Abbashuddin Sk

173.3K posts

Abbashuddin Sk banner
Abbashuddin Sk

Abbashuddin Sk

@AbbashuddinSk

Mamata Banerjee Jindabad Abhishek Banerjee Jindabad Berhampur-Murshidabad organizational district

Murshidabad, India Katılım Aralık 2021
721 Takip Edilen341 Takipçiler
Abbashuddin Sk retweetledi
Akhilesh Yadav
Akhilesh Yadav@yadavakhilesh·
जिस एनकाउंटर के पीछे चले मर्ज़ी, समझो वो है फ़र्ज़ी।
हिन्दी
324
1.6K
7.3K
92.1K
Abbashuddin Sk retweetledi
Kunal Ghosh
Kunal Ghosh@KunalGhoshAgain·
প্রিয় মোহনবাগান ক্লাবের সহসভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। ব্যক্তিগত কারণ। কেউ আমাকে এবিষয়ে একটি কথাও বলেননি। দু'দফায় এই ঐতিহ্যশালী ক্লাবের সহসভাপতি হতে পারায় আমি ধন্য। * দুটি ছবি দিলাম। একটি 1985 সালে, সবান্ধবে মোহনবাগান মাঠে। অন্যটি 2025 সালে স্কটল্যান্ডে। * মাননীয় সভাপতিকে লেখা ইস্তফার বয়ানটিও পোস্ট করলাম। জয় মোহনবাগান। প্রতি: শ্রী দেবাশিস দত্ত সভাপতি, মোহনবাগান ক্লাব। মাননীয় সভাপতি, মোহনবাগানের মত ঐতিহ্যশালী ক্লাবের সহ সভাপতি হিসেবে আমি দু'দফায় কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় আমি ধন্য ও কৃতজ্ঞ। জ্ঞান হওয়া থেকে আমি মোহনবাগান। আমার হাঁটা শেখাও এই লনে। বাল্য, কৈশোর থেকে মাঠের গ্যালারিতে। ক্লাব সাসপেনশনের মুখে পড়ার সময় সমর্থকদের বিপুল সই নিয়ে মানসদা, বিদেশদা, আমি দিল্লিতে এআইএফএফ দপ্তরে গিয়ে বৈঠকও চোখের উপর ভাসে। পরে সহ সভাপতি হিসেবেও সাধ্যমত গঠনমূলক কাজে সঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছি। সেই কাজ করতেও ভালো লেগেছে। আমার প্রস্তাবমত ক্লাবে 'স্পোর্টস লাইব্রেরি' চালু করায় আপনাকে ধন্যবাদও জানাই। এখন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে সহসভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। আমি মোহনবাগান সদস্য, সমর্থক হিসেবেই থাকব। দয়া করে ইস্তফা গ্রহণ করবেন। সভাপতি আপনি এবং সচিব সৃঞ্জয় বোস, আপনাদের নেতৃত্বে এবং কর্মসমিতির সক্রিয়তায় মোহনবাগান এগিয়ে চলুক। আন্তরিক শুভেচ্ছা থাকল। এই হোয়াটসঅ্যাপকেই আমার চূড়ান্ত ইস্তফাপত্র হিসেবে গ্রহণ ও অনুমোদন করবেন। ধন্যবাদান্তে কুণাল ঘোষ। 25/5/26
Kunal Ghosh tweet mediaKunal Ghosh tweet media
বাংলা
48
12
305
20.4K
Abbashuddin Sk retweetledi
Cockroach is Back
Cockroach is Back@Cockroachisback·
We stand with Vedant. All he has done is expose the mismanagement in #CBSE exams. Education Minister must resign!
English
694
5.7K
23.4K
646.1K
Abbashuddin Sk retweetledi
Sagarika Ghose
Sagarika Ghose@sagarikaghose·
The Mantri Pradhan should either take responsibilities as full time Education Minister or for the sake of lakhs of students, quit. thehindu.com/sci-tech/techn…
English
14
12
52
4.9K
Abbashuddin Sk retweetledi
Cockroach Janta Party
Cockroach Janta Party@CJP_for_India·
जुड़े कॉकरोच जनता पार्टी 🪳 की यूट्यूब चैनल से, Join cockroach janta party Youtube channel 👇 @cockroachjantaparty4in" target="_blank" rel="nofollow noopener">youtube.com/@cockroachjant
8
52
239
9.4K
Abbashuddin Sk retweetledi
Bengal's untold tales
Bengal's untold tales@Gramergolpo·
Beautyful Bengal Roads.
