Sabitlenmiş Tweet
Truth Analyst
14.5K posts

Truth Analyst
@analyst4world
Geopolitics | Power Structures | Political Economy | Truth Analyst 🌍
World Wide Web (WWW) Katılım Mart 2010
4.3K Takip Edilen6.5K Takipçiler

[যেভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচিত হয়েছে]
লেখকঃ সালমান
১৯৪৮ সালের লন্ডন অলিম্পিকে পাকিস্তান সাঁতার দলের ৪ জনের মধ্যে ৩ জনই ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি। তারা হলেন— আনোয়ার চৌধুরী, জাফর আলী শাহ, এবং সুলতান আহমেদ। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত, পাকিস্তান জাতীয় সাঁতার দলের প্রায় ৭০% সাতারু ছিল বাঙালি।
১৯৬২ সালে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে পাকিস্তান ক্রীড়া দলের প্রধান ছিল ফরিদপুর নিবাসী মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলা।
১৯৬৬ সালে অবিভক্ত পাকিস্তান ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান জহিরুল হক।
১৯৭০ সালে অবিভক্ত পাকিস্তান ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন ভোলার সন্তান বর্তমান সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদ।
▪️
পাকিস্তান দলে কোন বাঙালি চান্স পেত না এটা মিথ্যা ভাষন। ১৯৬৭ সালে নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রিজ স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক হয় বাঙালি নিয়াজ আহমেদের। এই ম্যাচে পাকিস্তান অনেকটা ইনিংসের ব্যবধানে পরাজিত হয় [দ্বিতীয় ইংল্যান্ডের টার্গেট ছিল তিন রান]। অভিষেক টেস্টে নিয়াজ আহমেদ ১৩০ ওভারের মধ্যে ৩৭ ওভার বল করে দুই উইকেট নেন [দ্বিতীয় সর্বোচ্চ]।
১৯৭০ সালে টেস্ট সিরিজ খেলতে পাকিস্তান সফর করে নিউজিল্যান্ড। সে দলে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রকিবুল হাসান।
ভারত থেকে পূর্ব পাকিস্তানে হিজরত করে চলে আসা আরো দুই জন খেলোয়াড় পাকিস্তান জাতীয় দলে খেলেছেন, তারা হলেন মোহাম্মদ মুনাফ, এবং নাসিম উল গণি। তবে তারা অবাঙালি ছিলেন এবং ঢাকা লীগে খেলতেন।
🟩
পূর্ব পাকিস্তানের জনপ্রিয় খেলা ছিল ফুটবল। ১৯৯০ এর দশকেও ফুটবলের উন্মাদনা ক্রিকেটের সহস্র গুণ বেশি ছিল। চল্লিশার্ধ যেকোন ব্যক্তির কাছেই মোহামেডান–আবহনীর ক্রেজের কথা শুনতে পাবেন। পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলে পূর্ব পাকিস্তানের একাধিক খেলোয়াড় ছিল; কবির আহমেদ, নওশাদ করিম, গোলাম সারওয়ার টিপু, সামসুল আলম, আব্দুস সাত্তার, কাজী সালাহউদ্দিন আহমেদ, এনায়েতুর রহমান, মেজর হাফিজ প্রমুখ।
পূর্ব পাকিস্তানে ক্রিকেট খুব একটা জনপ্রিয় ছিল না এবং ভালও খেলতো না। ১৯৭১ সালের পরেও গত ৫৫ বছরে বিশ্বমানের ক্রিকেটারের সংখ্যা নগন্য। ১৯৭৫ সাল থেকে বাংলাদেশ বারবার চেষ্টা করেছে বিশ্বকাপে অংশ নিতে। কেনিয়া, নেদারল্যান্ডসের মত দলের কাছে হেরে বাদ পরে।
২৭ বছর পরে ১৯৯৭ সালে "বিহারি" আকরাম খানের অবিস্মরণীয় ৬৭ রানের উপর ভর করে বাংলাদেশ নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপে সুযোগ পায়।
বিহারি আকরাম খান দলে না থাকলে ১১ জন বাঙালির ক্রিকেট দলকে নিশ্চিত ভাবে আরো ৫ বছর অপেক্ষা করতে হত বিশ্বকাপ খেলতে।
পাকিস্তানে ক্রিকেট ব্রিটিশ আমল থেকেই বেশ জনপ্রিয় ছিল। অনেক আগে থেকেই পাকিস্তান ক্রিকেট দল বেশ শক্তিশালী।
🟩
আপেল দিয়ে বল
ঘটনাটা ১৯৮৮ সালের। এশিয়া কাপ শেষে ঢাকায় একটি প্রদর্শনী ম্যাচ হয়। ব্যাট করছিলেন ভারতের আজহার উদ্দিন এবং বোলিংয়ে ছিলেন পাকিস্তানের আব্দুল কাদির। ফিল্ডিংয়ের সময় কাদির গ্যালারির দর্শকদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এক দর্শক কাদিরকে একটা আপেল দেয়। পরের ওভারে বোলিং করতে গিয়ে আচমকাই সেই আপেলটা দিয়ে বল করেন কাদির। আজহারউদ্দিন বোঝেননি ওটা আপেল ছিল। স্কয়ার কাট করলে আপেলটি ফেটে যায়। পুরো স্টেডিয়াম হাসিতে ফেঁটে পরে। ফ্রেন্ডলি ম্যাচের ইতিহাসের এটা একটা অসাধারণ এক হাসির ঘটনা। আর এটা বাংলাদেশের সাথেও কোন ম্যাচ না, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। এই ঘটনাকে আনিসুল হক অত্যন্ত চতুরতার সাথে বিকৃত করে উপস্থাপন করছে যেন কি না কি। তিনি খুব চালাক ব্যক্তি তো, তাই আর কি।
#মিথ্যার_প্রাসাদ

