Sabitlenmiş Tweet
munware alam nirjhor
8.9K posts

munware alam nirjhor
@munwarenj
Founder & Principal Director at Bangladesh Media Monitor | Strategic Communication Architect.
Selangor, Malaysia Katılım Aralık 2014
5.5K Takip Edilen4.8K Takipçiler
munware alam nirjhor retweetledi


ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের এক জামায়াতপন্থী নেতা এক নারীর সাথে কাজ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে সম্ভবত কাজ করে না দেয়ায় মহিলা একান্ত মুহুর্তের ভিডিও নিয়ে সাংবাদিকদের দিয়ে দিয়েছে। গত ৩/৪ দিনে সেই ভিডিও অন্তত দেশ-বিদেশের ১৫ জন পাঠাইছে।
একটু আগে একটু ভাত ঘুম দিছিলাম। একজন কল দিয়া ঘুম ভাঙ্গাইয়া কইতেছে ভাই, এক জামাতি সাংবাদিকের নু*ড বাইর হইছে দেখছেন? ঘুমটাই চটকাইয় গেছে।
ভাই এই ভিডিও আর কেউ পাঠাইয়েন না। আমি দেখছি। আমার ভালো বা মজা কিছুই লাগে নাই। দেখেন জামায়াতপন্থী সাংবাদিক নেতারা এর কি যুক্তি দেয় আর সাংবাদিক ইউনিয়ন কি করে। এর বাইরে জামায়াতের লোকজনরে কিছু কইলে তো আবার গুনাহ হবে।
বাংলা

প্রথম কথা , নয়ন সাহেব শিশু আইন লঙ্ঘন করছে শিশুদের রাজনীতিতে ব্যবহার করে। এরপর Daily Ittefaq এই যে শিশুদের রাজনৈতিক ভিডিও প্রচার করে তাদের অনলাইন ফুটপ্রিন্ট তৈয়ার করেছে, এটার ফিউচার ফলাফল কি হতে পারে তাঁর ধারণা আছে ? এই ভিডিও ফুটেজের জন্য কখনও কেউ যদি তাদের কোন ক্ষতি করে, তাহলে কি সেই দায় নিবে সম্পাদক তাসমিমা হোসেন ও প্রকাশক তারিন হোসেন?
নয়নের পিআর করতে গিয়ে এতগুলো শিশুর জীবন নিয়ে যা করছে ইত্তেফাক, তাঁর জন্য এই প্রতিষ্ঠানকে শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর আইনের মুখোমুখি দাড় করানো উচিৎ। তাহলে বাকি পিআর গণমাধ্যমগুলো সতর্ক হবে।

বাংলা

আমি প্রতি ঘন্টায় নিয়ম করে আমার মেইল চেক করি। এটা অভ্যাস আমার। পুরাতন মেইল পড়ি। মানে ফেসবুক যেভাবে স্ক্রল করে , সেভাবে। গত এক ঘন্টায় চ্যানেল নাইনের বিষয়ে তিন জন অসহায় সংবাদকর্মী মেইল করেছেন। যার দুইটা আমি এখানে দিলাম। যদি পড়তে পারেন তাহলে বুঝবেন কতটা মানবেতর জীবন এদের। সংবাদকর্মীরা সবার কথা বলে, কিন্তু তারা তাদের অসহায়ত্ব কাউকে বলতে পারে না। এটা ঢাকার বেশিরভাগ গণমাধ্যমের চেহারা।
এতকিছুর পরও চ্যানেল নাইন কর্তৃপক্ষ কিছু করবে না। তাঁরা এতটাই শ্রমিক নির্যাতনের পক্ষে যে, ঈদ আর সাধারণ মাস নাই। বেতন দিবো না মানে দিবো না আচরণ তাদের।

