@MonjuAlom1 হে এটা ঠিক বলছেন। বিএনপি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় গেছে। কিন্তু এটা ঠিক না যে তারা জনগণের স্বর্থে কাজ করবে। এটা মেন্ডেটরী না। এটা ভবিষ্যতে দেখা যাবে। কারন বিগত সকল বিএনপির শেষ টা খারাপ ছিলো।
@MonjuAlom1 না না,,, এটা তো গুপ্ত ব্ সুপ্ত রা বলে নাই। বলছে তো পার্থ। এটাতো চাপিয়ে দিয়ে লাভ নেই। পার্থ নিজে সংসদে বলছে। সো এটাকে গুপ্ত বা সুপ্ত করে লাভ নেই।
সরাষ্ট্রমন্ত্রীর লেকচার না বুঝায় আইনমন্ত্রীর ক্লাস করতে চাইছিলো হান্নান মাসুদ..
লে আইনমন্ত্রী "bring your books to the next class for better understanding" :3
ভেরি গুড ডিসিশন। যুগান্তকারী পদক্ষেপ 👌 🥰
সংবিধান বিরোধী গণভোটের মূল্য দিলে। ৭১ এর সংবিধান হারাতে হবে। ৭১ আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের স্তম্ভ। যেটা কখনো বীর বাঙালি হতে দেবে না....✊
@mdsaif2007ctg সংবিধান অনুযায়ী ২৬শে মার্চের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু বিএনপি বলে শহীদ জিয়াউর রহমান। সংবিধান অনুযায়ী সকল অফিসে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি থাকতে হবে। বর্তমানে কোনে অফিসেই তার ছবি নাই। আর সংবিধান সংস্কার করা কোনো সরকারের এখতিয়ার নেই। শুধুমাত্র বিপ্লব সংস্কারের সুযোগ দেয়।
@mdsaif2007ctg সংবিধান কোন সরকার মানছিলো বলেন? গত ৫৫ বছরে যত সরকার এসেছিলো সবাই সংবিধানকে অমান্য করছে। বর্তমান সরকারও সংবিধান অমান্য করতেছে। আর সেই হিসেবে বিগত সব সরকারই রাষ্ট্রদ্রোহিতা করে গেছে। ৭১ এখন অতীত। ২৬ বর্তমান। অতীত নিয়ে কেউ চলতে পারে না। তবে শিক্ষা নেয়া যায়।
@KhanYusuf98 আওয়ামী লীগ আসার অপেক্ষা করেন। কে কোন ধারা লঙ্ঘন করছে সেটা ওরাই বলবে। শুধু গুপ্ত হইয়েন না। ৫০ বছর পরে হলেও এর হিসাব করবে ওরা। তখন আবার বইলেন না যে জুলাইয়ের মাস্টার মাইন্ড আমরা ছিলাম না।
ঘটনা খুলনার।
কিস্তির টাকা দিতে না পারার কারণে তাকে অফিসে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করে এনজিও কর্মকর্তা। নির্যাতন এবং মব দিয়ে ভরে গেছে দেশের আনাচে কানাচে এখন এমন অবস্থা।
@LLabanno14 বিষয় টা কেমন জানি লাগে। ২৪ তারিখ পাকিস্তান, ২৬ তারিখ কালুরঘাট। ২৬ তারিখ ঘোষনা দিলেন কিন্তু ১৬ তারিখ স্বাধীন হয়েছে শুনে চেইতা গেলেন। বিষয় টা মজার না।
এই ভিডিও টা প্রমাণ করে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কারণ জিয়াউর রহমান কোনদিন নিজের মুখে বলেন নি তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন।
৬ মিনিটে সংসদ কাঁপালেন হান্নান মাসউদ 👏
শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ার কারণে হাতিয়ায় এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগটি ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যাচ্ছিল। ঘটনার প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ডিএনএ রিপোর্ট প্রকাশ হয়নি, দৃশ্যমান কোনো বিচার প্রক্রিয়াও সামনে আসেনি। এই নীরবতার মধ্যেই বিষয়টি আবার আলোচনায় নিয়ে এসেছেন Abdul Hannan Masud।
সংসদে কথা বলার জন্য তাকে মাত্র ৬ মিনিট সময় দেওয়া হয়। শুরুতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন - সরকারদলীয় সদস্যদের জন্য ৮ মিনিট, আর বিরোধীদলের জন্য ৬ মিনিট কেন? এরপর তিনি ১৯৭১ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সংক্ষেপে তুলে ধরেন এবং পূর্ববর্তী সরকারের শাসনামলের সমালোচনা করেন।
তিনি গণভোট প্রসঙ্গেও সরাসরি কথা বলেন। যে গণভোটের পক্ষে বর্তমান সরকার ও তাদের নেতারা নিজেরাই প্রচারণা চালিয়েছিলেন, সেই বিষয়টি এখন আবার নতুন করে আলোচনায় আনার প্রয়োজন কেন - এই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এরপর তিনি দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন। প্রথমত, নিজে সংসদ সদস্য হওয়ার পরও তার ওপর দুইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন। তার অভিযোগ, অস্ত্রধারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
দ্বিতীয় বিষয়টি ছিল আরও সংবেদনশীল। হাতিয়ার সেই ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে শুরু করলে এক পর্যায়ে তার মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে আবার তা চালু করা হলে তিনি জানান - ঘটনার এক ঘণ্টার মধ্যেই কোনো তদন্ত ছাড়াই পুলিশ বিষয়টি অস্বীকার করে। চিকিৎসা পরীক্ষা ছাড়াই বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়া হয়, মামলা নিতেও বিলম্ব করা হয়। ৪২ দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত বিচার বা অগ্রগতির কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন নেই।
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আইনের ব্যাখ্যা আইনমন্ত্রী দেবেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী তার দায়িত্ব পালন করবেন, এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে।
তার কণ্ঠ হয়তো খুব জোরালো নয়, তিনি এখনো প্রচলিত অর্থে ক্যারিশম্যাটিক নেতা নন। কিন্তু তার বক্তব্য ছিল সরাসরি, গুছানো এবং প্রভাবশালী। অল্প সময়েই তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো সামনে এনেছেন।
এই বক্তব্য আবার মনে করিয়ে দেয় - একটি অভিযোগ, একটি ঘটনা, বা একটি বিচারহীনতা কখনোই শুধু একটি ব্যক্তিগত বিষয় নয় , এটি রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন।
রওশন হক
৩/২৯/২৬
নিউইয়র্ক
#everyonehighlightsfollowers@nahidfordhaka11@NahidIslam_24@HasnatAb_dullah@NCP4BD
এই কাকের কথা হাকিকত রয়েছে এতে কোন সন্দেহ নাই ইসরাইলের ধ্বংস নেমে এসেছে তারা তো নাপাক জাতি খোদার উপর ঈমান আনেনি তারা তো পূর্ব থেকেই কাফের কুফরি ও সেরেক ধ্বংস করার সময় এসেছে ইরানকেই যুদ্ধের হাল ছেড়ে দিলে হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত ইসরাইল ভেঙে না পড়ে ততক্ষণ এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে