Bangladesh’s foreign policy appears to be passing through a period of uncertainty that merits careful reflection.
Bangladesh’s foreign policy has, over the years, demonstrated resilience and adaptability. The current moment, while challenging, also presents an opportunity for reflection and recalibration. By reinforcing institutional strength, clarifying priorities, and maintaining a balanced and pragmatic approach, Bangladesh can continue to navigate an increasingly complex global landscape.
The objective, ultimately, is not only to preserve strategic autonomy but also to ensure that foreign policy serves as an effective instrument for advancing national development and safeguarding long-term interests.
তারেক রহমান সরকারের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ: বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত নাজুক এক সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি যে অর্থনীতি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন, তা শুধু কাঠামোগত দুর্বলতায় জর্জরিত নয়, বরং পূর্ববর্তী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অপসারণ এবং পরবর্তীতে ডঃ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সময়কার মবশাসনগত অস্থিরতার প্রভাবেও গভীরভাবে প্রভাবিত। ব্যাপকভাবে মনে করা হয়, ইউনুসের মব শাসনের সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক কর্তৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়ে, জবাবদিহিতা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং অনানুষ্ঠানিক ক্ষমতাকাঠামোর উত্থান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যাহত করে।
- - - -
সামনের পথ নিঃসন্দেহে কঠিন, কিন্তু সম্ভাবনাহীন নয়। আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং লক্ষ্যভিত্তিক অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে সরকার বর্তমান পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে। বন্ধ কারখানা চালু করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষা - এসব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব, যদি সুশাসনের কাঠামোর মধ্যে তা বাস্তবায়ন করা হয়।
৫ আগস্ট ২০২৪-এর পরবর্তী অভিজ্ঞতা একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়: জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর শাসন ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই শিক্ষা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠে আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির পথে এগিয়ে যেতে পারবে।
একটি ইংরেজী দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনটির লিংক কমেন্ট বক্সে দেওয়া হলো।
হামের পাদুর্ভাব ও এতে প্রায় আড়াইশত শিশুর অকাল ও প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর তদন্তের জন্য একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন এখন সময়ের দাবী।
আমার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের পাঁচ বছরের এক ছোট ভাইয়ের ভাষায় বলতে হয় - যেহেতু বিষয়টি ইংরেজীতে এবং আমেরিকা ও বিশ্বের অন্যতম স্বনামধন্য বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, তাই এর প্রতিবেদন সত্য হবার কথা এবং একে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।
এই জার্নালের তদন্তে মতে হামের প্রাদুর্ভাব এবং এর ফলে প্রায় আড়াইশত শিশুর অকাল ও প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর জন্য ডঃ ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়ী।
এখন সময় এসেছে একটি স্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য উদ্যোগের। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার কি এই হামের আউটব্রেক এবং এতগুলো নিরীহ শিশুর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করবে? দায়ীদের চিহ্নিত করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার পদক্ষেপ কি নেওয়া হবে?
নাকি অন্যান্য সংবেদনশীল ঘটনার মতোই এই বিষয়টিও উপেক্ষিত থেকে যাবে? এই শিশুদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কি আমরা একই ধরনের অনাগ্রহ দেখব?
গনতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত যে কোন সরকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব - ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো। তাদের জন্য সহায়তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। কিন্তু এই নিষ্পাপ শিশুদের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু যদি তদন্তহীন থেকে যায়, তা জাতির জন্য গভীর বেদনার এবং উদ্বেগের বিষয় হবে।
শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি রইল গভীর সমবেদনা।
কল-কারখানা নতুন করে বন্ধ হবার খবর অর্থনীতির জন্য একটি অশনি সংকেত।
ডঃ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রায় ৫০০টি কারখানা - তৈরী পোশাক শিল্প, স্টিল, টেক্সটাইল ও ক্ষুদ্র শিল্পসহ - বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা যায়, যার ফলে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এই মাত্রার শিল্প বিঘ্ন ও জীবিকাহানির ঘটনা গভীরতর শাসন ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিফলন, যা উপেক্ষা করা যায় না।
এটা ভাল লক্ষণ নয় যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের সময়েও নতুন করে কারখানা বন্ধ হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার যখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত, তখন এটি কোনোভাবেই ইতিবাচক লক্ষণ নয়।
সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অর্থনৈতিকভাবে টেকসই উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার প্যাকেজ প্রয়োজন - যা শিল্প খাতকে সহায়তা করবে, কর্মসংস্থান রক্ষা করবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনঃস্থাপন করবে এবং জ্বালানি ও কাঁচামালের সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
এটি শুধু অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার বিষয় নয়; এটি জাতীয় টিকে থাকা ও স্থিতিশীলতার প্রশ্ন। বিলম্ব হলে সংকট আরও গভীর হবে।
Though these people, including senior BNP leaders opposed to this power plant and they are now embarrassed to inaugurate it, people are happy that the power plant commissioned during the government of Sheikh Hasina is going to serve the nation in a big way.
