MD MOTIUR RAHMAN
1.8K posts


@Tanbirrrrr হারানো মানুষ কখনো খুঁজে পাওয়া যায় না যদি না সে ফিরে আসে।
বাংলা

@MiiMotiur এটাতো অভিশাপ হলো না..। আপনার কাছ থেকে একটা ইউনিক অভিশাপের অপেক্ষায় রইলাম 😊
বাংলা

“দ্বিমতের স্বাধীনতার ডাক: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর স্মরণীয় বক্তব্য”
বড় নেতাদের কিছু বক্তব্য থাকে, যেগুলো সময় পেরিয়ে গেলেও মানুষ মনে রাখে, বারবার উদ্ধৃত করে। আজ সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ ঠিক তেমনই একটি বক্তব্য দিয়েছেন।
তিনি শুরুতেই একটি অস্বস্তিকর বাস্তবতা সামনে আনেন - দেশ আবার সেই পুরোনো সংস্কৃতির দিকে ফিরে যাচ্ছে। যেখানে প্রতিমন্ত্রী বা হুইপের সমালোচনা করলেই কাউকে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে দেশে প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্যাটায়ারকে উৎসাহ দেন, সেই দেশেই কেন মত প্রকাশের জন্য মানুষকে নিপীড়নের শিকার হতে হচ্ছে? এই সংসদ গঠনের পর এখন পর্যন্ত ৯ জনকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই।”
এরপর তিনি কয়েকটি শক্তিশালী ও স্মরণীয় লাইন ব্যবহার করেন। বলেন, আওয়ামী আমলেও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল - তবে সেটা ছিল “সহমত প্রকাশের স্বাধীনতা”। এখন দরকার “দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতা”। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তারা এমন এক পরিবেশ চান যেখানে সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সমালোচনা করা যাবে, আর সামাজিক মাধ্যমে কথা বলার আগে বারবার ব্যাকস্পেস চাপতে হবে না।
নারী ইস্যুতেও তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। তার ভাষায়, দেশে এখন সিলেক্টিভ নারী বিরোধিতা চলছে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কোনো নারীকে নিয়ে কিছু বললে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া আসে, সেটিকে ‘নোংরামি’ বলা হয়। কিন্তু সাধারণ নারীদের ক্ষেত্রে স্লাটশেমিংকে অনেক সময় স্বাভাবিকভাবে নেওয়া হচ্ছে - যা একটি গভীর দ্বিচারিতা।
ক্যাম্পাস রাজনীতি নিয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন অতীতের গেস্টরুম-গণরুম সংস্কৃতির কথা, যেখানে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তার মতে, আবার সেই সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক।
ছাত্র রাজনীতির বাস্তবতা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনদের অনেকেই নিজেদের সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য বিদেশে রাখেন, আর দেশের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের রাজনৈতিক ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেন। এতে করে এক ধরনের বৈষম্যমূলক বাস্তবতা তৈরি হয়, যেখানে ক্ষমতা ধরে রাখাই হয়ে ওঠে মূল লক্ষ্য।
সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের কাছে এখন মুখ দেখানোর মতো অবস্থা নেই। একই সঙ্গে বিএনপির ভূমিকাও তিনি সমালোচনা করেন - তার মতে, অতীতে সুযোগ পেলে তারা এই সংস্কারগুলোর বিরোধিতা করত না। বর্তমানেও সংস্কার নিয়ে টালবাহানা হচ্ছে। মানবাধিকার কমিশন ও পুলিশ কমিশন বাতিলের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সত্যিকারের সদিচ্ছা থাকলে আগে শক্তিশালী কাঠামো দাঁড় করানো হতো, পরে প্রয়োজনে সংশোধন আনা যেত।
শেষের অংশে তিনি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে একটি আত্মসমালোচনামূলক আহ্বান জানান। বলেন, এই সংসদে যারা আছেন, তারা দেশের সবচেয়ে সুবিধাভোগী মানুষদের মধ্যে পড়েন। এই অবস্থান থেকেই অনেক সময় সাধারণ মানুষের বাস্তবতা বোঝা কঠিন হয়ে যায়। ক্ষমতার এই চেয়ার মানুষকে জনবিচ্ছিন্ন করে ফেলে - এই সত্যটি স্বীকার করা দরকার।
বিভাজনের রাজনীতি নিয়েও তিনি সতর্ক করেন। তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক সংঘাত থেকে কোনো পক্ষই শেষ পর্যন্ত লাভবান হবে না; বরং উপকৃত হবে সেই পরাজিত শক্তি, যাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল। তাই মতভেদ থাকবে, কিন্তু দমন-পীড়ন বা নির্মূলের রাজনীতিতে ফিরে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সব মিলিয়ে, এটি ছিল একটি পরিপক্ব, সংবেদনশীল এবং রাজনৈতিকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ বক্তব্য। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল না - তার বক্তব্য দেওয়ার কথা পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল না। সেই অপ্রস্তুত মুহূর্তেই তিনি তার সবচেয়ে শক্তিশালী কথাগুলো তুলে ধরেছেন।
রওশন হক
২৬/০৪/২৬
নিউইয়র্ক
#facebookpost
#highlightsシ゚
#everyonefollowers