বাংলা

"পুর্নগঠনের" কথা বলে দৈনিক জনকন্ঠ এক প্রকার বন্ধ হয়ে গেল। এর জন্য শুধুই কি মালিকপক্ষ দায়ী ? যারা বলে বেড়ায় এটা দখল করা হয়নি। তারা 'সমঝোতার' ভিত্তিতে দখল নিয়েছিলেন? জনকন্ঠ বন্ধের দায় মালিকের চেয়ে বেশি কাদের এটা সবাই জানে। গণমাধ্যমের এই 'গলা চেপে' ধরা ব্যক্তিরা নির্লজ্জের মত টক শো করে বেড়ায়, বিভিন্ন জায়গায় বাকস্বাধীন্তার কথা বলে। এরা আর হাসিনার পালিত প্রোপাগান্ডিস্টদের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই।
বাংলা

পিরোজপুর এমন একটা জেলা একটা সময় অনেক মানুষ চিনতোই না। স্বরুপাকাঠির পেয়ারা বাগান অনেকে চিনলেও ভাবতো, স্বরুপকাঠি ঝালকাঠির মধ্যে। আবার অনেকে জিজ্ঞেস করতো, এটা খুলনা নাকি বরিশাল বিভাগে? পিরোজপুর মানুষ মে বি সবচেয়ে বেশি চিনছে জায়েদ খান আর পরিমনির জন্য। জায়েদ খানের বাড়ি আর পরিমনির নানা বাড়ি।
তবে সম্প্রতি আবার আলোচনায় পিরোজপুর। পিএম নিজে এখানকার দূর্নীতি নিয়ে আলাপ করেছেন। ফলে আলোচনায় দূর্নীতির দুই পোস্টারবয় সাংসদ মহিউদ্দিন মহারাজ এবং পলাতক আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন।
আমি এই ম্যাপটাকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাই। কার জন্য কে কাজ করতো। মহিউদ্দিন মহারাজের ডান হাত+পিআর ছিল এখন টিভির ওএসডিতে থাকা আলোচিত চার সাংবাদিকের একজন মাহমুদ রাকিব। যিনি আওয়ামী লীগ আমলে নিজে মহারাজের ভাই পরিচয় দিয়ে এমন কোন অপকর্ম-দূর্নীতি নাই যা করে নাই। ৫ আগস্টের পর মহারাজের 'কেয়ারটেকার' হিসেবে সব দেখে-শুনে রাখছেন। যেহেতু তিনি ৫ আগস্টের পর বিপ্লবী জামায়াতপন্থী সাংবাদিক নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন। এমনকি ২৪ এর জানুয়ারির নির্বাচনে মহারাজের জয়ের জন্য ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় দৌড়াদৌড়ি থেকে পিরোজপুরে অনৈতিকভাবে সে সাংবাদিকদের ব্যবহার করতেও পিছপা হয় নাই। বিনিময়ে মহারাজের সব সম্পদের বাইরে, নিজেও এখন বিশাল সম্পদের মালিক রাকিব। যদিও এসব শশুর বাড়ির সম্পদ বলেই নানা সময়ে দাবি করেছেন। এমনকি বউ দামি গাড়িও শশুরবাড়ির উপহার বলেই চালিয়ে দিয়েছে।
এবারে আসি তোফাজ্জল হোসেনের লোকের খোজে। নাম হল, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে সোনা মামুন। এভিয়েশন খাত ও স্বর্ণ চোরাচালান খাতের মাফিয়া মামুন হল বেসরকারি বিমানসংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
এয়ারপোর্টের 'বিশেষ গেট' থেকে যে অবৈধ চালান বের হতো তার 'শেল্টার' দিতেন তোফাজ্জল হোসেন। মামুনের ইচ্ছা ছিল , একটা প্রাইভেট এয়ারফিল্ড করার । সেজন্য মামুনকে শেখ হাসিনার সাথে কয়েকবার দেখাও করিয়েছিলেন তোফাজ্জল হোসেন। মূলত তোফাজ্জল ও পিরোজপুরের বেশ কয়েকজন রাজনীতিবীদের কালো টাকা সাদা করার দায়িত্ব নিয়েছেন ইউ-এস বাংলা গ্রুপ। টাকা সাদা করতে গ্রুপটি তাদের জমির ব্যবসাকে কাজে লাগাচ্ছে।
মামুনের আরও গল্প যদি বলা শুরু করি শেষ হবে না। যেমন অবৈধ সোনাসহ ধরা খাওয়া তার কতগুলো প্লেন মুচলেকা দিয়ে চলছে, আটক এয়ারহোস্টেসকে কিভাবে আয়নাবাজি সিনেমার মত বাইরে রেখেছে এবং সবচেয়ে বড় কথা প্রবাসী শ্রমিকদের রক্ত-ঘাম করা টাকা এই লোক সিন্ডিকেট করে মেরে খাচ্ছে।

