Sabitlenmiş Tweet
SAIDUL 2.0
8.8K posts


ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়ার কারণে জাতীয় যুবশক্তির ঠাকুরগাঁও জেলার যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন-কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
গতকাল “বিবি সাওদা” ইস্যু নিয়ে অনেকেই সোচ্চার ছিলেন, প্রতিবাদ করেছেন, স্ট্যাটাসে ঝড় তুলেছেন। কিন্তু আজ যখন একজন রাজনৈতিক কর্মী শুধু মত প্রকাশের কারণে গ্রেফতার হলেন—তখন কেন এই নীরবতা?


বাংলা

ঢাকা শহরটা আসলে একটা অদ্ভুত জায়গা…
এখানে রক্তের সম্পর্কের বাইরেও তৈরি হয় আরেকটা সম্পর্ক—মনের সম্পর্ক।
বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা থেকে মানুষ এসে এই শহরে বাস করে। কেউ কুমিল্লা, কেউ যশোর, কেউ বরিশাল, কেউ রংপুর… কিন্তু কিছুদিন একসাথে থাকতে থাকতে মনে হয়—আমরা সবাই একই পরিবারের মানুষ।
প্রতিদিন সকাল-বিকাল যাদের সাথে দেখা হয়, কথা হয়, হাসি-কান্না ভাগাভাগি হয়—তারা একসময় আপনজনের চেয়েও বেশি আপন হয়ে যায়।
তাদের কারো কোনো সমস্যা হলে মনে হয়—এটা যেন আমার নিজের সমস্যা।
তাদের কষ্টে বুকটা ভারী হয়ে আসে, আর তাদের সুখে মনে হয়—এই আনন্দটা আমারও।
আজ একটা ঘটনা আমাকে ভিতর থেকে ভেঙে দিয়েছে…
আমার ছেলের মাদ্রাসার এক ছাত্র—বয়স মাত্র ৮ বছর… তার মা আজ মারা গেছেন।
ওদের বাড়ি যশোর, আর আমি কুমিল্লার মানুষ। কোনো রক্তের সম্পর্ক নেই… তবুও ছেলেটার কথা মনে হলে নিজেকে ঠিক রাখতে পারি না
বারবার মনে হচ্ছে চিৎকার করে কাঁদি… কিন্তু পারছি না।
ওর নিষ্পাপ মুখটা, মায়ের জন্য ওর শূন্যতা—সবকিছু দেখে নিজেকে সামলানো খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
ঢাকায় আমরা শুধু একসাথে থাকি না…
আমরা একে অপরের জীবনের অংশ হয়ে যাই।
আজ সেই ছোট্ট ছেলেটার জন্য দোয়া করবেন সবাই…
আল্লাহ তাকে ধৈর্য দিক, আর তার মাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। 🤲

বাংলা

আপনারা কেউ তেল বাজি শিখতে চান তাহলে এই স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বয়ান শুনুন।
সংসদ যেন তেলবাজদের জায়গা। বিএনপিতে সংসদ সদস্যদের ম্যাক্সিমামই তো তেলবাজ।
নিজের দলের প্রশংসা করেন তেল মারেন ভালো কথা কিন্তু আসল ক্যাপ্টেন কিভাবে তারেক রহমান সেটা আমি জানতে চাই।
আসলে কী সে অনলাইন ক্যাপ্টেন বোঝাতে চেয়েছে? জুলাইয়ের আসল ক্যাপ্টেন কারা তা কি আমরা জানিনা?? তোমার কথায় তারেক রহমান সাহেব ক্যাপ্টেন হয়ে যাবেন?
youtu.be/YBIKsh6WX0A?si…

