@mizanur_4u অথচ আমাদের দেশে ৫ আগস্টের পর পরিবর্তনের বদলে হুরুহুরি লেগে গিয়েছিল নিজ দলের লোক নিয়োগে।
এখন আবার এদের সরাচ্ছে নতুন সরকার। এতে আবার যারা নিযেদের লোক নিয়োগ দিয়েছিল আগের সময়ে এরা বিরোধীতা করছে।
অথচ সবাই মিলে এইসব বাদ দিয়ে দেশ গড়ায় বেশি মনোযোগ দেওয়ার কথা ছিল।
@BeefIsLove বেশি সমস্যা হবে মনে হচ্ছেনা। বাংলাদেশ সাধারণত রাশিয়ান ভারী ক্রূড কখনো আনেনা। এবার হরমুজ বন্ধ বলে আনতেছে। এর জন্য রিফাইনারী বানানো অনেক খরচসাপেক্ষ।
নিয়মিত যেখান থেকে আনা হবে সেই পাতলা তেলের পরিশোধনের জন্য নতুন শোধনাগার বানানোর দাবি তুলতে হবে।
এক ইস্টার্ন রিফাইনারি দিয়ে আর কত!!
বাংলাদেশের জ্বালানি নীতিতে সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তটা—রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারত দিয়ে শোধন করিয়ে আনা—শুনতে সহজ সমাধান মনে হলেও, বাস্তবে এটা আমাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
প্রথমত, ভারত নির্ভরতা বাড়ানো মানে আমাদের কৌশলগত স্বাধীনতা কমানো। আজ যদি রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কোনো কারণে ভারত তার শর্ত বদলায়, তাহলে জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে। একটা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কখনোই এক দেশের ওপর নির্ভর করে গড়ে তোলা উচিত না।
দ্বিতীয়ত, রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল এনে অন্য দেশে শোধন করানো মানে অতিরিক্ত খরচ—পরিবহন, রিফাইনিং চার্জ, মধ্যস্বত্বভোগী—সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত আমাদের লাভ কমে যেতে পারে। সরাসরি আমদানির সুবিধা এখানে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
তৃতীয়ত, এই ধরনের সিদ্ধান্ত আমাদের নিজেদের রিফাইনিং সক্ষমতা বাড়ানোর আগ্রহ কমিয়ে দেয়। অথচ দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী অর্থনীতি গড়তে হলে নিজের অবকাঠামো তৈরি করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
👉 তাহলে বিকল্প কী?
১. নিজস্ব রিফাইনারি সক্ষমতা বাড়ানো
বর্তমানে আমাদের যে শোধন ক্ষমতা আছে, সেটাকে আধুনিক করে বড় করা গেলে বিদেশ নির্ভরতা অনেকটাই কমে যাবে।
২. সরাসরি চুক্তি (Direct Deal)
রাশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে সরাসরি ক্রুড অয়েল আমদানির চুক্তি করলে মধ্যস্বত্বভোগী কমবে।
৩. মাল্টি-সোর্সিং স্ট্র্যাটেজি
একটা দেশের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন দেশ থেকে তেল আমদানি করলে ঝুঁকি কমে।
৪. নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ
সোলার, উইন্ড—এই সেক্টরে সিরিয়াস ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা সম্ভব না।
সব মিলিয়ে, স্বল্পমেয়াদে সহজ মনে হলেও এই সিদ্ধান্তটা আসলে বাংলাদেশের জন্য একটি “কৌশলগত শর্টকাট”। কিন্তু শর্টকাট সবসময় গন্তব্যে ভালোভাবে পৌঁছায় না।
বাংলাদেশের উচিত নিজের সক্ষমতা বাড়ানো, না যে অন্যের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো।
তামিম ভাই, আমার পছন্দের ব্যাটসম্যান। আপনি দ্রুত বিসিবি নির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচিত হয়ে বোর্ডে আসুন।
যত দ্রুত নির্বাচন হবে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে নির্বাচনের। আর যত দেড়ি হবে বোর্ডে আপনার প্রভাব বাড়বে, এতে নির্বাচন গ্রহনযোগ্য হবার সম্ভাবনা কমবে। @TamimOfficial28
@prettywitch_uk@SrabanZahid পরদা করলে জাসি হয়না। এর অপব্যাবহার করলে।
এর অনেক প্রমান আছে কারা অপব্যবহার করে। নোংরামি করে। আপনার যদি এটা ভাল কাজ মনে হয় তাহলে সমস্যা নাই। তবে নোংরা কথা বলে কাউকে প্রমোট করা অবশ্যই দেখতে খারাপ লাগে।
বয়কট Bangladesh Cricket : The Tigers #BoycottBCB#boycottdalaltamim আমি ঐদিন ই বয়কটের ডাক দিয়েছি। যারা বাংলাদেশে কে ভালবাসেন তারা বাংলাদেশের সম্মান রক্ষার জন্য এই দালালদের ক্রিকেট বয়কট করবেন। আমি করেছি। আপনি করেছেন তো? কেউ টিকেট কেটে খেলা দেখতে মাঠে যাবেন না। আমরা এই অ্যাডহক কমিটি মানি না। দেশ আমাদের রায় আমাদের হবে। তোরা কোন চ্যা/-র বা- যে নিজেদের আত্মীয়-স্বজন দিয়ে মায়ের দোয়া ক্রিকেট কমিটি বানাস? দেশ কি তোদের বাপের? আর আমরা কি ভাড়াটিয়া? ক্ষণিকের পোলারা ক্ষমতা পাইলেই সব নিজের মনে হয়?