বাংলা

@BNPBdMediaCell তার আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া উচিত।
বাংলা

Honourable Prime Minister of the Government of the People’s Republic of Bangladesh, Tarique Rahman, encouraged young innovation by driving a go-kart (racing car) built by college student Rezwan Rashid.
On Saturday afternoon (25 April 2026), the Prime Minister inspected the go-kart at the Tejgaon office premises. At one stage, to inspire Rezwan Rashid and other innovative youths, the Prime Minister personally drove the go-kart himself.
English

মনে আছে এই ছবিটা? পাশাপাশি শুয়ে থাকা সহযোদ্ধারা।
আজ বলতে বাধ্য হচ্ছি - সুখে থাকতে ভুতে কিলায়।
হ্যালো বিএনপি, জামায়াত, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির - থামুন। নিজেদের থামান।
একবার চারপাশে তাকিয়ে দেখুন - আপনাদের এই সংঘর্ষ দেখে কারা তালি দিচ্ছে? কারা সবচেয়ে বেশি আনন্দ পাচ্ছে?
এই ছবিটা ১৬ জুলাই ২০২৪, চট্টগ্রামের।
পাশাপাশি শুয়ে আছেন ছাত্রদল কর্মী শহীদ ওয়াসিম, শিবির কর্মী শহীদ ফয়সাল শান্ত। আরেকজন - কাঠমিস্ত্রি শহীদ ফারুক, তিনি কোনো দলের ছিলেন না।
একই শহরে, কাছাকাছি সময়ে, একই দিনে তারা শহীদ হয়েছেন।
আমরা এখন শহীদে শহীদে ভেদাভেদ করি।
কিন্তু যারা তাদের হত্যা করেছে, তারা কোনো ভেদাভেদ করেনি।
মেরে, মর্গে এনে, পাশাপাশি শুইয়ে দিয়েছে।
দুই দশকের সম্পর্ক, একসাথে পথচলা,
একসাথে আন্দোলন, জেল, নির্যাতন,
একজনের রক্তমাখা শার্ট আরেকজন বদলে দেওয়া,
কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে লড়াই -
এসব কি এত সহজে ভুলে যাওয়া যায়?
এখনও সময় আছে।
সংঘর্ষ থামান। উত্তেজনা কমান। আলোচনায় বসুন।
ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত করুন।
সুস্থ রাজনীতিতে ফিরুন।
সন্ত্রাসের পথ ছেড়ে ছাত্রদের মন জয় করার রাজনীতি করুন।
জোর করে কিছু চাপিয়ে দেবেন না।
নিয়মিত ছাত্রসংসদ নির্বাচন চালু করুন।
ভালো কাজের প্রতিযোগিতা হোক, রক্তের নয়।
এত রক্তের উপর দাঁড়িয়ে থাকা ‘জুলাই’কে ব্যর্থ হতে দেবেন না।
দেশ এমনিতেই কঠিন সময় পার করছে।
এই অবস্থায় সংযমই সবচেয়ে বড় শক্তি।
না হলে সামনে খুবই খারাপ সময় অপেক্ষা করছে।
@NahidIslam_24
@AsifMahmud36
@SarjisAlam_
@HasnatAb_dullah

বাংলা




