YouTube

বাংলা

নতুন প্রজন্মের রাজনীতি: দায়িত্ব, নিরাপত্তা ও আস্থা
এনসিপি’ও জামাত এর প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান
শুধু নেতৃত্ব নয়, তৃণমূল কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও আপনাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।
প্রতিটি এলাকায় যে সমন্বয়ক কমিটি রয়েছে, তাদের উচিত নিয়মিত সাধারণ কর্মীদের খোঁজখবর রাখা।
কারণ বাস্তবতা হলো—ক্ষমতাসীন রাজনীতির চাপ, ভয়ভীতি এবং নানা ধরনের হয়রানি সব সময়ই তাদের জন্যে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
একজন কর্মী সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে তাকে নিয়ে আলোচনা হবে এটা যেনো না হয়।
যারা নীরবে কাজ করে যাচ্ছে, আর যারা কাজ করতে চাইছে। যারা সব সময় সামনে আসে না তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কি কম গুরুত্বপূর্ণ? বরং তাদের দিকেই আরও বেশি নজর দেয়া দরকার।
বাংলাদেশে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন যারা প্রচলিত বড় দলগুলোর রাজনীতি পছন্দ করেন না, কিন্তু একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক শক্তি দেখতে চান। তাদের অনেকেই হয়তো সরাসরি যুক্ত নন, কিন্তু তাদের চিন্তা-ভাবনা, কথাবার্তায় একটি নতুন রাজনীতির প্রতি আকর্ষণ স্পষ্ট। এই মানুষগুলোর আস্থা ধরে রাখাও জরুরি।
একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক কাঠামো গড়তে হলে শুধু সংগঠন নয়—আইনি সহায়তার ব্যবস্থাও থাকতে হবে। দেশের প্রতিটি আদালতে নিজেদের আইনজীবী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা দরকার, যাতে কোনো কর্মী বা সমর্থক সমস্যায় পড়লে দ্রুত আইনি সহায়তা পায়।
যদি এই নিরাপত্তা ও সহায়তার বিষয়গুলো নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে ভয় ও চাপের মুখে অনেকেই পিছিয়ে যাবে—এটাই স্বাভাবিক। আর তখন একটি সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়বে।
রাজনীতি শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার পথ নয় এটি মানুষের আস্থা অর্জনের একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।
সেই আস্থা ধরে রাখতে হলে “আমরা পাশে আছি”—এই বার্তাটি বাস্তবে প্রমাণ করতে হবে।
অনেক মানুষ আজও অপেক্ষায় আছে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও সাহসী রাজনৈতিক বিকল্পের জন্য।
আজ এতটুকুই…পরে আবার লিখবো।


বাংলা

ইউনুসের বাসার সামনে যখন ছাত্রদল–বিএনপি তৎকালীন মন্ত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ গালাগালি করছিল—তখন কি Muhammad Yunus সবাইকে জেলে ঢুকিয়েছিলেন?
একজন ইউনুসকে নিয়ে যত নোংরামি হয়েছে ফেসবুকে—এমনকি আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের কাউকেও কি সরকারের কোনো উপদেষ্টাকে নিয়ে বাজে পোস্টের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে? হয়নি। বরং এটা একটা বেঞ্চমার্ক তৈরি করেছিল—সমালোচনার একটা স্পেস ছিল।
আমরা নিজেরাই Asif Nazrul-কে নিয়ে ট্রল করেছি, সমালোচনা করেছি। কিন্তু শুধুমাত্র পোস্টের কারণে কাউকে সাইবার আইনে তুলে নেওয়া হয়েছে—এমনটা কি দেখেছি?
আমার মনে আছে, Mirza Fakhrul Islam Alamgir এক সেমিনারে আবেগে কেঁদে ফেলেছিলেন। বলেছিলেন—“আমরা এমন এক সময়ে আছি, যেখানে কথা বলাও অপরাধ। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মানুষকে চিরতরে কারাগারে পাঠানো হয়।”
আমরা হারিয়েছি Mushtaq Ahmed-কে—যিনি ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে গ্রেফতার হয়ে কারাগারেই মারা যান। সেই স্মৃতি তো খুব পুরনো নয়।
সময় সত্যিই দ্রুত বদলে যায়।
আজ সেই বিএনপিই আবার একই ধারার আইন, একই দমন-পীড়নের ছায়া ফিরিয়ে আনতে চাইছে। ভোলায় একজন নারী—শুধু একটি ফেসবুক পোস্টের কারণে—সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে গ্রেফতার।
এটা আসলে নতুন কিছু না—এটা পুরনো চক্রের পুনরাবৃত্তি।
এটা সেই একই মানসিকতা—যাকে আমরা বলি “Sheikh Hasina সিনড্রোম”।
যদি রক্ত দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতায় আমরা কথা বলতেই না পারি—
তাহলে সেই স্বাধীনতার মূল্য কোথায়?
#FreedomOfSpeech #Bangladesh #Justice

