Truth-Seeker
15K posts

Truth-Seeker
@thunderbolt7404
I love to search the realities and have a strong desire to know, to understand and reflect and feel what is accurate. Please follow me to reach you true facts.
Katılım Temmuz 2022
1.1K Takip Edilen5K Takipçiler

দেশের আবাসিক হোটেলগুলোতে অভিযান চলাকালীন প্রায়ই আমরা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত তরুণ-তরুণীদের আটকের খবর দেখি। অনেককে গ্রেফতার করা হয়, আবার অনেকে লোকলজ্জার ভয়ে জানালা দিয়ে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টাও করে। তবে সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, এসব ঘটনায় জড়িত অনেক মেয়েই উচ্চশিক্ষিত, সুন্দরী এবং অত্যন্ত সচ্ছল ও সম্মানিত পরিবারের সন্তান।
পরিবার জানে তাদের মেয়ে পড়াশোনা করছে, কিন্তু সেই সুযোগে তারা মাত্র কিছু টাকার মোহে এই অন্ধকার পথে পা বাড়াচ্ছে। অনেকে পরিবার থেকে পড়াশোনার খরচ না নিয়ে উল্টো পরিবারকে টাকা পাঠাচ্ছে; আর এসব ক্ষেত্রে তারা অজুহাত হিসেবে টিউশনি, ফ্রিল্যান্সিং কিংবা পার্টটাইম জবের কথা বলছে।
তাই প্রত্যেক পরিবারের উচিত—সন্তান কোথা থেকে টাকা পাচ্ছে বা তাদের আয়ের প্রকৃত উৎস কী, তা গোপনে সরজমিনে যাচাই করা। উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে গিয়ে যেন সন্তান নৈতিকতা হারিয়ে বিপথে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। অন্ধ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে কোনো সন্তান নষ্ট হলে সেই দায়ভার পরিবার এড়াতে পারে না।
বিঃদ্রঃ: বর্তমান সমাজে নীতিহীনতা দিন দিন বাড়ছে। এই কথাগুলো ঢালাওভাবে সবার জন্য নয়; বরং কেবল তাদের জন্য, যারা জেনেশুনে সমাজকে কলুষিত করছে। আমাদের সচেতনতাই পারে এমন অবক্ষয় রুখতে।

বাংলা

অপরিশোধিত তেলের সংকটে বন্ধের মুখে ইস্টার্ন রিফাইনারি; ৩ দিনের মধ্যে থামতে পারে উৎপাদন।
বাংলাদেশে মাত্র ১ টাই রিফাইনারি আছে, আর সেটাও করেছে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। সম্ভবত আইয়ুব খান করেছিল।
স্বাধীনতার এতো বছরেও একটা রিফাইনারি তৈরি করা গেল না। তেলের রিজার্ভার তৈরি করা গেল না। কেউ এটা নিয়ে কথাও বলে নাই। এটা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য একটা লজ্জাজনক বিষয়।
৬ মাস তেল মজুত রাখার মত একটা রিজার্ভার থাকা উচিত ছিল। গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়, অথচ কেউ-ই এটা নিয়ে কখনো আওয়াজটাই তুলে নাই।
কালের কণ্ঠ প্রতি ঘণ্টায় একটি করে ড. ইউনূসকে নিয়ে গুজব পোস্ট করে, অথচ দেশে এত এত সমস্যা—এসব তাদের চোখে পড়ে না। চোখে পড়লে ভারত নারাজ হবে।
কাগজে কলমে স্বাধীন, কিন্তু প্রায় সব কিছুতেই বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল।

বাংলা

@BRICSinfo It’s undoubtedly an Israeli attack to provoke Kuwait into attacking Iran.
English

@tame_bullet ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য হাসান মাসুদ সাহেবকে তার সাহসী বক্তব্যের জন্য ॥
বাংলা
Truth-Seeker retweetledi