আলহামদুলিল্লাহ। দেশের উন্নয়নে আরেকটি নতুন পালক/মাইলস্টোন যুক্ত হলো।
রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হবার ফলে দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
উন্নয়নের বিরুদ্ধচারনকারী যে সমস্ত রাজনৈতিক দল ও তাদের অজ্ঞ ও অন্ধ নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের বিদেশী অনুচররা এই পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তারা এখন কি বলেন?
“কার্ডের সরকার” বিএনপি - “ই-হেলথ কার্ড”।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পরিবার কার্ড থেকে কৃষক কার্ড, এলপিজি কার্ড পর্যন্ত একাধিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করেছে। এর ফলে সমালোচকদের কেউ কেউ একে “কার্ডের সরকার” বলেও আখ্যায়িত করেছেন। এই মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় হতে পারে, কিন্তু এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত উদ্যোগকে আড়াল করে দেয় - দেশব্যাপী ডিজিটাল ই-হেলথ কার্ড চালুর প্রস্তাব।
যদি পরিকল্পিতভাবে এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তবে এই উদ্যোগটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সংস্কারে পরিণত হতে পারে। এটি দেশের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা - একটি ন্যায়সঙ্গত, জবাবদিহিমূলক এবং আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দিতে পারে, যেখানে আয় বা ভৌগোলিক অবস্থান নির্বিশেষে সকল নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা পাবে।
সবশেষে, ই-হেলথ কার্ড উদ্যোগ একটি বড় সুযোগ এবং একই সঙ্গে একটি বড় পরীক্ষা। এটি সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে, তবে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাস্তববাদ ও শৃঙ্খলা অপরিহার্য।
সরকারের উচিত কয়েকটি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া - প্রথমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা, মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা, বেসরকারি খাতকে সংযুক্ত করা, টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার করা।
সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ই-হেলথ কার্ড একটি রূপান্তরমূলক উদ্যোগে পরিণত হতে পারে। অন্যথায়, এটি আরেকটি সম্ভাবনাময় কিন্তু অসম্পূর্ণ উদ্যোগ হয়ে থাকবে।
পরিশেষে বলা যায়, এই নীতির সাফল্য কার্ড বিতরণের সংখ্যায় নয়, বরং কত মানুষের জীবনমান উন্নত হলো এবং কত জীবন রক্ষা পেল - তার ওপর নির্ভর করবে।
বিএনপি সরকারের উচিত “অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি” হিসেবে “এসএসএফ নিরাপত্তা” সুবিধা বৈষম্যহীন করে অতীতের সব সরকার প্রধানদের মত ডঃ ইউনুসের জন্যও তিন (৩) মাস করা।
নচেৎ, সবাই ভাববে কেন এবং কি এমন বিশেষ কারনে বিএনপি সরকার ডঃ ইউনুসকে এই ব্যতিক্রমী বর্ধিত সুবিধা দিচ্ছে!
তবে, বিএনপি সরকার এসব বিষয়ে অনেকটাই উদার।
২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার তদানীন্তন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমানকে দায়িত্ব ছাড়ার পর এক (১) বছর রাষ্ট্রীয় ভবন “যমুনা” - তে বাস করতে দিয়েছিল।
স্মরণযোগ্য, ডঃ ইউনুস বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্হা গড়তে চাইলেও অতীতের সব সরকার প্রধানদের নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে নিজের জন্য নিজে তিন (৩) মাসের জায়গায় এক (১) বছর এসএসএফ নিরাপত্তা সুবিধা নিয়েছিলেন।
Bangladesh’s foreign policy appears to be passing through a period of uncertainty that merits careful reflection.
Bangladesh’s foreign policy has, over the years, demonstrated resilience and adaptability. The current moment, while challenging, also presents an opportunity for reflection and recalibration. By reinforcing institutional strength, clarifying priorities, and maintaining a balanced and pragmatic approach, Bangladesh can continue to navigate an increasingly complex global landscape.
The objective, ultimately, is not only to preserve strategic autonomy but also to ensure that foreign policy serves as an effective instrument for advancing national development and safeguarding long-term interests.
If accurate, this appears to be the first instance in which PM Tarique Rahman has held the Interim Government under Yunus accountable for the failure to procure measles vaccines - implicitly linking it to the preventable and premature deaths of over 200 children, while notably not referencing the role of the Awami League government.
জ্বালানি পরিস্থিতি: সংকট নাকি ব্যবস্থাপনার ঘাটতি?
জ্বালানির মতো একটি জরুরি এবং জাতীয় গুরুত্বের খাতে যদি কৃষি সেচের মতো অগ্রাধিকার বিষয়টি যথাসময়ে নিশ্চিত না হয়, তবে তা শুধু একটি খাতের ব্যর্থতা নয়, বরং সামগ্রিক নীতিনির্ধারণ ও ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতার ইঙ্গিত বহন করে।
শেষ পর্যন্ত, জ্বালানিনীতির সফলতা নির্ধারিত হবে মাঠের বাস্তবতায়- ফসলের মাঠে, সেচের পানিতে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তায়।