বাংলা

গঙ্গা নদীতে আমিষ খাবারের বর্জ্য বা অবশিষ্টাংশ ফেলা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করেছে ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বারাণসীতে গঙ্গা নদীর ওপর একটি নৌকায় ইফতার পার্টির আয়োজন করে নদীতে মাংসের অবশিষ্টাংশ ফেলার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ ব্যক্তিকে জামিন দেওয়ার সময় আদালত এ মন্তব্য করেন।

বাংলা
Truth Analyst retweetledi
Truth Analyst retweetledi

X is ending its Community features, so we’re gathering to build our own firewall!
A joint X Space at 10:00 PM BST tonight.
We must discuss how to stay connected and strengthen our bond before Eid.
Let's fight and win together!
twitter.com/i/spaces/1qKVm…
English

জমিদারতন্ত্রের উচ্ছেদ দিবস
লেখকঃ সালমান
___________________________________________________
বাংলার মুসলমানদের জন্য অন্যতম বড় আঘাত ছিল চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে ছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার সমগ্র ভূমির মালিকানা স্থায়ীভাবে জমিদারদের হাতে অর্পণ করে বিনিময়ে তাদের ব্রিটিশদের নির্দিষ্ট পরিমাণে কর দিতে হবে। জমিদারেরা নিজেদের ইচ্ছামত কর আরোপ করতে পারবে।
মুঘল আমলে ভূমির মালিক ছিল জনগনই, কৃষকদের ওপর করের হার নির্ধারণ করা হতো ফসলের উৎপাদনের ভিত্তিতে। এটি ছিল সমন্বিত ও নমনীয় কর ব্যবস্থা, যেখানে খারাপ ফসল হলে বা দুর্ভিক্ষের সময় কর মওকুফ বা হ্রাস করা হতো। এই ব্যবস্থা ছিল কৃষকবান্ধব ও উৎপাদন নির্ভর। মুসলিম জমিদাররা রাজস্ব আদায় করত তবে তারা কৃষকদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল এবং কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করত না। রাজস্বের বেশিরভাগ অংশ শিক্ষা, প্রশাসন, সৈন্যবাহিনী, ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হতো।
মুঘল শাসনামলে বাংলার বেশিরভাগ বড় জমিদার ছিলেন মুসলমান। ব্রিটিশদের নির্ধারণ করা উচ্চ কর দিতে হলে প্রজাদের উপর অত্যাচার করা অবশ্যম্ভবী। কৃষকের উপর অত্যাচার করে উচ্চ কর সংগ্রহ করতে অধিকাংশ মুসলমান জমিদার অক্ষম হোন এবং তারা দ্রুত জমির মালিকানা হারাতে থাকেন। হিন্দু ব্যবসায়ী ও মহাজনেরা জমিদারি কিনে নিতে থাকে। ফলে বাংলার ঐতিহ্যবাহী মুসলিম জমিদার শ্রেণী বিলুপ্ত হয়ে যায়, আর তার জায়গা দখল করে নতুন এক হিন্দু জমিদার শ্রেণী।
এই আইনের ফলে বাংলার মুসলমানরা শুধু অর্থনৈতিকভাবেই নয়, রাজনৈতিকভাবেও দুর্বল হয়ে পড়ে। জমিদারি হারানোর ফলে মুসলমান অভিজাত শ্রেণীর শক্তি কমে যায়, কৃষকদের দারিদ্র্য বাড়ে, ব্যবসা ও প্রশাসনে তাদের অংশগ্রহণ কমতে থাকে।
ডাব্লিউ ডাব্লিউ হান্টার দ্য ইন্ডিয়ান মুসলমানস বইতে উল্লেখ করেন পলাশীর আগে বাংলায় কোন দরিদ্র মুসলমান পরিবার ছিল না এবং তার ১০০ বছর পরে কোন অবস্থা সম্পন্ন পরিবার ছিল না।
প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক এই প্রসঙ্গে বলেছিলেন,
❝ ঢাকার ১৮১৪ সালে চৌকিদারি ট্যাক্সের পরিমাণ ছিল ৩০,০০০ টাকা। ১৮৩৬ সালে এটা হল ৮০০০। রাজনৈতিক পরিবর্তনে পুরানো অবস্থাপন্ন মুসলমান পরিবারগুলো ধবংস প্রাপ্ত হয়ে যায়।
◼️
সম্ভবত আমেরিকার স্লেভ মাস্টারদের পরেই বাংলার জমিদাররা ছিলো ইতিহাসের নৃশংসতম শাসক গোষ্ঠী।
যেসব কর গরীব প্রজাদের কাছ থেকে আদায় করতো তা ছিলো অবিশ্বাস্য। সাধারণ মানুষ ছিল জমিদারদের দাস। স্বপন বসু তার 'গণ অসন্তোষ ও উনিশ শতকের বাঙালী সমাজ' বইতে এবং মেসবাহুল হক, 'পলাশী যুদ্ধোত্তর মুসলিম সমাজ ও নীল বিদ্রোহ' বইতে জমিদারদের আদায় করা কিছু করের নমুনা উল্লেখ করেছেন। যেমন—
