়ের কাছেই
নিঃশব্দে বয়ে যাচ্ছে একটি নদী,
যা তুমি খেয়াল করোনি।
আশা সবসময় আকাশ থেকে নেমে আসে না,
কখনো তা জন্ম নেয় তোমার একেবারে কাছে,
তোমার ধৈর্যে,
তোমার শ্বাসে,
তোমার বেঁচে থাকার ছোট্ট চেষ্টায়,
তুমি একা নও,
শুধু এখনো সত্য পর্দা ছিঁড়ে প্রকাশিত হয় নি।
(সুরা মারইয়াম অবলম্বনে)

বাংলা

আজকে সরকার ও বিরোধীদল মিলেমিশে জনগণের সাথে, মুসলিম জনগোষ্ঠীর সাথে বাটপারি করছে। তারা উভয়ে জনগণের সার্বভৌমত্বের ঘোষণা দিয়ে নিজেরা বিধানদাতা (legislator) হিসেবে সংসদে গেছেন। আল্লাহর সাথে সরাসরি শিরক করা এই কুফর সংসদকে মহাপবিত্র ঘোষণা দিয়ে সেকুলার, হুজুর সবাই শয়তানের আনুগত্যের শপথ করেছেন। অথচ এই বিষয়ে সত্য উচ্চারণ করার কেউ নেই।
এরা দুই গ্রুপই নিঃশর্ত আনুগত্য, গোলামি করে পশ্চিমা শক্তির। অথচ মদীনা সনদের কথা বলে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে ধোঁকা দেয়। মূলত, এদের দুই গ্রুপকেই উপড়ে ফেলে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মুসলিমরা আবারও সেই সোনালী যুগে ফেরত যাবে যার নাম "খিলাফাহ রাশিদাহ"।
2/2
বাংলা