Bengal's untold tales tweet mediaBengal's untold tales tweet mediaBengal's untold tales tweet media
Nederlands
0
10
130
1.6K
Abbashuddin Sk retweetledi
Aditya Saha
Aditya Saha@AdityaSaha12D·
এতো নাটক করার কি আছে কাকলি ম্যাডাম? সাধারন মানুষ সব বুঝতে পারছেন... যে আপনি লাইনে রয়েছেন যখন তখন বিজেপির ওয়াশিং মেশিনে ঢুকে যাবেন॥
বাংলা
5
8
51
589
Abbashuddin Sk retweetledi
Kalyan Banerjee
Kalyan Banerjee@KBanerjee_AITC·
The duty of a government can never be to run a circus. Nor is it the responsibility of the state to provide spectacles for public entertainment. A government’s foremost obligation is to function in accordance with the Constitution and the rule of law. When excessive and unchecked power is handed over to the police administration, it often awakens the deepest forms of brutality within institutions. A sense of savage triumph begins to replace justice, and unfortunately, such displays also amuse and satisfy a section of society. But none of this brings honour to the Constitution. I do not support or justify the crimes of any offender. However, even a hardened criminal cannot be paraded through a marketplace with ropes tied around them. Such acts may satisfy the cruel excitement of some people and validate institutional excesses, but they are a clear violation of both the law and the basic principles of human rights. If a government begins to behave like a circus troupe rather than a constitutional authority, the people of West Bengal may face grave suffering in the days to come. @chief_west @KolkataPolice @HowrahP @hwhcitypolice @narendramodi @AmitShah #Governorofwestbengal
English
749
57
275
52.8K
Abbashuddin Sk retweetledi
Nilanjan Das
Nilanjan Das@NilanjanDasAITC·
Dada @Sukhendusekhar, you only seem to stand with the party during the good times. The moment we face a difficult times, you run away & start making disparaging statements. We saw you do the exact same thing during RG Kar incident in 2024. Fair-weather loyalty is not loyalty at all. @AITCofficial
English
124
53
230
32.7K
Abbashuddin Sk retweetledi
Akbar sekh
Akbar sekh@akbarsekhaitc·
True political alignment demands continuous dedication and an unwavering presence alongside the leadership through every complex administrative and social phase. Shifting narratives during critical situations for individual positioning fails to honor the immense sacrifices made by regular working-class supporters. Our movement remains entirely resilient against external challenges and internal discrepancies because our foundation is rooted in genuine public service. We will continuously advocate for absolute structural fairness and unconditional loyalty to secure standard political stability across the state. @MamataOfficial @abhishekaitc @AITCOfficial #GrassrootsVoice #Solidarity #FederalStructure #PoliticalEthics
Nilanjan Das@NilanjanDasAITC