১. ধুলট:
গরুর গাড়িতে মাল পরিবহন করলে ধুলো উড়ত—এই অজুহাতে গাড়ির মালিকের কাছ থেকে আদায়কৃত কর।
২. কয়ালী:
নৌকায় মাল ওঠানো বা নামানোর সময় আদায়কৃত কর।
৩. খোটাগাড়ৌ কর:
ঘাটে নৌকা ভেড়ানোর জন্য প্রদেয় কর।
৪. চৌথ:
প্রজা নিজ জমিতে গাছ লাগালেও তার উপর ধার্য কর।
৫. ইক্ষুগাছ কর:
গরিব কৃষক আখের গুড় তৈরি করলে আদায়কৃত কর।
৬. ভাগাড়ে কর:
গরু বা মহিষ মারা গেলে মৃত পশু ভাগাড়ে ফেলতে যে কর দিতে হতো।
৭. সেলামি:
চাষি নতুন ঘর নির্মাণ করলে বা জমি লিজ নিলে জমিদারকে প্রদেয় অর্থ।
৮. খারিজ দাখিল:
জমিদারের খাতায় নাম অন্তর্ভুক্ত বা রেকর্ড সংশোধনের জন্য আদায়কৃত অর্থ।
৯. টহুরী:
বছরের শেষে হিসাব-নিকাশের নামে আদায়কৃত অর্থ।
১০. রসদ খরচ:
জমিদার, ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকারি কর্মচারীদের আপ্যায়নের খরচ প্রজাদের কাছ থেকে আদায়।
১১. গ্রাম খরচ:
গ্রামের উন্নয়ন বা সাধারণ ব্যয়ের নামে আদায়কৃত অর্থ।
১২. ডাক খরচ:
ডাক বা সরকারি যোগাযোগ ব্যবস্থার খরচের নামে আদায়।
১৩. পুলিশ খরচ:
পুলিশ বা নিরাপত্তা রক্ষার ব্যয়ভার প্রজাদের উপর চাপানো হতো।
১৪. আয়কর:
জমিদারের প্রদেয় আয়কর প্রজাদের কাছ থেকে আদায়।
১৫. ভোজ খরচ:
জমিদারবাড়ির ভোজ বা আপ্যায়নের ব্যয় প্রজাদের বহন করতে হতো।
১৬. ভিক্ষা:
জমিদারের ব্যক্তিগত ঋণ শোধের জন্য এই নামে অর্থ আদায়।
১৭. গারদ সেলামি:
জমিদার কোনো কারণে কারাবন্দি হলে তাঁকে ছাড়িয়ে আনার ব্যয় প্রজাদের কাছ থেকে আদায়।
১৮. বিয়ের সেলামী:
জমিদার পরিবারের বিয়ে উপলক্ষে আদায়কৃত অর্থ।
১৯. পার্বণী:
পূজা উপলক্ষে আদায়কৃত অর্থ।
২০. তীর্থ খরচ:
জমিদার বা তাঁর পরিবারের সদস্যদের তীর্থযাত্রার খরচের জন্য আদায়কৃত অর্থ।
২১. নজরানা:
জমিদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, আনুগত্য প্রকাশ বা খাজনা আদায়ের সময় প্রদেয় অর্থ বা উপঢৌকন।
২২. দাড়ি কর:
মুসলমানেরা কেউ দাড়ি রাখলে কর দিতে হত।
২৩. গোঁফ কর:
কোন মুসলমান গোঁফ খাঁটো করলেও কর দিতে হত।
২৪. মসজিদ নির্মাণ কর:
যেকনো প্রকারের মসজিদ নির্মাণের আগে মসজিদের আকারের বিচারে নূন্যতম পাঁচ শত থেকে এক হাজার টাকা হার কর দিতে হত।
২৫. মুসলিম নামকর:
মুসলমান নাম রাখলে নামের জন্য কর দিতে হত।
২৬. কালী পূজার চাঁদা:
মুসলমান প্রজাদেরও বাধ্যতামূলকভাবে কালীপূজার চাঁদা দিতে হতো।
এছাড়া জমিদারের বাড়ির সামনে দিয়ে ছাতি মাথায় দিয়ে কিংবা জুতা/স্যান্ডেল পরে হাঁটার অনুমতি ছিল না।
১৯৫০ সাল পর্যন্ত জমিদারদের এই অনাচার জারি ছিলো। ১৯৪৭ সালে কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে মুসলিম লীগ সরকার গঠন করে। কায়েদে আজমের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা ছিল জমিদারতন্ত্রের অবসান।
১৯৫০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ববঙ্গ পরিষদে জমিদারি উচ্ছেদ ও প্রজাস্বত্ব বিল পাশ হয়। পরদিন এ খবর ছাপিয়ে দৈনিক আজাদ শিরোনামে লেখে—
❝ পূর্ববঙ্গের সাড়ে ৪ কোটী অধিবাসীর বুকের উপর হইতে জমিদারী প্রথার জগদ্দল পাথর অপসারিত;
দেশের শোষিত ও নিগৃহীত জনসাধারণের অর্থ-নৈতিক মুক্তির সূচনা; বৃহস্পতিবার পূর্ববঙ্গ পরিষদে জমিদারি উচ্ছেদ ও প্রজাস্বত্ব বিল গৃহীত;
মুসলিম লীগ ও কায়েদে আজমের বহু আকাঙ্ক্ষিত স্বপ্নসাধ বাস্তবে রূপায়িত। ❞
এই গৃহীত বিলটিই ১৯৫১ সালের ১৬ মে গভর্নর খাজা নাজিমুদ্দিন এক সরকারি আদেশে অ্যাক্টে পরিণত করেন।
২০০ বছর পরে বাংলার মুসলমানেরা আবার জমির মালিক হয়। ২০০ বছর পরে বাংলার মুসলমানেরা কোলকাতার হিন্দু জমিদারের প্রজা থেকে নাগরিক হোন।
এই দিন আমাদের স্মৃতিতে স্মরণ রাখা জরুরী।