বাংলা

গতকাল সংসদ অধিবেশনের গ্যালারতে না থাকলে এবং নিজের চোখে না দেখলে ও শহীদ পরিবারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ না থাকলে বাটপারিটা ধরতেই পারতাম না।
বিএনপি এবং তার জোটের শরিকেরা জুলাই সনদ নিয়ে বাটপারির নতুন ফাঁদ পাতছে গতকাল,জুলাই যোদ্ধাদের সাথে এনসিপির বিতন্ডা দেখিয়ে ফ্রেমিং করে এরপর তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করতে দিয়ে নিজেদের নতুন গেম বাজারে ছেড়েছে। এই বাটপারি দেখলাম ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ইনিয়ে বিনিয়ে পোস্ট করেছে,তারমানে এরা সংঘবদ্ধভাবেই করতেছে।
এই বিষয়ে কথা বলা দরকার ভেবে লিখলাম।
গতকাল "জুলাই সনদ বিল পাশ হবে" এবং "প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করানো হবে" বলে আহত ও শহীদ পরিবারের একাংশদের সংসদ অধিবেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের সাথে এনসিপির নেতাদের কথা-কাটাকাটির একটা ভিডিও নিয়ে প্রোপাগাণ্ডা চালানো হয়।
শহীদ পরিবারের সাথে আমাদের সরাসরি যোগাযোগ থাকায় আমরা যখন খোঁজ নেই,আমি নিজে যখন ওইখানে থাকা নারায়ণগঞ্জ এর শহীদ পরিবারের সাথে যোগাযোগ করি,তারা বলে যে তারা নিজেরাই বিব্রত এই ঘটনায়।
তারা সেখানে যাওয়ার পর বুঝতে পারে যে তাদেরকে বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। দুইজন আহত শুরু থেকেই খুব উগ্র আচরণ করতে থাকে এবং আখতার ও হাসনাত কে উদ্দেশ্য করে উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন তাদের সাথে দেখা করেন,সেখানে ওই দুইজন বলে যে তারা বিএনপি করত বলে কোন সমন্বয়ক নাকি তাদেরকে কোন সুযোগ সুবিধা নিতে দেয় নাই কখনো,চিকিৎসার ব্যবস্থা করে নাই ইত্যাদি।
প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার পর হাসনাত আব্দুল্লাহ জিজ্ঞেস করে যে, "ভাই আমারে বলেন কোন সমন্বয়ক আপনার সাথে এমন করেছে,নাম বলেন। আমি খোজ নিয়ে ব্যবস্থা নিব।" এই কথায় সেই দুইজন রেগে যায় এবং উল্টাপাল্টা বলা শুরু করে। আখতার হোসেন তখন কথা বলে তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে। তবে হান্নান মাসুদ ওই দুইজনের ওপর বিরক্ত হয়ে ধমক দেয়।
শহীদ পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, এইরকম কিছু একটা ঘটনা সাজানোর জন্যই তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে তাদের মনে হয়েছে।
দেখেন, শহীদ পরিবার ও আহতদের সবচেয়ে বেশী সহযোগিতা ও খোজখবর এনসিপির আমরাই রাখি। প্রায় প্রত্যেকটা শহীদ পরিবারের সাথে আমাদের সরাসরি যোগাযোগ আছে।
নারায়ণগঞ্জ এ আমরা কোন ইভেন্ট তাদেরকে ছাড়া করি না। সব শহীদ, সে যেই দলেরই হোক না কেন। যেমন বন্দরের সজন যুবদল করত, কিন্তু ওর পরিবার ও আমাদের সাথে সবচেয়ে বেশী যোগাযোগ হয়।
আজকে যারা এই ঘটনা দিয়ে ন্যারেটিভ দেয়ার চেষ্টা করছেন,তারা শহীদ পরিবারের সাথে জীবনে কয়বার যোগাযোগ করেছেন? ফেডারেশনের সভাপতি শাকিল ছাড়া আর কয়টা শহীদ পরিবারের খোঁজ খবর নেন নিয়মিত? অন্তত নারায়ণগঞ্জ এ তো দেখি নাই। জানেনই না যে কে কোথায় শহীদ হয়েছে,কিভাবে আছে এখন পরিবারগুলি।
জুলাইয়ের আহত এবং শহীদ পরিবার এনসিপির টপ প্রায়োরিটি। এইটা পরিবারগুলিও জানে। তাদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলাম যখন,বলল তারা নিজেরাই বিব্রত।
এই যে শহীদদের পরিবারকে ডেকে নিয়ে নাটক মঞ্চস্থ করে যারা তাদেরকে বিব্রত করলেন,এখনো করতেছেন,এইসব নোংরা রাজনীতি করে শহীদদের অপমান টা না করলে পারতেন না?
শওকত আলী
বাংলা

