Dr. Rezaul Karim
5.2K posts

Dr. Rezaul Karim
@drkarimbd
Member of Central Working Committee & Secretary of Dhaka City North, @BJI_Official, Former Central President of @Info_Shibir FB: https://t.co/zHNlLSojc2
Dhaka Bangladesh Katılım Mart 2014
15 Takip Edilen44.8K Takipçiler

সার্বভৌম হলো জনগণ, সংসদ নয়
—ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সার্বভৌম হলো জনগণ, সংসদ নয়। সংসদ জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান, কিন্তু চূড়ান্ত ক্ষমতার উৎস জনগণই।
জনগণই সর্বোচ্চ ক্ষমতার মালিক।
Parliament exercises power on behalf of the sovereign people.
সংসদ সার্বভৌম জনগণের পক্ষে ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
Sovereign = সার্বভৌম / সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী
আপনার আগের প্রশ্নের সাথে মিলিয়ে এক লাইনে: In a republic, the sovereign is the people, not the parliament.
একটি প্রজাতন্ত্রে সার্বভৌম হলো জনগণ, সংসদ নয়।
আমাদের সংবিধানে বলা হয়েছে—
৭। (১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে।
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।
(7. (1) All powers in the Republic belong to the people, and their exercise on behalf of the people shall be effected only under, and by the authority of, this Constitution.
Supremacy of the Constitution
(2) This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the supreme law of the Republic, and if any other law is inconsistent with this Constitution that other law shall, to the extent of the inconsistency, be void.)
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭(১)-এ খুব স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।”
অর্থাৎ—
জনগণ = সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস
সংসদ = জনগণের দেওয়া ক্ষমতার সাংবিধানিক প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান
আর অনুচ্ছেদ ৭(২) বলছে, জনগণের সেই ক্ষমতা সংবিধানের মাধ্যমে কার্যকর হবে। তাই সংসদও সংবিধানের ঊর্ধ্বে নয়; বরং সংবিধান ও জনগণের ইচ্ছার অধীন।
সহজভাবে বললে:
জনগণ মালিক, সংসদ প্রতিনিধি। সংসদ আইন বানায়, কিন্তু সেই বৈধতা আসে জনগণের ভোট ও সংবিধান থেকে। এক লাইনে বলতে গেলে: “সার্বভৌমত্বের আসল উৎস জনগণ; সংসদ সেই সার্বভৌম ইচ্ছার সাংবিধানিক রূপমাত্র।”
তাহলে বর্তমান সরকার কোন ক্ষমতাবলে ৭০% জনগণের রায়কে সংসদে বসে বাতিল করে দিতে চায়? কোন শক্তির বলে সরকার এটি করছে? মূলত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবিধানের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করে এই কাজটি করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করছেন।
কোনো এক সময়ে এটি প্রমাণিত হবে যে, বর্তমান সরকার যে ক্ষমতাবলে ৭০% জনগণের রায়কে উপেক্ষা করছে, তার জন্য তাদেরকে একদিন আদালতে দাঁড়াতে হবে।
সুতরাং, সংসদ সার্বভৌম—এই কথা বলে যারা জনগণের রায়কে এই সংসদে বাতিল করছেন, তারা সংবিধানের দোহাই দিয়ে একটি অবৈধ কাজ করছেন! জনগণের রায়ই গণতন্ত্রের শেষ কথা। সেজন্য ক্ষমতাসীনদের একদিন জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে।
ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, কিন্তু মানুষের অধিকার, প্রত্যাশা ও জবাবদিহিতা চিরন্তন। যে শাসন জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ হয়, ইতিহাস তাকে ছাড় দেয় না। কারণ জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয় প্রতিটি শাসককেই।

বাংলা

The International Crimes Tribunal-2 in Dhaka today noon sentenced former assistant sub-inspector Ameer Hossain and ex-constable Sujan Chandra Roy to death for their role in the killing of Abu Sayed, a student of Begum Rokeya University in Rangpur, during the July 2024 uprising. The verdict must be executed immediately.
English