বাংলা

জিন্নাহ না থাকলে হয়তো আজ নিউজ হতো— কলিকাতা হাইকোর্ট রায় দিয়েছে ষাট গম্বুজ মসজিদের নিচে কালী মন্দির আছে। কিংবা চট্টগ্রাম হাইকোর্টের রায়— আন্দারকিল্লা শাহী জামে মসজিদ মূলত দুর্গা মন্দির।
#ThankYouJinnah

বাংলা

রবীন্দ্রের উগ্র মুসলমান বিদ্বেষী সাহিত্য স ম গ্র
লেখকঃ সালমান।
_____________________________________________
১।
খুন করাটা যেখানে ধর্ম, সেখানে না করাটাই পাপ। যে মুসলমান আমাদের ধর্ম নষ্ট করেছে তাদের যারা মিত্র তাদের বিনাশ না করাই অধর্ম।
— প্রায়শ্চিত্ত, নাটক
২।
‘আল্লা হো আকবর’ শব্দে রণভূমি প্রতিধ্বনিত হইয়া উঠিয়াছে। একদিকে তিনলক্ষ যবনসেনা, অন্যদিকে তিন সহস্র আর্যসৈন্য। হর হর বোম্ বোম্! পাঠক বলিতে পার, কে ঐ দৃপ্ত যুবা পঁয়ত্রিশ জন মাত্র অনুচর লইয়া মুক্ত অসি হস্তে অশ্বারোহণে ভারতের অধিষ্ঠাত্রী দেবীর কর নিক্ষিপ্ত দীপ্ত বজ্রের ন্যায় শত্রু সৈন্যের উপরে আসিয়া পতিত হইল? বলিতে পার, কাহার প্রতাপে এই অগণিত যবন সৈন্য প্রচণ্ড বাত্যাহত অরণ্যানীর ন্যায় বিক্ষুব্ধ হইয়া উঠিল?— কাহার বজ্রমন্দ্রিত ‘হর হর বোম্ বোম্’ শব্দে তিন লক্ষ ম্লেচ্ছকণ্ঠের ‘আল্লা হো আকবর’ ধ্বনি নিমগ্ন হইয়া গেল? ইনিই সেই ললিত সিংহ। কাঞ্চীর সেনাপতি। ভারত-ইতিহাসের ধ্রুব নক্ষত্র।
— রীতিমত নভেল, গল্প
৩।
ভালো মানুষি ধর্ম নয়; তাতে দুষ্ট মানুষকে বাড়িয়ে তোলে। তোমাদের মহম্মদ সে কথা বুঝতেন, তাই তিনি ভালোমানুষ সেজে ধর্ম প্রচার করেন নি।
— গোরা, উপন্যাস
৪।
নীরব হইল জয়-কোলাহল,
নীরব সমর বাদ্য।
প্রভু কেন আজি—কহে রঘুনাথ,—
অসময়ে পথ রুধিলে হঠাৎ,
চলেছি করিতে যবন-নিপাত
যোগাতে যমের খাদ্য।
— কথা, কবিতা
৫।
❝ মুসলমান বিদ্বেষ বলিয়া আমরা আমাদের জাতীয় সাহিত্য বিসর্জন দিতে পারি না। মুসলমানদের উচিত নিজেদের জাতীয় সাহিত্য নিজেরাই সৃষ্টি করা।
নওয়াব আলী চৌধুরী বঙ্কিমের উগ্র মুসলিম বিদ্বেষী সাহিত্য প্রচার বন্ধের প্রতি রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টি আকর্ষন করলে, এর উত্তরে।
— সলিমুল্লাহ খান, ‘সাম্প্রদায়িকতা’, বণিক বার্তা ২০ অক্টোবর, ২০১২
৬।
❝ কিছুদিন হইল একদল ইতর শ্রেণীর অবিবেচক মুসলমান কলিকাতার রাজপথে লোষ্ট্র খন্ড হস্তে উপদ্রবের চেষ্টা করিয়াছিল। তাহার মধ্যে বিস্ময়ের ব্যাপার এই যে- উপদ্রবের লক্ষ্যটা বিশেষরূপে ইংরেজদেরই প্রতি। তাহাদের শাস্তিও যথেষ্ট হইয়াছিল। প্রবাদ আছে- ইটটি মারিলেই পাটকেলটি খাইতে হয়; কিন্তু মূঢ়গণ (মুসলমান) ইটটি মারিয়া পাটকেলের অপেক্ষা অনেক শক্ত শক্ত জিনিস খাইয়াছিল। অপরাধ করিল, দণ্ড পাইল। এই নিম্নশ্রেণীর মুসলমানগণ সংবাদপত্র পড়েও না, সংবাদপত্রে লেখেও না। একটা ছোট বড়ো কাণ্ড – হইয়া গেল অথচ এই মূঢ় (মুসলমান) নির্বাক প্রজা সম্প্রদায়ের মনের কথা কিছুই বোঝা গেল না।
— কণ্ঠরোধ, ভারতী, বৈশাখ-১৩০৫
৭।
জ্বল জ্বল চিতা ! দ্বিগুন দ্বিগুন
পরান সপিবে বিধবা বালা
জ্বলুক জ্বলুক চিতার আগুন
জুড়াবে এখনই প্রাণের জ্বালা
শোনরে যবন, শোনরে তোরা
যে জ্বালা হৃদয়ে জ্বালালি সবে
স্বাক্ষী রলেন দেবতার তার
এর প্রতিফল ভুগিতে হবে।
— সতীদাহ, কবিতা
৮।
❝ কোরআন পড়তে শুরু করেছিলুম কিন্তু বেশিদূর এগুতে পারিনি আর তোমাদের রসুলের জীবন চরিতও ভালো লাগেনি।
— সৈয়দ মুজিবুল্লা, বিতণ্ডা, পৃ-২২৯
৯।
❝ যে মুসলমানকে আজ ওরা প্রশ্রয় দিচ্ছে সেই মুসলমানেরাই একদিন মুষল ধরবে।
— অমিয় চক্রবর্তীতে লেখা চিঠি, ১৫/১১/১৯৩৪, চিথিপত্র: ১১
১০।
❝ যদি মুসলমান সমাজ মারে আর আমরা পড়ে পড়ে মার খাই, তবে জানব, এ সম্ভব হয়েছে শুধু আমাদের দুর্বলতা।
— রবীন্দ্র রচনাবলী, জ.শ.স., ১৩ খণ্ড, পৃ: ৩১৭, কালান্তর।
১১।
❝ চল্লিশ লাখ হিন্দু একলাখ মুসলমানদের ভয়ে মারাত্নকভাবে অভিভূত।
— আনন্দবাজার পত্রিকার সাথে সাক্ষাৎকার ৫/৯/১৯২৩
১২।
❝ একদা ঐ তর্করত্নের প্রপৌত্রীমন্ডলীকে মুসলমানেরা যখন জোর করে কলেমা পড়াবে তখন পরিতাপ করার সময় থাকবে না।
— হেমন্তবালা দেবীকে লেখা চিঠি। ১৬/১০/১৯৩৩ চিঠিপত্র:৯
১৩।