✍️ ফারহানা জিনাত বর্ষা (১০/০৪/২০২৬)
#ShameOnBNP#PrettyWitch
@HridoyBD36@AhmedShahAzfar সে সময়ের দেশের ইফ্রাস্ট্রাকচার আর কম্পেটেন্সিতে হিসেবে সিকিউরিটি কনসারন থাকতেই পারে। যা পরে মনে হচ্ছে সুযোগ নিলে ভাল হত।
এর মানে এই না যে ঝুকি বিবেচনায় নিতে পারবেনা আর কখনো।
যে ই চালাক, কন্ট্রোভারসিয়াল কাজ করতে পারেন আর দায় চাপান যা দরকার তা না করে অন্যের উপর দায় চাপান।
@RomyullIslam@AhmedShahAzfar হ্যা, অনেকটা ৯৬ ইন্টারনেট ক্যাবল কন্ট্রভার্সির মত।
লালদিয়া কোথায়? তার আসের পাশের টার্মিনাল কে চালায়? বন্দর কাদের নিয়ন্ত্রণে?
ঐ বন্দরে কয়টা টার্মিনাল চেক করেন।
খশরুর পকেটে একটু টাকা পয়সা হয়ত কম ঢুকেছিল। তাই চেত কইরা উঠছিল। এখন মুখ বন্ধ কেনো জিজ্ঞেস করেন।
All the BRILLIANT ideas our Bharat Bondhu is coming up with to appease our Delhi overlords!
Btw, Bangladesh has ONLY one refinery, Eastern Refinery built in the Pakistan Era, 60+ years old! Yet ZERO plans to modernize and build new refineries. Yet, there is a Saudi Project for a new refinery awaiting "permission" ! Even after this crisis 🤷🏾♂️
@HridoyBD36@AhmedShahAzfar ৫ বছর না। বন্দর স্টেটেজিক প্লেস। এখানে একটা কমন কন্সেনসাস দরকার হয় যাতে কন্ট্রোভারসি ক্রিয়েট না হয়। আপত্তি সেই কন্ট্রোভারসিতেই।
@RomyullIslam@AhmedShahAzfar কন্ট্রভার্সিত বিএনপি করছে। একটা টার্মিনাল বানাবে যেটা খালি জমি এই চুক্তি ৫ বছরের হবে?
আ..ল বিম্পি গুলো এখন চুপ কেনো? মুখটা বন্ধ কেনো এখন? বাড়ি কই? গোপালী?
@SentientFool@prettywitch_uk এটা স্বাভাবিক। ওদের দলের কাছে এটাই এক্সপেক্টেড। এরপরও এরা প্রকাশ্যে এমন নোংরামিকে সাপোর্ট করে, আবার তাদের আইডলও ভাবে এটা দেখতে অদ্ভুত লাগে।
একটু আগেও দেখলাম তার পক্ষ নিয়ে পোষ্ট দিচ্ছে প্রতিপক্ষ নাকি তাকে গালি দিচ্ছে। আসলেই দিচ্ছে আমিও দেখেছি যা কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য না।
@RomyullIslam@prettywitch_uk পোস্টদাতা ব্যক্তির টাইমলাইন ঘুরে আসুন। ইনিও কম না। নিজে সা** প্রচার করে কিন্তু নিজ দলের প্রতি সা** নিতে পারে না। নোংরামি নিতে না পেরে ভিক্টিম কার্ড খেলে আর নিজেরা নোংরামি করে বাকস্বাধীনতা বলে চালায়।
@HridoyBD36@AhmedShahAzfar পররাষ্ট্রমন্ত্রী তো পরে হয়ছে। আগে তো সেই সরকারের আমলের কথা হবে। তাদের অনমুদন ছাড়া তো হয়নি।
এই আমলে এই কাজ করলে ঝেটিয়ে বিদায় করব দরকার হলে।
@KhanYusuf98 আসলে আসার পর সিস্টেমের সাথে মিশে গিয়েছেন তারা।
বুলবুল ভাই ৩ মাসের জন্যই এসেছিলেন। কিন্তু তাকে আসিফ গং পরিচয় করিয়ে দিয়েছে সিস্টেম করে কিভাবে ফায়দা নেওয়া যায় তার সাথে।
@revolt_71 তার এই ছবিটা যে তাকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রি(স্বৈরাচারী) ডেকে নিয়ে গিয়েছিল খেলায় রাজি করাতে এটা অবশ্যই জানেন। এরপরও মিথ্যাচার করতে আপনাদের লজ্জা লাগেনা?