ঢাকার তেজগাঁও থেকে গুম হওয়া বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমন
একজন ভাই, একজন সন্তান, একজন রাজনৈতিক কর্মী…
যিনি আজও নিখোঁজ।
তিনি ঢাকা-১৪ আসনের এমপি পদপ্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলির ভাই।
অন্যদিকে সেই আসনে জামায়াত থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার আরমান
যিনি নিজেও ৯ বছর গুম থাকার পর ফিরে এসেছিলেন “আয়না ঘর” থেকে।
একটি দৃশ্য হৃদয় ভেঙে দেয়
যখন ব্যারিস্টার আরমান, এবং মাইকেল চাকমা সুমনের মায়ের সাথে দেখা করতে যান…
সুমনের বৃদ্ধ মা কাঁপা কণ্ঠে শুধু একটি প্রশ্ন করেন
বাবা, আমার সুমনকে দেখছেন?
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই।
শুধু আছে অপেক্ষা… আর অজানা কষ্ট।
এই গল্প শুধু একটি পরিবারের না,
এটা হাজারো গুম হওয়া মানুষের পরিবারের গল্প।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে
আজকের বিএনপি কি সেই আত্মত্যাগ, সেই যন্ত্রণা ভুলে যাচ্ছে?
তারা এখন অন্তর্বর্তী সরকারের “গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ” বাতিল করতে চায়
যে আইন এ বলা ছিলো
কাউকে আটক করলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে
আটক ব্যক্তির পরিবারকে জানাতে হবে
গোপন আটক কেন্দ্র (আয়না ঘর) নিষিদ্ধ
গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা
ভুক্তভোগী পরিবারকে আইনি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের সুযোগ
এই আইন তো মানুষের অধিকার রক্ষার জন্যই ছিল।
তাহলে এটা বাতিল করার মানে কী?
তাহলে কি আবারও সেই অন্ধকার সময় ফিরে আসবে?
তাহলে কি আবারও কাউকে তুলে নিয়ে যাওয়া হবে, আর কোনো খোঁজ থাকবে না?
গুম কোনো রাজনীতি না
এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
যারা গুমের শিকার হয়েছে, তাদের পরিবার এখনো অপেক্ষা করছে।
তাদের চোখের পানি এখনো শুকায়নি।
বাংলা

রেজাউল করিম রনিদের বক্তব্য এখন স্পষ্টভাবে একটা দ্বিচারিতার চিত্র তুলে ধরছে।
টকশোতে বসে যখন তারা বিএনপি নিয়ে কথা বলেন, তখন মনে হয় তারা “জুলাই-পরবর্তী” একটা নতুন বিএনপির অংশ হতে চান। কিন্তু বাস্তবতা হলো—তাদের চিন্তা ও অবস্থান বারবার “জুলাই-পূর্ব” সেই পুরোনো রাজনৈতিক মানসিকতাকেই সামনে নিয়ে আসে।
আজ তারা সরকারের কাছে আবেদন করছেন—সড়কে আন্দোলন ঠেকাতে ১৪৪ ধারা জারি করার জন্য। অথচ একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আন্দোলন-সংগ্রাম মানুষের মৌলিক অধিকার। এই অধিকার দমনের এমন প্রকাশ্য আহ্বান স্বাভাবিকভাবেই জনমনে উদ্বেগ তৈরি করে।
প্রশ্নটা এখানেই—
আওয়ামী লীগের আমলেও বিএনপি কি কখনো বলেছিল যে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা যাবে না? হরতাল, অবরোধ—এসব কি তখন অন্যায় ছিল না?
তাহলে আজ আন্দোলন দেখলেই ১৪৪ ধারা চাওয়ার এই মানসিকতা কোথা থেকে এলো?
আরও আশ্চর্যের বিষয়—ইউনুস সরকারের সময় যমুনার সামনে ছাত্রদল যখন আন্দোলন করছিল, উপদেষ্টাদের উদ্দেশ্যে কঠোর ভাষায় স্লোগান দিচ্ছিল, তখন কি রেজাউল করিম রনিরা ১৪৪ ধারা জারির দাবি তুলেছিলেন?
১৪৪ ধারা চাওয়ার অর্থ কী?
এর অর্থ হলো—আপনি আন্দোলন করতে রাস্তায় নামবেন, আর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সেটি দমন করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বৈধতা পাবে। এর ভেতরে লুকিয়ে আছে ভয়, দমন এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে সীমাবদ্ধ করার প্রবণতা।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো—এমন চিন্তাধারার মানুষ আজ বিএনপির নীতিনির্ধারণী জায়গায় অবস্থান করছেন। যখন আগ্রাসী ও দমনমূলক মানসিকতার লোকেরা পলিসি টেবিলে জায়গা পায়, তখন সেই দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা খুবই স্বাভাবিক।
এখন প্রশ্ন একটাই—
এই বিএনপি থেকে জনগণ ঠিক কী আশা করতে পারে?
বাংলা