❝ কোন বিশেষ প্রয়োজন না থাকলেও হিন্দু নিজেই মারে, আর প্রয়োজন থাকলেও হিন্দু অন্যকে মারতে পারে না। আর মুসলমানেরা বিশেষ প্রয়োজন না ঘটলেও নিজেকে দৃঢ়ভাবে রক্ষা করে, আর প্রয়োজন হলে অন্যকে বেদম মার দিতে পারে। ❞
— রবীন্দ্র রচনাবলী, জ.শ.স., ১৩ খণ্ড, পৃ: ৩১৭, কালান্তর
১৪।
বৌ ঠাকুরানীর হাট’ উপন্যাসে প্রতাব চরিত্রের মুখ দিয়ে ম্লেচ্ছদের (অপবিত্র মুসলমানদের) দূর করে আর্য ধর্মকে রাহুর গ্রাস থেকে মুক্ত করার সংকল্প করে।
১৫।
সমস্যাপূরণ’ গল্পে মুসলমান চরিত্রকে জারজ ও খুনি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
১৬।
দুরাশা’ গল্পে দেখানো হয়েছে, মুসলিম পরিবারের মধ্যে কোন ধর্ম চর্চা নেই। একজন মুসলিম নারীর এক ব্রাহ্মণের প্রতি দুর্নিবার আকর্ষণ এবং ব্রাহ্মণ হবার প্রাণান্তকর চেষ্টা ।
১৭।
রবী ঠাকুরের জমিদারির কাছারি বাড়িতে হিন্দু প্রজাদের বসবার জন্য পাটি পেতে দেওয়া হতো আর মুসলিম প্রজাদের জন্য ছিল পাটি ছাড়া মাটিতে অবসার ব্যবস্থা।
— যতীন সরকার, পাকিস্তানের জন্মমৃত্যু দর্শন, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, ৯৯
১৮।
হর হর হর
শুধু তব নাম আজি পিতৃলোক হতে এল নামি,
করিল আহ্বান--
মুহূর্তে হৃদয়াসনে তোমারেই বরিল, হে স্বামী,
বাঙালির প্রাণ।
এক ধর্মরাজ্য হবে এ ভারতে’ এ মহাবচন
করিব সম্বল।।
মারাঠির সাথে আজি, হে বাঙালি, এক কণ্ঠে বলো
‘জয়তু শিবাজী’।
— শিবাজি উৎসব, কবিতা
১৯।
পৃথ্বীরাজ পরাজয় গ্রন্থে মুসলিম শাসকদের, বিশেষত মোহাম্মদ ঘোরীর প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে খুবই নোংরা ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
২০।
‘রুদ্রচণ্ড’-এ মুসলিম আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে হিন্দু প্রতিরোধের গল্প রয়েছে।
২১।
সরোজিনী বা চিতোর আক্রমণ’: রবীন্দ্রনাথের ভাই জ্যোতিরিন্দ্রনাথের নাটক ‘সরোজিনী বা চিতোর আক্রমণ’-এর সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। এই নাটকে মুসলিম শাসকদের, মুসলিম বীরদেরকে ‘অস্পৃশ্য যবন’ বলা গালাগালি করা হয়েছে।
◼️
সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে অনেক সময়েই কোনো জাতি বা গোষ্ঠীকে ঘৃণার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার প্রাথমিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সমাজবিজ্ঞানের পরিভাষায় এই প্রক্রিয়াই ‘Othering’ বা ‘অপরীকরণ’—যেখানে একটি গোষ্ঠীকে ধীরে ধীরে ‘অপর’, ‘অবমানব’ বা ‘হুমকি’ হিসেবে নির্মাণ করা হয়। বাঙলা সাহিত্যে এই প্রবণতার স্পষ্ট।
বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথেরা মুসলমান চরিত্রগুলোকে নেতিবাচক, ডাকাত, জারজ, দখলকারী, ভিনদেশী, পশ্চাৎপদ বা ‘উন-মানুষ’ রূপে উপস্থাপন করেছে।
উপন্যাসের আড়ালে যে বয়ান নির্মিত হয়েছিল—যেখানে মুসলমান এবং মুসলমান শাসনকে ‘অন্ধকার যুগ’ এবং জাত-পাত, সতীদাহ করা পালন করা অতীত সময়কে ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে চিত্রিত করা হয়—এটা নিছক সাহিত্যিক কল্পনা ছিল না; বরং একটি সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ। এই বয়ানের ভাষা, রূপক, চরিত্রায়ণ—সবই সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে উসকে দিয়েছে এবং আরএসএসের উগ্র জাতীয়তাবাদের মতাদর্শিক ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
আজকের পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির উত্থানকে এই সাহিত্যিক ঐতিহ্য থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেখা যায় না। বঙ্কিম, রবীন্দ্রনাথের লেখায় যে জাতীয়তাবাদের বীজ রোপিত হয়েছিল, সেটাই রাজনৈতিক হিন্দুবাদের জন্য উর্বর মাটি তৈরি করেছে। আধুনিক উগ্রবাদী রাজনীতির শিকড় নিহিত রয়েছে সেই সাহিত্যচর্চার মধ্যেই, যা ‘অপরীকরণ’-এর সাংস্কৃতিক কাঠামোকে স্বাভাবিক করে তুলেছিল।
সেদিক দিয়ে এটা বলা যায়, আজকে পশ্চিম বাংলা বা ভারতে উগ্রবাদী বিজেপির জয়-জয়কার বঙ্কিম, রবীন্দ্রের সাহিত্যচর্চার বাই-প্রোডাক্ট।