“পুরানো মদ নতুন বোতলে”—কথাটি একটি প্রবাদ বাক্য হলেও ইসলামী ব্যাংক নিয়ে বিএনপি সরকারের আমলের ষড়যন্ত্র এই বাক্যের সাথেই মিলে যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগ আমলে ইসলামী ব্যাংকটি দখল করতে ২০১৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময় লেগেছিল। বর্তমান সরকারের লেগেছে এক মাসেরও কম সময়। আওয়ামী লীগ যে উপায়ে ইসলামী ব্যাংক দখলে নিয়েছিল, তার চাইতেও জঘন্য উপায়ে বিএনপির আমলে ইসলামী ব্যাংকটি দখল হয়ে যাচ্ছে। এজন্যই বললাম—পুরানো মদ নতুন বোতলে।
সেই সরকার আগের সরকারের নিয়ম, সিস্টেম, পদ্ধতি ঠিক রেখে এখন শুধু মদের বোতল পরিবর্তন করছে—অন্য কিছু নয়।
আপনারা দেখেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন একজন ব্যবসায়ী। আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে একটি নিউজ—এই ব্যক্তি এস আলম গ্রুপের ঘনিষ্ঠজন। এবং এই ঘনিষ্ঠতার কারণেই তিনি আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।
আপনারা সবাই নিশ্চয়ই জানেন, আমাদের শিলংয়ের প্রিয় বড় ভাই জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ সাহেব বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন যেদিন করেন, সেদিন তিনি ওই এস আলম গ্রুপের গাড়িতে চড়ে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা পেয়েছিলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এস আলম গ্রুপের সেই সকল দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে রক্ষা পেতে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলেন সত্যিকার মালিকপক্ষ। সেই ক্ষোভে, ক্রোধে, রাগান্বিত হয়ে জনাব সালাউদ্দিন গংগারা আবার এই ব্যাংকটি দখল দেওয়ার পায়তারা লিপ্ত হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর এই ব্যাংকটিতে কোনো রাজনীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করে মূলত আওয়ামী লীগের সেই এস আলম গ্রুপকেই এস্টাবলিশ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক রয়েছে—সে সকল ব্যাংক কারো না কারো মালিকানায় পরিচালিত। অধিকাংশ ব্যাংকের মালিকরাই কেউ আওয়ামী লীগ, কেউ বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত। এখন কি ওই সকল ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তন হয়ে যাবে? নিশ্চয়ই নয়।
দল যে যাই করুক, যার মত করে দল করবে—কিন্তু ব্যবসা স্বাধীনভাবে চলবে। কিন্তু বাংলাদেশে ভিন্ন মতের মানুষের যেমন রাজনীতি করার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, তেমনি ব্যবসা-বাণিজ্যও কেড়ে নেওয়া হয়।
মূল কারণ হচ্ছে ভিন্ন জায়গায়—আর সেটা হচ্ছে, জামাত কেন এত শক্তিশালী হবে? জামাতের মাজা ভেঙে দিলে ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের ষড়যন্ত্র করে টিকে থাকবে। তাই প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখছে।
আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, বাংলাদেশের যতগুলো ব্যাংক রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে আদর্শিক এবং স্বচ্ছ ব্যাংক হচ্ছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। এখান থেকে প্রমাণ হয়, এই ব্যাংকের যারা পরিচালনা করেন তারা স্বচ্ছ, মেধাবী এবং দুর্নীতিমুক্ত আদর্শিক মানুষ। এই আদর্শবান মানুষদেরকেই বাংলাদেশের জনগণ ভালোবাসে—বিধায় সবচেয়ে বেশি গ্রাহক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশে।
গত সরকার ২০১৭ সালের ৫ই জানুয়ারি ভোরে পরীবাগের বাসা থেকে ব্যাংকটির তৎকালীন এমডি মোহাম্মদ আবদুল মান্নানকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। একই দিন ভোরে নিজ নিজ বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ব্যাংকটির তৎকালীন চেয়ারম্যান মুস্তাফা আনোয়ার ও ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হককে। তাদেরও একই কার্যালয়ে আটকে রেখে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানো হয়।
সেদিনই ব্যাংকটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সরকারের সাবেক সচিব আরাস্তু খান।
২০১৭ সালের ৫ই জানুয়ারি—ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুল মান্নানের সঙ্গে দেখা করতে আসেন একটি গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা জানান, তাকে তাদের সঙ্গে যেতে হবে।
একইভাবে নিজ নিজ বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয় ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকেও। এরপর তাদের জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানো হয়, আর ব্যাংকটি দখল করে নেয় চট্টগ্রামভিত্তিক ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ। শেখ হাসিনার সরকারের উপর মহলের সিদ্ধান্তেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়।
এরপর ব্যাংকটি থেকে নামে-বেনামে ও স্বার্থসংশ্লিষ্টদের নামে অন্তত ৫০ হাজার কোটি টাকা লুট করে এস আলম গ্রুপ। ঋণ হিসেবে নেওয়া এই অর্থ আর ফেরত না আসায় দীর্ঘ সময় ধরে তারল্য সংকটে ভুগছে দেশের অন্যতম বড় এই ব্যাংক।
আজ আবার ওই ব্যাংকটিকে নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্রকারীরা মেতে উঠেছে। বিভিন্ন মহল থেকে বিএনপি দলীয় সমর্থকরা যেভাবে ফেসবুকে পোস্ট করছেন, তাতে মনে হচ্ছে—তাদের প্রিয় আদরের বড় ভাই এস আলম গ্রুপকে অন্তত ব্যাংকটি উপহার দিতে পারছে, তাতেই তারা সন্তুষ্ট।
অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, সমাজের প্রচলিত একটি বাক্যের মতো—পাছায় বাঁশ ঢুকলেও যদি সেটা বাবার পাছায় ঢোকে, তাহলে সন্তানের তাতে সমস্যা নেই!
তবে যারা মনে করছেন দখল বাণিজ্য করে টিকে থাকা যাবে, তারা নিতান্তই বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন।
মানুষ সব জানে, সব বোঝে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যেভাবে মানুষ জাগ্রত হয়েছে, আপনাদের বিরুদ্ধে তো তার ১০০০ ভাগের এক ভাগ জাগ্রত হলেই যথেষ্ট

বাংলা

আগেও দলীয় ছিলো, এখনো দলীয়। ড ইউনুসের সময়ও ভিসিদের প্রায় সবাই দলীয় বিবেচনায় নির্ধারিত হয়েছিলো। ভবিষ্যতেও দলীয় হবে। এটাই বাংলাদেশ, এটাই এখানের শিক্ষার সংস্কৃতি। এক সরকার যায়, নতুন আসে। কিন্তু কারোর উচ্চতর গবেষণার মাধ্যমে দেশকে আগানোর পরিকল্পনাতেই থাকে না। এই দেশ অন্যদের গোলামী করার জন্য তৈরি হয়েছে। এখন সবাই মিলে গালি বর্ষণ করুন। এটাও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে।

বাংলা