Dada @Sukhendusekhar, you only seem to stand with the party during the good times. The moment we face a difficult times, you run away & start making disparaging statements. We saw you do the exact same thing during RG Kar incident in 2024. Fair-weather loyalty is not loyalty at all. @AITCofficial

English
0
1
1
15
Abbashuddin Sk retweetledi
Kirti Azad
Kirti Azad@KirtiAzaad·
Indian twitter and Godi media which seldom reports News on national issues has already stopped talking about the economy vis a vis petrol and diesel, NEET, CBSE at all, and now everyone is focused on a club. A perspective as to why the government is doing this!!
English
9
41
96
1.4K
Abbashuddin Sk
Abbashuddin Sk@AbbashuddinSk·
Urban planning must strictly respect the 'Street Vendors Act, 2014' to ensure absolute legal protection against sudden evictions. @MamataOfficial @abhishekaitc @AITCOfficial @BJP4India #StreetVendorsAct #LegalRights
Mamata Banerjee@MamataOfficial

২৬ মে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক হকার দিবসে আমার খেটে খাওয়া হকার ভাই বোনেদের জানাই অভিনন্দন। তার সাথে তাঁদের জানাই সমবেদনা। যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার হকারদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে, উচ্ছেদ করছে, তাদের দোকান ভেঙে দিচ্ছে, তাদের চোখের জলকে তোয়াক্কা না করে তাদের পথে বসাচ্ছে সেটা দেখে আমি বিস্মিত, ক্রুদ্ধ, মর্মাহত। অত্যাচারীরা এর জবাব নিশ্চয়ই পাবে। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো। পথচলতি বিক্রেতা, হকার এবং অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যেভাবে স্থানীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করেন, এই দিনটি মূলত তাঁদের সেই অবদানকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য উৎসর্গীকৃত। হকার অর্থনীতির বাস্তব চিত্র রাস্তার হকাররা হলেন একেবারে তৃণমূল স্তরের অর্থনীতির প্রতীক। তাঁরা একদিকে যেমন বড় মাপের উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সাধারণ মানুষের দৈনিক চাহিদার যোগসূত্র তৈরি করেন, অন্যদিকে ঠিক তেমনই অত্যন্ত সুলভ মূল্যে জরুরি পণ্যসামগ্রী মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন। তবে এই ব্যবস্থার টিকে থাকা এবং নগর পরিকল্পনার মধ্যে সবসময়ই একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়: অর্থনৈতিক অবদান: উন্নয়নশীল দেশগুলির কর্মসংস্থানে এই অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রটির ভূমিকা অপরিসীম। হকাররা লাখ লাখ মানুষের স্বনির্ভরতার পথ তৈরি করেন, যার ফলে বহু নিম্নবিত্ত পরিবার কর্পোরেট বা সরকারি চাকরির ওপর নির্ভর না করেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। পথচারী ও স্থায়ী দোকানদারদের অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি হকারদের রুটি-রুজি —এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভারতে ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014) পাস হয়েছিল, যাতে যানজট এড়ানো যায় আবার হকারদের আকস্মিক উচ্ছেদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া যায়। একটি আদর্শ ও সুপরিকল্পিত শহরের লক্ষ্য হকার উচ্ছেদ করা নয়, বরং তাঁদের শহর ব্যবস্থার অঙ্গ করে নেওয়া। হকারদের জন্য সুশৃঙ্খল ও পরিকাঠামোযুক্ত পুর-বাজারের ব্যবস্থা করা গেলে পথচারীদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হয় না, আবার শহরের প্রাণবন্ত ক্ষুদ্র-অর্থনীতিও সচল থাকে। মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে হকারদের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি ও সুনির্দিষ্ট রূপ দিয়েছেন। গত কয়েক দশক ধরে শীর্ষ আদালতকে সংবিধানের ১৯(১)(ছ) অনুচ্ছেদ [Article 19(1)(g)] অনুযায়ী হকারদের স্বাধীনভাবে ব্যবসা বা জীবিকা অর্জনের মৌলিক অধিকার এবং জনসাধারণের পরিষ্কার ও নিরাপদ রাস্তায় চলাচলের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে। যেমন, ১. বোম্বে হকার্স ইউনিয়ন বনাম বোম্বে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (১৯৮৫) রাস্তার হকিং বা হকার ব্যবস্থা নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে আলোচনা করা প্রথম দিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মামলা এটি। সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করে যে হকারদের জীবিকা নির্বাহের অধিকার রয়েছে, তবে জনস্বার্থ ও যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই অধিকারের ওপর 'যুক্তিযুক্ত নিষেধাজ্ঞা' জারি করা যেতে পারে। ২. সোদান সিং বনাম নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কমিটি (১৯৮৯) হকারদের সাংবিধানিক মর্যাদার ক্ষেত্রে এই রায়টিকে সবচেয়ে মৌলিক এবং ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে গণ্য করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটপাথের ব্যবসাকে মৌলিক অধিকারের সাথে যুক্ত করে। ৩. গেন্দা রাম বনাম মিউনিকিপাল কর্পোরেশন অফ দিল্লি (২০১০) হকারদের সুরক্ষায় বর্তমান আধুনিক আইন প্রণয়নের পেছনে এই মামলাটিই ছিল সবচেয়ে বড় অনুঘটক। নির্দিষ্ট কোনো আইনি কাঠামো না থাকায় হকারদের যেভাবে বারবার স্থানীয় প্রশাসনের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হতো এবং উচ্ছেদ বা তোলাবাজির শিকার হতে হতো, তা দেখে সুপ্রিম কোর্ট গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। ফলাফল: আদালতের এই স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক নির্দেশের ফলেই পরবর্তীকালে তৈরি হয় ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014)। ৪. মহারাষ্ট্র একতা হকার্স ইউনিয়ন বনাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অফ গ্রেটার মুম্বাই (২০১৩) ২০১৪ সালের কেন্দ্রীয় আইনটি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার রায়ে গেন্দা রাম মামলার নির্দেশিকাকে পুনরায় পুনর্ব্যক্ত করে, যাতে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে হকারদের সুরক্ষা দেওয়া যায়। আদালতের আইনি অবস্থানের সারসংক্ষেপ এই সমস্ত রায়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট একটি স্পষ্ট আইনি মতবাদ (Legal Doctrine) প্রতিষ্ঠা করেছে: জীবিকার অধিকারকোনো সমীক্ষা বা বিকল্প ব্যবস্থার সুযোগ না দিয়ে আকস্মিক বা খামখেয়ালি উচ্ছেদ করা সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ (জীবন ও জীবিকার অধিকার)-এর লঙ্ঘন। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাহকারদের অধিকার পরিচালনার দায়িত্ব টাউন ভেন্ডিং কমিটি (TVC)-র মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে হতে হবে, যাতে নগর পরিকল্পনায় হকারদের নিজস্ব মতামত প্রতিফলিত হয়।