আমাদের আইনমন্ত্রী সংসদে হবস-লক-রুশোঁর প্রসঙ্গ নিয়ে এসেছেন। মজার এবং আতঙ্কের বিষয় হলো, হবস-লক-রুশোঁর সাথে উনি মদীনা সনদও পড়তে বলেছেন।
চলুন দেখি হবস- লক-রুশোঁর আদর্শ ও চিন্তা কি ছিল?
হবস, লক ও রুশোঁর চিন্তার কেন্দ্রে রয়েছে ‘সামাজিক চুক্তি’ ধারণা। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, মানুষ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার জন্য নিজের কিছু স্বাধীনতা রাষ্ট্রের কাছে ন্যস্ত করে এবং এর বিনিময়ে রাষ্ট্র নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
১৬৫১ সালে প্রকাশিত Leviathan গ্রন্থে হবস মানুষের প্রকৃতিকে চিত্রিত করেন “নিষ্ঠুর, স্বার্থপর ও হিংস্র” হিসেবে। তার বিখ্যাত উক্তি, “Man is a wolf to man.”
হবস ছিলেন ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লসের শিক্ষক। গৃহযুদ্ধ-জর্জরিত ইংল্যান্ডে রাজতন্ত্রকে শক্ত হাতে টিকিয়ে রাখাই ছিল তার দর্শনের মূল উদ্দেশ্য। ফলে মানুষের প্রকৃতিকে পশুবৎ প্রমাণ করে তিনি স্বৈরতন্ত্রকে নৈতিক বৈধতা দিলেন।
অন্যদিকে Two Treatises of Government প্রকাশ করেন জন লক ১৬৯০ সালে—ঠিক ১৬৮৮ সালের রেভল্যুশনের পর। রাজতন্ত্র তখন আর প্রয়োজন নেই, বরং প্রয়োজন সীমাবদ্ধ শাসন।
তাই লকের দর্শনে হঠাৎ করেই আবির্ভূত হয় জনগণের সম্মতি, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার। মানে দুইটাই ক্ষমতাশালীদের পদলেহী বাটপার।
সময় বদলেছে, ক্ষমতার কাঠামো বদলেছে, আর সেই অনুযায়ী দর্শনও বদলে গেছে। এখানে দর্শন ক্ষমতার বাস্তবতার অনুসারী কিন্তু সত্যের নয়।
এই ত্রয়ীর মধ্যে তুলনামূলকভাবে ব্যতিক্রম জ্যাঁ জ্যাক রুশো। তিনি ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিলেন না; বরং ক্ষমতার বিপরীতে দাঁড়িয়ে The Social Contract রচনা করেন।
তার বিখ্যাত ঘোষণা—
“Man is born free, and everywhere he is in chains.”
ফরাসি বিপ্লবের আগুনে রুশোর দর্শন ছিল বারুদের মতো।
সংবিধান সংস্কার নিয়ে আলোচনায় রাষ্ট্রের ক্ষমতা, নাগরিক অধিকার ও শাসনব্যবস্থার মৌলিক প্রশ্ন উঠে আসে। এসব প্রশ্নের তাত্ত্বিক ভিত্তি বুঝাতে আইনমন্ত্রী হবস-লক-রুশোঁর চিন্তার দিকে ইঙ্গিত করেন।
মানে উনি বলতে চান, সংবিধান শুধু আইনি দলিল নয়, এটি রাষ্ট্রের মৌলিক দর্শনের প্রতিফলন। তাই এ নিয়ে আলোচনায় রাজনৈতিক দর্শনের প্রেক্ষাপট গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু এখানেও মূল সমস্যা রয়ে যায়, আইনের উৎস হিসেবে মানবসম্মতি। আল্লাহর বিধান নয়, বরং মানুষের ইচ্ছাই হয়ে ওঠে সর্বশেষ কর্তৃত্ব।
সামাজিক চুক্তিতত্ত্ব একটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তর দিতে ব্যর্থ— চুক্তির আগের মানুষ কীভাবে বেঁচে ছিল?
কেউ বলেন natural law, কেউ বলেন survival of the fittest।
কিন্তু প্রকৃতি আইন দেয় কীভাবে?
জঙ্গল কি নৈতিকতা উৎপাদন করে?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না দিয়েই আধুনিক চিন্তা এগিয়ে যায়, কারণ উত্তর দিলে আল্লাহর দরজায় পৌঁছাতে হয়।
স্বাধীনতার পর ডঃ কামালদের বানানো সংবিধান ডজন বারের ওপরে সংশোধনের পরেও রাষ্ট্রের কোন উন্নতি হলো না। জনগণের ওপর বারবার শোষণের কষাঘাত নেমে এসেছে। তবুও আবারও সেই মানবরচিত বিধান দিয়েই আমাদেরকে শোষণ করার তালে আছে সরকার এবং বিরোধীদল তথা বাটপার শাসকগোষ্ঠী মিলেমিশে।
ইসলাম ভিন্ন প্রতিটি আদর্শই প্রতিক্রিয়া থেকে সৃষ্টি। কারণ, মানুষের হায়াত, মৃত্যু, আগে কি ছিল, পরে কি হবে - সবকিছু একমাত্র আল্লাহর জ্ঞানে আছে। তাই মানুষের জন্য বিধান মানুষ তৈরি করতেই পারে না।
মধ্যযুগীয় খ্রীস্টান চার্চ ও রাজাদের মিলিত অত্যাচারের প্রতিক্রিয়ায় মডার্ণ সেকুলার দর্শনের উৎপত্তি, যার তিন গুরু হলো টমাস হবস, জন লক এবং জ্যাঁ জ্যাক রুশোঁ। বলা হয়ে থাকে বৃটিশদের কেন সেকুলার হতে হবে?
— খ্রিস্টান চার্চের অত্যাচার।
তাহলে মুসলিমদের কেন সেকুলার হতে হবে?
— তাও খ্রিস্টান চার্চের অত্যাচার।
অথচ ইউরোপে যখন মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলছে, তখন মুসলিম ভূমিতে ইসলামী খিলাফতের স্বর্ণযুগ চলছে।
এদিকে জুলাই সনদকে মহাপবিত্র বানানো বিরোধীদলও একি মানবরচিত বিধানের সুপিরিয়রিটি প্রমাণে বদ্ধপরিকর। আইনমন্ত্রী যেমন নিজের অবস্থান প্রমাণে হবস, লকের মতো দুই বাটপার দার্শনিকের ত্রিপিটক তত্ত্ব হাজির করেছেন। তেমনি জুলাই সনদিরাও এই সনদ নামক বেদ, উপনিষদ হাজির করেছে।
অথচ, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এই মানব জাতির জন্য পরিপূর্ণ বিধান "আল-কুরআন" দিয়ে দিয়েছেন। আর রাসুল (সা) থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী খলীফারা এই কুরআনিক ফ্রেমের ভিতরে তৈরি সংবিধান যার নাম "মদীনা সনদ" তা দিয়ে শাসন করে গেছেন। ১৩৫০ বছর দুনিয়ার মানুষ দেখেছে সুশাসন কাকে বলে।
নবুয়তের শাসন এবং পরবর্তী খিলাফত শাসনব্যবস্থার শুরু হয়েছিল যে সংবিধান দিয়ে তাই হলো মদীনা সনদ।
মদীনা সনদে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ছিল প্রধান শর্ত। এই সনদের অধীনে কোন শাসক আইন তৈরির অধিকার পেতেন না। এই সংবিধানের অধীনে কুফর কোন শক্তির আনুগত্য করা যেত না। জনগণ সবাই যদি উল্টে যায় তবুও আল্লাহর বিধানের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ এই সংবিধানের অধীনে ছিল না।
1/2

বাংলা

These clowns simply act according to the orders of their master, the United States. If they had even the slightest ability to mediate and stop the war, then why is genocide still ongoing in Gaza?
Our weakness is not that we are militarily weak. Rather, our biggest weakness is that such collaborators are our rulers.
#IranWar #pakistan #turkey #egypt

English

সেকুলার লিবারেল গণতান্ত্রিক সিস্টেমের প্রতিমন্ত্রী জনাব ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের কোন জবাব কি আপনার কাছে আছে?
আপনি কি আসলে মুসলিম? নিজেকে কখনো প্রশ্ন করেছেন মুসলিম হতে হলে কি লাগে?
আপনার কালেমার দাবী কি?
- চেষ্টা করেছি প্রশ্নগুলোর জবাব দিতে। কারও গায়ে লাগলে খুশি হবো, কারণ আমি চাই মুসলিমের বাচ্চারা মুসলিম হয়ে উঠুক।
বাংলা