সে জাতীয় দলে থাকা অবস্থায় দেশের প্রশাসনিক প্রধানের আমন্ত্রন আগ্রায্য করবে? তাও জাতীয় দলের যখন বিষয়?
Tamim Iqbal is a soft power of Awami League and India. He has been forcefully given a post in BCB to rehabilitate BAL and Indian agents. I hope the Patriots in Bangladesh are well aware of this dirty politics of India. They should work consistently so that this India backed Board can never settle. #IndiaOut
@HridoyBD36@AhmedShahAzfar যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি, লালদিয়ার ৩৩ বছর মেয়াদী চুক্তি, এইগুলো নিয়ে তখন অনেক কন্ট্রোভারসি ক্রিয়েট হয়নি? এরপরও তো হয়েছে।
@HridoyBD36@AhmedShahAzfar ভাই পালানো আর কি। আপনারা যদি চোখ বন্ধ করে থাকেন আপনাদের কিভাবে দেখাব। সে সময় এত আলোচনা সমালোচনা হল। আপনি নিজেও যার পক্ষে কথা বলেছেন। এখন ভুলে গেলে আর কি করার আছে।
@TuhinIsLam71@BNPBdMediaCell এতে কি কত লিটার তেল নিয়েছে আর মাইলেজ কত ছিল তেল নেওয়ার সময় তা লিপিবদ্ধ থাকবে?
তাহলে পরেরবার তেল নিতে আসলে তার মাইলেজ দেখলেই বুঝা যাবে সে বাসায় রেখে এসে আবার নেয় কিনা।
যদিও বরাদ্ধ নিরদিষ্ট থাকলে এমনিও এইরকম করার সুযোগ কমে যাবে।
#MyBNP🌾
📢 @BNPBdMediaCell post ✍️
জ্বালানি তেল বিতরণে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। এখন থেকে নির্ধারিত বরাদ্দ অনুযায়ী অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে তেল নিতে হবে চালকদের।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। প্রাথমিকভাবে রাজধানীর দুটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে সেবা চালু হয়েছে। স্টেশন দুটি হলো তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন এবং আসাদগেটের সোনারবাংলা ফিলিং স্টেশন। আপাতত শুধু মোটরসাইকেল চালকেরাই এই সুবিধা পাচ্ছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সনাতন বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে তেল বিতরণের কারণে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ যানজট ও ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে একই ব্যক্তি একাধিকবার লাইনে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করছেন। যা বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে।
নতুন এই কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ চালু হলে প্রতিটি যানবাহনের জন্য নির্ধারিত বরাদ্দ নিশ্চিত করা যাবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল এই ব্যবস্থার মাধ্যমে রিয়েল-টাইম মনিটরিং বা তাৎক্ষণিক নজরদারির সুযোগ তৈরি হবে। ফলে অনিয়ম কমে আসবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।
আমার কাছে হাজার হাজার গুপ্ত সাদিক কায়েমের থেকে রাজপথের একজন আম তারেক অনেক বেশী দামী।
রাজপথে সাদিক কায়েমের এইরকম একটা ছবি দেখাতে পারলে ১০ হাজার টাকা দিবো।
আম তারেক যখন স্বৈরাচারী সরকারকে বিদায় করতে রাজপথে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করছে হাতে বাঁশ নিয়ে।
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’কে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দেয়নি ইরান।
জানা গেছে, আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে প্রায় ৪০ দিন ধরে জাহাজটি ওই এলাকায় অবস্থান করছিল। যুদ্ধবিরতির ঘোষণা পাওয়ার পর এটি সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এবং প্রায় ৪০ ঘণ্টা চলার পর প্রণালির দিকে অগ্রসর হয়।
তবে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছালে ইরানি কর্তৃপক্ষ জাহাজটির ট্রানজিট ক্লিয়ারেন্সের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।
হরমুজ অথরিটির একজন অফিসার বলেছে, বাংলাদেশ ইরান বিষয়ে অবস্থান বদল না করলে শত্রু জাহাজ হিসাবে বিবেচনা করা হবে।
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক জানিয়েছেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী জাহাজটি ক্লিয়ারেন্স চেয়েছিল, কিন্তু সেই আবেদন নাকচ করা হয়েছে।