বাংলা

The largest political party in China, the Chinese Communist Party (CCP), officially follows Marxist atheism, and one of the basic requirements for joining is that the applicant must be atheist.
Not knowing this, four foreign students from Zhejiang University applied to join the CCP’s foreign wing: a Muslim girl, a Hindu girl, a Christian girl, and a Jewish boy.
When the receptionist explained that CCP members must be atheist, the three girls refused to give up their religions.
But the Jewish boy immediately said:
“For the good of China, I have no problem becoming an atheist. From today, I renounce Judaism”
The receptionist stayed silent for a moment and then said:
“This was a test to filter out disloyal people. Congratulations - all three of you girls passed the test. Welcome to the CCP”
After praising the girls, the receptionist looked at the Jewish boy. He stood there with his head lowered.
The receptionist said:
“Men should apologize every day for being men”
But the Jewish boy still kept his head down - not out of shame or insecurity, but because there was a 5- yuan coin lying on the floor.

English

তিতুমীরকে লেখা সৈয়দ আহমদ বেরলভীর চিঠি
________________________________
বালাকোটে সিপাহসালার সৈয়দ আহমদ শহীদ বেরেলভী ছিলেন আমাদের তিতুমীরের পীর। ১৮২১-২২ সালে হজ্জ করতে গিয়ে মক্কায় তিতুমীর প্রথম সৈয়দ আহমদের সাক্ষাৎ লাভ করেন এবং তাঁর তরিকা-ই-মুহাম্মদিয়া আন্দোলন ও যুদ্ধের ডাক শুনে এতটাই মুগ্ধ হন যে, তিনি আর দেশে ফিরে আসেননি। পুরো চার বছর (১৮২২-১৮২৬) তিনি সৈয়দ আহমদের সঙ্গে মক্কা-মদিনায় থেকেছেন, তাঁর কাছে ইলমে দ্বীন, তাসাউফ, ও সংগ্রামের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন, এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বায়আত গ্রহণ করেছেন। এই সময়টাতে তিনি সৈয়দ আহমদের সবচেয়ে নিকটবর্তী ও প্রিয় সঙ্গীদের একজন হয়ে ওঠেন।
সৈয়দ আহমদ তাঁর জীবদ্দশায় মোট চৌদ্দ জনকে খিলাফত দিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে বাংলা অঞ্চলের একমাত্র খলিফা ছিলেন তিতুমীর। তরিকা-ই-মুহাম্মদিয়ার অভ্যন্তরীণ দলিলে তাঁকে “সাইয়েদীনা মীর নিসার আলী তিতুমীর আল-বাঙ্গালী” বলে সম্বোধন করা হয়েছে – এই সম্মানসূচক “সাইয়েদীনা” শুধুমাত্র তিতুমীর এবং শাহ ইসমাইল শহীদের জন্যই ব্যবহৃত হতো।
১৮৩১ সালের ৬ মে বালাকোটে সৈয়দ আহমদ শহীদ হওয়ার খবর বাংলায় পৌঁছানোর পর তিতুমীর কয়েকদিন রোজা রেখে কাঁদেন এবং তারপর ঘোষণা করেন: “আমার উস্তাদ শহীদ হয়েছেন। এখন বাংলায় আমিই আমীরুল মুমিনীন। যুদ্ধ ফরজ হয়ে গেছে।” এরপরই তিনি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন এবং প্রকাশ্যে ব্রিটিশ ও জমিদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন।
তিতুমীর কেবল একজন খলিফাই ছিলেন না; তিনি ছিলেন সৈয়দ আহমদ শহীদের সবচেয়ে প্রিয় ও বিশ্বস্ত সঙ্গী, বাংলা অঞ্চলের জন্য নির্বাচিত “আমীরুল মুমিনীন” এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের বালাকোট যুদ্ধের পর বাংলায় সেই বিদ্রোহের আগুনকে জ্বালিয়ে রাখা একমাত্র ব্যক্তি। তাঁর ১৮৩১ সালের নারিকেলবাড়িয়ার বিদ্রোহ আসলে সৈয়দ আহমদের অসমাপ্ত স্বপ্নেরই বাংলা অধ্যায় ছিল।