বাংলা

ট্রান্সকম আর বসুন্ধরার ঢাকা ডার্বিতে নতুন কিছু নাই। অথচ থাকার কথা ছিল উলফার সহয়তায় কিভাবে ট্রান্সকম দেশের সবচেয়ে গোছানো ইংরেজি দৈনিক বাজারে এনেছিল। কিভাবে উলফার সাথে বিচ্ছেদের পর ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে ট্রান্সকমের লতিফুর রহমানের কিশোরি মেয়ে শাজনীন তাসনিম রহমানের মর্মান্তিক হ*ত্যা*র কাহিনী। এই ঘটনার কয়েক মাসের মধ্যেই নভেম্বরে কেন প্রথম আলো বাজারে আনলো ট্রান্সকম।
এরপর কিভাবে উলফার নতুন প্রেম হয়ে ওঠে বসুন্ধরা। আরও নিউজ হওয়া উচিত ছিল, টেলিকমিউনিকেশন কুইন রুবাবাদৌলার কি সম্পর্ক বসুন্ধরা টেলিকমিউনিকেশনের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হ*ত্যা*র সাথে। যার প্রধান আসামি ছিল বসুন্ধরা চেয়ারম্যানের ছেলে সাফিয়াত হোসেন সানবীর। কার মধ্যস্ততায় এই মামলার নিষ্পত্তি হয় ২০১১ সালে।
নিউজ করলে এসব করেন নাইলে বাদ দেন। যা করতেছেন ওগুলা লাঠিয়ালদের কাজও হচ্ছে না। দুই সতীনের ঝগড়া হচ্ছে।
বাংলা

বশরত পীরের স্মৃতিকথা কারফিউড নাইট অবলম্বনে বিশাল ভরদ্বাজ ২০১৪ সালে তৈয়ার করেছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র হায়দার। যার অভিনেতা ছিলেন শোহেদ কপুর। বাংলাদেশের সাংবাদিকতারও সেই শোহেদ কপুর হলেন বসুন্ধরা গ্রুপের হেড অফ লাঠিয়াল হায়দার আলী। গতকাল রাতে অনন্ত জলিল ও হিরো আলমের পর নিজের ছয় মিনিটের হিরোয়িক মুভি রিলিজ করেছিলেন ফেসবুক ও ইউটিউবে তিনি । এত ভালো একটা কাজ এখন খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি প্রমাণ করলেন, তিনি আসলেই একজন হিরো হায়দার দ্যা বসুন্ধরা।🥲🥲🥲

