সুদীপ্ত চক্রবর্তী
3.4K posts


@KeyaDasgupta4 @SwatiDa26757318 হীরক রাজার দেশ হয়ে গেছে আমাদের
বাংলা

@SwatiDa26757318 @csudipto466 আরো ছাড়ো পাকি ব্যাটাদের! ওরা পয়দায়িশি মজাক।
বাংলা

@SwatiDa26757318 লাইনে ছিলাম কিন্তু এত দাম!
মনের দুঃখে বাড়ি ফিরে এলুম।
বাংলা

এইটার তাৎপর্য বুঝতে হবে। মনমোহন সিং বেশ ভাল অর্থমন্ত্রী এবং খুব খারাপ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দ্বিতীয়টার সময় জনৈক প্রাক্তন কেমব্রিজের পানশালার ওয়েট্রেসের কথায় উঠতেন বসতেন। আর সেই ওয়েট্রেসের জিভ লক লক করত মুসলমান ভোটের লোভে। তাই এই ছবি, তাই শরম-আল-শায়খে গিয়ে ভারত-পাকিস্তান দুটোকেই সন্ত্রাসবাদের শিকার বলা, গ্লাসগোর মৃত সন্ত্রাসীদের দুঃখে সারারাত ঘুমোতে না পারা।
Silicon Dream@DreamSilic41095
বাংলা

কর্নেল সোফিয়া কুরেশি ও সৈন্য ঝন্টু আলীকে সারা ভারত অভিনন্দন জানায়, কারণ ভারত হিন্দুর দেশ। হিন্দু কখনো অন্য ধর্মাবলম্বীর কৃতিত্ব অস্বীকার করে নি - যেমন রাষ্ট্রপতি এ পি জে আব্দুল কালাম, কবি কাজী নজরুল, রাষ্ট্রনায়ক শেখ মুজিব, তাজউদ্দীন আহমেদ, লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী, এস ওয়াজেদ আলী, কাজী আব্দুল ওদুদ। তাই বলে মুসলমান ভোটের জন্য যারা ল্যা ল্যা করছে, আর এই কয়েকজন মুসলমানের নাম করে যে বিশাল সংখ্যার মুসলমান এক-দেড় কোটি বাঙালি হিন্দুকে খুন-ধর্ষণ-সম্পত্তিচ্যুত করেছে তাকে চাপা দেবার চেষ্টা করছে তাদের মুখোশ খুলে দেওয়া হবেই।
বাংলা

ধর্ম নয়, দেশই প্রথম—এই সত্য বামপন্থীরা কখনোই বুঝবে না
বামপন্থীরা সন্ত্রাসবাদের মধ্যে ধর্ম খুঁজে পায় না, কিন্তু দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে তারা ধর্ম খুঁজে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এতটাই নির্লজ্জ ও কুৎসিত রাজনীতি করে তারা, যে দেশের শত্রুকেও হার মানায়।
যখন সন্ত্রাসবাদীরা ‘আল্লাহু আকবর’ বলে নিরীহ মানুষ হত্যা করে, তখন তারা বলে—“সন্ত্রাসের তো কোনো ধর্ম নেই।” কিন্তু দেশের বীর জওয়ান যখন সীমান্তে প্রাণ দেন, তখন তারা খুঁজে দেখেন, তিনি হিন্দু না মুসলমান!
একজন শহিদ জওয়ান, ঝন্টু আলী শেখের মৃত্যুর পর তার দাদা বলেছিলেন—“Force-এ কোনো হিন্দু-মুসলমান নেই। যারা আছে তারা সবাই দেশের সেনা।” এই এক কথাতেই জাতীয়তাবাদের গভীরতা প্রকাশ পায়।
একটি RTI-এর উত্তরে ভারতীয় সেনাবাহিনী নিজেই বলেছিল—“আমাদের সেনাবাহিনীতে কোনো হিন্দু, মুসলমান বা খ্রিস্টান নেই, আমরা কেবল ভারতীয় সেনা।” ধর্ম নয়, দেশের প্রতি আনুগত্যই তাদের পরিচয়।
কিন্তু বামপন্থীরা সে কথা বোঝে না। তারা সন্ত্রাসবাদীদের ধর্মচিহ্ন দেখার সময় চোখ বন্ধ রাখে, আর দেশরক্ষাকারীদের ধর্ম খুঁজে বেড়ায়। এটা কেবল বিকৃত মানসিকতা নয়, সরাসরি দেশবিরোধী রাজনীতি।
এটা হিন্দু-মুসলমানের প্রশ্ন নয়—এটা দেশভক্ত বনাম দেশবিরোধীর প্রশ্ন।
আমরা কানহাইয়া কুমারের মতো ‘হিন্দু’ চাই না, যে “ভারত তেরে টুকড়ে হোংগে” স্লোগান দেয়।
আমরা চাই ড. এ.পি.জে. আব্দুল কালাম স্যারের মতো গর্বের মুসলমান, যাঁকে আমরা মাথায় তুলে নাচি।
দেশের জন্য যে বাঁচে, সেই আমাদের আপন—ধর্ম যাই হোক না কেন।
আর যারা দেশের শত্রুদের তোষণ করে, তারাই প্রকৃত ঘৃণার পাত্র।
এদেরকে কী বলা উচিত, তা ঠিক করবেন আপনি।
তবে মনে রাখবেন, আজ না বললেও ইতিহাস একদিন ঠিকই বলবে—
কে দেশভক্ত, আর কে দেশের গলার কাঁটা।
বাংলা