১৮২৭ থেকে ১৮৩১ সাল পর্যন্ত সৈয়দ আহমদ তিতুমীরকে বেশ কয়েকটি গোপন চিঠি লিখেছিলেন। মোট চিঠির সংখ্যা কত এ ব্যাপারে ঐতিহাসিক গন একমত হতে পারেন নাই। ভারতের বিভিন্ন জাদুঘরে সৈয়দ আহমদ শহীদের নিজের হাতে লেখা বা তাঁর সীলমোহরযুক্ত মোট চারটি চিঠি এখনও সংরক্ষিত আছে। এগুলোর ফার্সি ভাষায় লিখিত। এরমধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত তৃতীয় চিঠি। “সীরাতে সৈয়দ আহমদ শহীদ” গ্রন্থে এর পূর্ণ উদ্ধৃতি আছে। এটা হুবহু তুলে দিলাম-
“আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু।
সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি সকল সৃষ্টির প্রতিপালক। দরুদ ও সালাম আমাদের নেতা ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর উপর।
আমার ভাই, আল্লাহর খলিফা ও বাংলার আমীর, মীর নিসার আলী তিতুমীর (দামাত বারাকাতুহু)—
তোমার চিঠি পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, তুমি যে কাজ শুরু করেছ, তা আমার দিলকে শান্তি দিয়েছে। বাংলার মুসলমানদের অবস্থা আমি আগে থেকেই জানতাম। শিরক-বিদআত ও হিন্দুয়ানী রসমের কারণে তাদের ঈমান এত দুর্বল হয়ে গেছে যে, এখনই তাদের হাতে তলোয়ার ধরিয়ে জিহাদে নামানো বিপজ্জনক।
তুমি যা করছ— মসজিদ বানানো, দাড়ি রাখা, শিরকী মেলা বন্ধ করা, হিন্দু জমিদারদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলা— এই কাজগুলোই এখন সবচেয়ে বড় জিহাদ। এটাকে ‘জিহাদে আকবর’ বলা হয়।
এখনও বাংলায় কাফেরদের বিরুদ্ধে সরাসরি সশস্ত্র জিহাদের সময় আসেনি।
যখন সময় হবে, আমি নিজে বা আমার কোনো খলিফা তোমাকে সংকেত পাঠাব। ততদিন তুমি তিনটি কাজ করবে:
১. মুসলমানদেরকে শিরক-বিদআত থেকে পাক কর।
২. গরিব কৃষক ও নিম্নবর্গের মাঝে দাওয়াত পৌঁছাও— হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে। কারণ তারা জমিদারদের অত্যাচারে সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।
৩. গোপনে মুজাহিদ তৈরি করো। লাঠি, বর্শা, তলোয়ারের প্রশিক্ষণ দাও। কিন্তু প্রকাশ্যে যুদ্ধ ঘোষণা করো না।
যখন আমি উত্তর-পশ্চিমে (সিন্ধু-পাঞ্জাব) সিখদের রাজত্ব উৎখাত করব, তখন বাংলা থেকে তোমরা আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে। সেই দিন বেশি দূরে নয়।
তোমার প্রতি আমার বিশেষ নসিহত:
১। কখনো নিজেকে ‘নেতা’ বলে প্রচার করো না। বলো, ‘আমি সৈয়দ আহমদের খলিফা মাত্র’।
২। যারা তোমার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, তাদের প্রথমে নসিহত করো। তারপরও না মানলে তাদের ছেড়ে দাও— কারণ এখনও তাদের রক্ত ঝরানোর সময় হয়নি।
৩। জমিদারদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করো, কিন্তু তাদের ধন-সম্পদ লুট করো না। যা নেবে, তা জিহাদের তহবিলে জমা করবে।
আল্লাহ তোমাকে হেফাজত করুন। আমি প্রতি রাতে তোমার জন্য দোয়া করি।
তোমাদের সালাম গ্রহণ করলাম এবং আমার সালাম পৌঁছে দিও বাংলার সমস্ত মুজাহিদ ভাইদের কাছে।
ওয়াস সালাম
তোমাদের ছোট ভাই
সৈয়দ আহমদ
[সীলমোহর, ১২৪৬ হিজরি]
-- সালমান

