আছিয়া হত্যা মামলার রায় দ্রুততম সময়ে হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ। অবিলম্বে কার্যকরও হোক।
তবে কেবল হিটু শেখ নয়, প্রভাবশালী আসামীদের বেলায়ও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক। অপরাধ করে কেউ পার পায় না, এটা বার বার প্রমাণ হোক এদেশে।
প্রিয় স্বদেশ ও দেশের মানুষকে জালিমের জুলুম থেকে রক্ষার জন্য যারা আত্মত্যাগ করেছেন, কৃতজ্ঞতা সকল বীরের প্রতি।
হে আমার রব, আপনি এ শহরকে নিরাপদ করে দিন এবং আমাকে ও আমার সন্তানদেরকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন (সূরা ইবরাহীম ৩৫)।
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন যে কোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। আমাদের কর্মতৎপরতাকে আরো সুসংগঠিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক করতে আমরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময়ে আগ্রহী।
এ বিষয়ে যাঁরা গবেষক হিসেবে কাজ করছেন, তাঁদের নাম প্রস্তাব করে আমাদের সহায়তা করতে পারেন।
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন বন্যা তহবিলে অনুদান পাঠানোর শেষ সময় আগামী মঙ্গলবার রাত ১২ টা। এরপর বন্যা তহবিলে টাকা না পাঠানোর জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।
নির্দিষ্ট সময়ের পর কেউ টাকা পাঠালে সেটা পরবর্তী বন্যা-দুর্যোগে ব্যয় করা হবে।
নতুন শিশুর কলধ্বনিতে মুখর হলো আশ্রয়কেন্দ্র। নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর হাই স্কুলের আশ্রয় কেন্দ্রের ঘটনা এটি।
আশ্রয় কেন্দ্রটিতে আমাদের ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং শিশুটির জন্মও হয়েছে আমাদের টিমের তত্ত্বাবধানে
শিশুটি তার বাবা-মার সৌভাগ্য বয়ে আনুক সে দোয়া করি
ঢাকা থেকে বড় বড় কার্গোতে লোড হয় আমাদের ত্রাণ। এরপর দুর্গত জেলা শহরগুলোতে ছোট ছোট পিকাপে ভাগ হয় সেইসব প্যাকেজ। তারপর ছোট ছোট নৌকা যোগে কাঙ্ক্ষিত উপহার পৌঁছে যায় দুর্গত অঞ্চলের গহীনে।
এটাই আমাদের উপহার পৌঁছনোর জীবনচক্র।
আজ আমাদের ত্রাণ কার্যক্রম দেখতে এসেছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ব্যাপক ত্রাণ কার্যক্রম দেখে তিনি একে আল্লাহর রহমত ও সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আস্থার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন।
লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর বন্যার অবস্থা ভয়াবহ। অন্যান্য দুর্গত অঞ্চলের পাশাপাশি সদ্য প্লাবিত লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীতে আমরা ব্যাপক আকারে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছি। লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের ছোট ভল্লবপুরের একটি দৃশ্য।
ছবির মানুষটি কাওসার আলম সাগর। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।বৈষম্য-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন, সাগর তাদের একজন।
উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার তাকে বিদেশে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় আমরা তাকে প্রাথমিকভাবে আড়াই লক্ষ টাকা প্রদান করেছি
মানুষের পাশাপাশি আমরা ভেবেছি গৃহপালিত পশুর কথাও। গোখাদ্য হিসেবে দুর্গত এলাকার জন্য রওনা হচ্ছে ৬৭.৩৭ টন ভূসি। এগুলো বন্যদুর্গত ৪টি জেলা ফেনী, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও কুমিল্লার বিভিন্ন স্পটে বিতরণ করা হবে।
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান আজ আমাদের ত্রাণ কার্যক্রম দেখতে এসেছিলেন। আমাদের বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখে তিনি অভিভূত হয়েছেন এবং দুর্গতদের জন্য গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূতের এই মানবিক তৎপরতা মুসলিম ভ্রাতৃত্বের উজ্জ্বল নমুনা হয়ে থাকবে।
ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে বন্যার অবস্থা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বরাবরের মতো বন্যাকবলিত মানুষের পাশে আছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। ফেনীতে আগামীকাল থেকে আমাদের ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরেও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে ইনশাআল্লাহ।
দেশের সার্বিক অবস্থার প্রেক্ষিতে কুরাআন প্রতিযোগিতার ২য় ধাপের পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়নি। আমরা ২য় ও ৩য় ধাপের পরীক্ষা একত্রে নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।
অর্থাৎ ৭ থেকে ১৮ পারার পরীক্ষা একত্রে গ্রহণ করা হবে।সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখ শুক্রবার, বাদ ফজর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