বাংলা

আমার ধারণা ছিল বসুন্ধরার সবচেয়ে লজ্জা কম আনভিরের । কিন্তু আমাকে ভুল প্রমাণ করে দিয়ে নিজের নামে ছয় মিনিটের একটা ন্যারেটিভ-ড্রিভেন প্রোফাইল ফিচার কন্টেন্ট করাইয়া সবাইকে পেছনে ফেলছে কালেরকন্ঠের হায়দার আলী। প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন সাদমান সাকিব এবং কণ্ঠ দিয়েছেন মাজহারুল আলম। স্ক্রিপ্টের গঠন, বর্ণনার ধরন এবং ভাষার ব্যবহার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে ঘিরে হিরো কনস্ট্রাকশন বা নায়কভিত্তিক ইমেজ নির্মাণও করেছে। অনেকটা হিরো আলম যেমন নিজেকে হিরো বানাতে নামের আগে হিরো বসাইছেন বা নিজে নিজে অনন্ত জলিল মুভি বানাইয়া হিরো হইছে টাইপ।
প্রতিবেদনটিতে সাংবাদিকতার মৌলিক সীমাবদ্ধতাও আছে প্রচুর। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় দাবি করা হলেও পর্যাপ্ত অ্যাট্রিবিউশন, সোর্স ডাইভারসিটি বা এভিডেন্স সাপোর্ট নাই কোন। মব তৈরি, চাপ সৃষ্টি, ষড়যন্ত্র, চরিত্রহননের মতো বিষয় উল্লেখ থাকলেও কারা, কীভাবে, কোন প্রেক্ষাপটে এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য অনুপস্থিত। একইসঙ্গে পুরো প্রতিবেদনে বিকল্প বা সমালোচনামূলক কোনো দৃষ্টিভঙ্গি একদমই নাই।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লোডেড ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়েছে, যা দর্শকের আবেগ ও দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করে। যেমন ব্যতিক্রম, তার কলম গর্জে উঠেছে, সাহসী সত্যের উচ্চারণ, সংবাদ যোদ্ধা, কলম সৈনিক, সত্যের পরিচয়ে সাংবাদিক, অনন্য, জাতির বিবেকের আত্মচিৎকার, ষড়যন্ত্রকারীরা, মিথ্যা প্রোপাগান্ডা, ভয়ে থেমে যাননি এসব শব্দ কেবল তথ্য দেয় না বরং একটি নৈতিক অবস্থান এবং ইতিবাচক বা নেতিবাচক আবেগও তৈরি করে। এসব শব্দ ব্যবহার করে কখনও হায়দার আলী ভিক্টিম কার্ড প্লে করেছেন আবার সাংবাদিকতার স্বঘোষিত 'হিরো আলম' সেজেছেন। যাস্ট একবার ভাবুন একটা মানুষ কি পরিমাণ নিজেকে নিয়ে ইউসিকিউর থাকলে লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে ন্যারেটিভ-ড্রিভেন প্রোফাইল ফিচার করতে পারে। আমি খালি রিপোর্টারের কথা ভাবি। পেটের দায়ে কত কিছু করতে হয় আমাদের।


বাংলা

টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের বিজয়ীরা কি বিএনপির নেতা? বিএনপির প্যানেল নাকি বিএনপির অঙ্গ-সংগঠন? মানে এধরনের পোস্ট বিএনপির মিডিয়া সেল দেয়ার কারণ কি ? নাকি তারা বুঝাইলো এটা তাদের কন্ট্রোলে আছে? নাকি বুঝাইলো, এই ভিডিও জার্নালিস্টরা তাদের লেজুড়।
এটা কিন্তু কোন শুভেচ্ছা পোস্ট না। লেখা পড়লেই বুঝবেন।

বাংলা

বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর একটি স্বাধীন মিডিয়া ওয়াচডগ ও থিংকট্যাংক, যা গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা, প্রোপাগান্ডা বিশ্লেষণ, সাংবাদিক নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ করে। আমরা সম্পূর্ণ ভলান্টিয়ারদের প্রচেষ্টায় পরিচালিত হলেও গবেষণা, ডকুমেন্টেশন, প্রযুক্তিগত সাপোর্ট ও আউটরিচ কার্যক্রম চালাতে ন্যূনতম কিছু খরচ অনিবার্য। স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখতে আমরা ডোনেশন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কোলাবোরেশনের আহ্বান জানাচ্ছি। ডোনেশন বা কোলাবোরেশনে আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন: bangladeshmediamonitor@gmail.com

বাংলা