বাংলা

আমার সহ অনেক বাংলাদেশিদের টুইটার ও ফেসবুক আইডি যেভাবে ইন্ডিয়া তে ব্লক করা হয় তার ব্যাখা, ফেসবুক থেকে প্রাপ্ত:
" আপনাকে একটা তথ্য দিই আমি যেহেতু কলকাতা তে থাকি।
আমার বন্ধু বেসরকারি জব করে আইটি সিটি নিউটাউন ও সল্টলেকে। কলকতায় ১০ টা কোম্পানি আছে যারা বাংলাদেশের যে কন্টেন্ট পশ্চিমবঙ্গে ঢোকে সেগুলি মনিটর করে, রিপোর্ট করে।
এইগুলো গোয়েন্দা সংস্থা আউট সোর্সিং করে।
যারজন্য দেখবেন বাংলাদেশের এক্টিভিস্টরা সোশ্যাল মিডিয়াতে হিন্দুত্ববাদ নিয়ে লেখা এক্টিভ হয়েছে। ওমনি দেখবে শয়ে শয়ে হিন্দু নামের হাইডি হাহা রিয়েক্ট দিচ্ছে। যাদের কমন ফ্রেন্ড এ এইগুলো নেই। এই গুলো সবই সল্টলেকের আউট সোর্সিং কোম্পনির বাংলাদেশ কন্টেন্ট কে কনটেইন করার অংশ হিসাবে।
এবং এদের স্পেশাল সেল যাদের কে টার্গেট করে বাইরের বিভিন্ন দেশে মেইল পাঠায় তাদের কে উলটোপালটা ট্যাগ দেয় যেমন আজাহারী কে অস্ট্রেলিয়েতে ঢুকতে না দেওয়া ইত্যাদি।
এই গুলি কলকাতা থেকে হয়। এরজন্য আলাদা সেল আছে। "
বুঝলেন তো বদমায়েশ পাজিত দের সাথে কিভাবে লড়তে হবে!!

বাংলা

@JoyBangla2_0 তোর মুখে যে মোদির ধোন, ঐটা নিয়ে এদেশে আছোস কেন?? পাজিতের বাচ্চা ইন্ডিয়া ভাগ মোদিরে সকাল বিকাল ব্লো-জব দিতে।
বাংলা

@analyst4world ওটা এতদিন দিদির আন্ডার এ ঘাপটি মেরে ছিল - এখন ৫০১ এর কাছে চলে এসেছে -
৫০১ আফগান এ গেলো - তখন তো তোদের মুখে নূনুসের ধোন ছিল ??
বাংলা

পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই ভারত থেকে যশোরের বেনাপোল দিয়ে ঢাকায় আসেন আফগানিস্তানের নাগরিক নিয়ামাতুল্লাহ মাঙ্গাল। এসে এমন এক ধর্মীয় বক্তার মাদ্রাসায় অবস্থান নেন, যিনি প্রকাশ্য মাহফিল করে টিটিপির পক্ষে জনমত তৈরি করেন।
মাঙ্গালকে আবার ওই মাদ্রাসায় নিয়ে আসেন আরেক ব্যক্তি, যার বাংলাবাজারে প্রকাশনা ব্যবসা রয়েছে। যিনি ছদ্মনামে লেখালেখিও করেন। আফগান নাগরিকের অবস্থানকালে তাঁর প্রকাশনী থেকে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে লেখা হয়, ‘আফগান মুজাহিদরা আমার ঘরে। আমি বরকতপূর্ণ।’
ওদিকে সেই আফগান সেই মাদ্রাসা পরিচালকের খাদেমকে (বিশেষ সহকারী) টিটিপির কথিত প্রধান ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফোন ঘেঁটে সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ পায়। স্ট্রিম ওই খাদেমের বাড়িতে পৌঁছে। তাঁর নিকটতম আত্মীয় জানান, খুব দ্রুত ওই খাদেম পাকিস্তানে চলে যাচ্ছেন।

বাংলা