গতকাল রাতের ফুটবল ম্যাচটা আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে গেছে।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে, যখন সবাই শ্বাসরুদ্ধ করে অপেক্ষা করছে—ঠিক তখনই রোনাল সুলিভান শেষ কিকটা মেরে বাংলাদেশকে জয়ের হাসি উপহার দিল। এরপর থেকে টিভি চ্যানেল, ফেসবুক, টুইটার—সব জায়গায় শুধু তার নাম, তার প্রশংসা।
কিন্তু একটা প্রশ্ন কি আমরা নিজেদের করেছি?
এই ম্যাচে শুধু কি একজনই খেলেছে?
না। পুরো ৯০+ মিনিট মাঠে লড়াই করেছে আরও ১১ জন খেলোয়াড়। ঘাম ঝরিয়েছে, সুযোগ তৈরি করেছে, ডিফেন্স সামলেছে। তবুও কেন তাদের নাম সেভাবে উচ্চারিত হয় না?
কারণ দুনিয়ার নিয়মটাই এমন—
যে শেষ মুহূর্তে জিতিয়ে দেয়, তাকেই “হিরো” বানানো হয়।
ঠিক একই চিত্র আমরা দেখেছি আমাদের দেশের বাস্তবতায়ও।
গত ১৭ বছরে বড় বড় রাজনৈতিক দল যেমন বিএনপি-জামাত শত চেষ্টা করেও শেখ হাসিনাকে সরাতে পারেনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেশের ছোট ছোট স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্ররাই সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে।
আজ আপনি সেটা মানুন বা না মানুন—
সত্য কখনো অস্বীকারে মিথ্যা হয়ে যায় না।

বাংলা

বাকের ভাই মনে হয় আজকে শুধু বিয়ে করে নাই, পুরো Facebook-টাই কিনে নিয়েছে! 😄
FB তে ঢুকলেই শুধু তার বিয়ের ছবি একটা না, দুইটা না, যে তার বিয়েতে গেছে সেই ছবি পোস্ট দিচ্ছে।
নিউজফিড স্ক্রল করলেই একই দৃশ্য বাকের ভাই, তার বউ,
বন্ধুরা কেউ পোস্ট দিলে সেটা দেখা যায় না, সব জায়গা জুড়ে শুধু “বাকের ভাইয়ের বিয়ে স্পেশাল শো” চলছে!
এই অবস্থায় মনে হচ্ছে Facebook না, আজকে “বাকের ভাই TV” চলছে লাইভ! 😂

বাংলা

ছোটবেলায় একটা গল্প শুনেছিলাম…
এক লোক একটা মুরগির ডিম কিনে বাড়ি ফিরছিল। পথে ধাক্কা লেগে ডিমটা ভেঙে গেল।
লোকটা ক্ষতিপূরণ চাইল—কত জানেন? ১ কোটি টাকা!
জিজ্ঞেস করা হলো—একটা ডিমের দাম ১ কোটি কিভাবে?
তখন সে শুরু করলো হিসাব
এই ডিম থেকে বাচ্চা হবে 🐣
বাচ্চা বড় হয়ে মুরগি হবে 🐔
মুরগি ডিম দেবে, ডিম থেকে আবার বাচ্চা…
এভাবে মুরগির খামার…
সেখান থেকে ছাগল… 🐐
ছাগল থেকে গরু… 🐄
গরু থেকে গাড়ি… 🚗
একটা গাড়ি থেকে অনেক গাড়ি…
শেষে কোটি কোটি টাকা!
এই ভাবে আমার ডিমের দাম ১ কোটি টাকা।
গল্পটা তখন হাসির ছিল…
কিন্তু এখন দেখি আমাদের দেশের প্রধান মন্ত্রী সংসদে সেই গল্প বলছে।
এটা আর ডিমের গল্প না এটা হচ্ছে ফ্যামেলি কার্ড এর গল্প।
প্রসেস টা সেই ডিম ওলার মতো।
বাংলা