@SwatiDa26757318 হয়না। আমার মা সারাজীবন লোকের উপকার করে গেছেন অথচ তিনি যত কষ্ট পেয়ে মারা গেছেন তা যেন অতি বড় শত্রু র ও না হয়।
আমি দেখেছি ভালো মানুষরাই বেশি কষ্ট পায়।
বাংলা


পি এইচ-ডি হবার দরকার নেই, কিন্তু ন্যূনতম শিক্ষাদীক্ষাটুকু প্রয়োজন। তা ছিল না বলেই দিলীপ ঘোs কে রাজ্য সভাপতির মত উচ্চপদে বসানো মারাত্মক ভুল হয়েছিল। মাথা ঘুরে গিয়েছিল, ধরাকে সরা ভাবতে শুরু করেছিল। এদিকে হীনমন্যতাও ছিল, তাই নির্বাচনী এফিডেভিটে নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্বন্ধে মিথ্যাকথা লিখেছিল, যা দণ্ডনীয় অপরাধ। TV9 বাংলা চ্যানেলের অমৃতাংশুর কাছে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারীরা দেশকে ‘পেচ্ছাব-পাইখানা’ (হ্যাঁ, এই ভাষাতে) ছাড়া কিছু দেয় নি।
২০১৯ সালে সংসদীয় নির্বাচনে বিজেপির সাফল্য দেখে সবাই ধন্য ধন্য করতে লাগল, ভুলে গেল সেই বছরই তিনটে উপনির্বাচনে বিজেপি শূন্য পেল। এই সময় কামিনীকাঞ্চন-আসক্ত এক শিম্পাঞ্জির মত দেখতে বিজেপি নেতার কাছ থেকে সমর্থন পাওয়ায় দিলীপের সুবিধা হল। The Week পত্রিকায় নিজেকে ভাবী মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিল, দপ্তর বন্টনও করে দিল। তারপর হেরে যাবার পরে যখন বিজেপি কর্মীরা বেধড়ক মার খেতে লাগল তখন নিজে দশ জন রক্ষীবেষ্টিত হয়ে তাদের জ্ঞান দিত।
বিদায় হয়েছে, ভাল হয়েছে। আমি বৃদ্ধ, অবসরভোগী, দিলীপ বাবাজীবনের সুখী সমৃদ্ধ বিবাহিত জীবন কামনা করি। টাকার তো অভাব নেই! কেবল আমরা যেন একই ভুল আর না করি।
বাংলা

@tjt4002 কানের পাশে ভালো করে গুঁজে নিলে আরেকটু পারফেক্ট হওয়া যেত তাই না
বাংলা

একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিমের পোষাক ও পরিধান তার বিশ্বাস ও ধর্মাচরণের অঙ্গ। হিজাব তাদের ধর্মীয় পরিচয়ের প্রতীক। এর মধ্যে দোষ বা বিতর্কের কিছু নেই।
এদিকে, জগন্নাথ কালচারাল সেন্টারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিধান ছিল সুন্দর। তবে বাকিটা বলার প্রয়োজন নেই—বুদ্ধিমানরা সহজেই বুঝে নিচ্ছেন আসল বার্তা।

বাংলা

@skrishna1969 ঝগড়া বাধাবার তাল, শুভেন্দু দা যে বলল উনি মোদীর বাচ্চা! আপনারা বলছেন,,,,
বাংলা













