
Shottify
467 posts

Shottify
@ShottifyX
BANGLADESH thrives when facts are verified first.







কালের কন্ঠ পত্রিকায় অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে ডঃ ইউনুস কিভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একের পরে এক ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করেছেন তার বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এইসব নিয়ে গত ১৮ মাস ধরেই কথা বলে আসছি। @TheKalerKantho @Yunus_Centre @EUinBangladesh @EU_Commission @grameenbank @GrameenAmerica আজ আপনাদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় শেয়ার করব। আপনারা অনেকেই হয়তো ভুলে গিয়েছেন কিংবা জানেন না যে, ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস ১৯৯৬ সালে গঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারেরও উপদেষ্টা ছিলো। তখনও সে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান গ্রামীন ব্যাংক কে নিজের করায়ত্তে নেয়া এবং গ্রামীন ব্যাংকের টাকা অন্য প্রতিষ্ঠানে সরানোর নীল নকশা চূড়ান্ত করেছিল। অর্থাৎ তাওয়া গরম দেখলেই নিজের জন্য দুটো রুটি ভেজা ফেলা ডঃ ইউনুসের আজন্ম স্বভাব। ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস ১৯৯৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর নরওয়ের দাতা সংস্থা নোরাড থেকে গ্রামীণ ব্যাংকে অনুদান হিসেবে আসা ৩৪৭.১৮ কোটি টাকা এবং গ্রামীন ব্যাংকের সোশ্যাল এডভান্সমেন্ট ফান্ডের ৪৪.২৫ কোটি টাকা গ্রামীণ কল্যান নামক প্রতিষ্ঠানে সরিয়ে নেয়। এই কাজ করার জন্য সে গ্রামীন ব্যাংকের পরিচলনা পরিষদ, বাংলাদেশ ব্যাংক কিংবা সরকার কারও অনুমতি নেয়নি। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রাতিষ্ঠানিক মানি লন্ডারিং এর এমন ন্যাক্কারজনক নজির আর দ্বিতীয়টি নেই। অর্থ স্থানান্তরের এই বিষয়টি দাতা সংস্থা নোরাডের নজরে আসলে তারা ডঃ ইউনুসের কাছে এর ব্যাখ্যা জানতে চায়। ডঃ ইউনুস স্বভাবতই কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। এরপর নোরাড নরওয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে বিষয়টি অবহিত করে। কেননা গ্রামীণ ব্যাংক সরকারি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এতে আসা সকল অনুদান/ঋণ ত্রিপাক্ষীয় (বাংলাদেশ সরকার, গ্রামীন ব্যাংক ও দাতা প্রতিষ্ঠান) চুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন হত। নরওয়ে দূতাবাস বাংলাদেশ সরকারকে বিষয়টা জানানোর পর টনক নড়ে ডঃ ইউনুসের। সে বাংলাদেশে কর্মরত নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাথে একাধিক মিটিং করে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। এতেও কাজ না হওয়ায় ১ এপ্রিল, ১৯৯৮ সালে ডঃ ইউনুস সরাসরি চিঠি লিখে নোরাডের মহাপরিচালককে। পোস্টের সাথে ডঃ ইউনুস স্বাক্ষরিত দুই পাতার সেই চিঠিটি যুক্ত করা হলো। চিঠিটা ডঃ ইউনুস শুরুই করে, I need your help দিয়ে। সে উল্লেখ করে অনুদানের টাকা স্থানান্তরের এই অভিযোগটি সরকারের নজরে আসলে সে সিরিয়াস সমস্যায় পড়বে। কারণ হিসেবে সে উল্লেখ করে সরকারের অনেকেই নাকি গ্রামীন ব্যাংকের প্রতি সাপোর্টিভ না! এটা ছিলো নির্জলা মিথ্যাচার, নিজের চুরি ঢাকার জন্য সরকারকে দোষারোপ করা। কেননা এই চিঠির মাত্র বছরখানেক আগে ১৯৯৭ সালের ২৬ শে মার্চ তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার গ্রামীণ ফোনকে লাইসেন্স প্রদান করেছিল। চিঠির শেষদিকে ডঃ ইউনুস কাতরসরে নোরাডের মহাপরিচালকের সাথে কয়েক মিনিটের জন্য দেখা করার অনুমতি চায়! দেশের দরিদ্র মানুষের কল্যানের জন্য অনুদান হিসেবে আসা এই টাকার উপর শতভাগ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার জন্য এবং খেয়ালখুশী মতো ব্যবহার করার জন্যই ডঃ ইউনুস সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে তা অন্য প্রতিষ্ঠানসমূহে সরিয়ে নেয়। সেই টাকাই গ্রামীণ টেলিকমের মাধ্যমে গ্রামীণ ফোনে বিনিয়োগ করা হয়। গড়ে তোলা হয় একের পর এক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু যে দরিদ্র্য মানুষের উপকারের কথা বলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে গ্রামীন ফোনের লাইসেন্স নিয়েছিলেন ডঃ ইউনুস তাদের উপকারে এক পয়সাও খরচ করেনি। গ্রামীণ নামধারী যত প্রতিষ্ঠান আছে সবই রাষ্ট্রের সম্পদ, জনগণের সম্পদ। ডঃ ইউনুস দীর্ঘ সময় ধরে সেগুলো ভোগ দখল করেছে। গরীবের টাকা মেরে গড়ে তুলেছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য। তবে সেইদিন বেশি দূরে নয়, যখন এই সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্ব বাটপার ইউনুসের কবল থেকে উদ্ধ্বার করে এগুলোর প্রকৃত মালিক তথা দশের দরিদ্র্য জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হবে। ডঃ ইউনুস, স্টার্ট কাউন্টিং ইউর ডেজ ইন গ্রামীণ এম্পায়ার! @aminulhoque1971



