English
0
0
0
8
Abbashuddin Sk
Abbashuddin Sk@AbbashuddinSk·
No administrative pressure should ignore the tears and livelihoods of lakhs of marginalized families in our state. @MamataOfficial @abhishekaitc @AITCOfficial @BJP4India #VoiceOfPeople #InclusiveGovernance
Mamata Banerjee@MamataOfficial

২৬ মে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক হকার দিবসে আমার খেটে খাওয়া হকার ভাই বোনেদের জানাই অভিনন্দন। তার সাথে তাঁদের জানাই সমবেদনা। যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার হকারদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে, উচ্ছেদ করছে, তাদের দোকান ভেঙে দিচ্ছে, তাদের চোখের জলকে তোয়াক্কা না করে তাদের পথে বসাচ্ছে সেটা দেখে আমি বিস্মিত, ক্রুদ্ধ, মর্মাহত। অত্যাচারীরা এর জবাব নিশ্চয়ই পাবে। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো। পথচলতি বিক্রেতা, হকার এবং অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যেভাবে স্থানীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করেন, এই দিনটি মূলত তাঁদের সেই অবদানকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য উৎসর্গীকৃত। হকার অর্থনীতির বাস্তব চিত্র রাস্তার হকাররা হলেন একেবারে তৃণমূল স্তরের অর্থনীতির প্রতীক। তাঁরা একদিকে যেমন বড় মাপের উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সাধারণ মানুষের দৈনিক চাহিদার যোগসূত্র তৈরি করেন, অন্যদিকে ঠিক তেমনই অত্যন্ত সুলভ মূল্যে জরুরি পণ্যসামগ্রী মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন। তবে এই ব্যবস্থার টিকে থাকা এবং নগর পরিকল্পনার মধ্যে সবসময়ই একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়: অর্থনৈতিক অবদান: উন্নয়নশীল দেশগুলির কর্মসংস্থানে এই অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রটির ভূমিকা অপরিসীম। হকাররা লাখ লাখ মানুষের স্বনির্ভরতার পথ তৈরি করেন, যার ফলে বহু নিম্নবিত্ত পরিবার কর্পোরেট বা সরকারি চাকরির ওপর নির্ভর না করেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। পথচারী ও স্থায়ী দোকানদারদের অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি হকারদের রুটি-রুজি —এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভারতে ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014) পাস হয়েছিল, যাতে যানজট এড়ানো যায় আবার হকারদের আকস্মিক উচ্ছেদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া যায়। একটি আদর্শ ও সুপরিকল্পিত শহরের লক্ষ্য হকার উচ্ছেদ করা নয়, বরং তাঁদের শহর ব্যবস্থার অঙ্গ করে নেওয়া। হকারদের জন্য সুশৃঙ্খল ও পরিকাঠামোযুক্ত পুর-বাজারের ব্যবস্থা করা গেলে পথচারীদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হয় না, আবার শহরের প্রাণবন্ত ক্ষুদ্র-অর্থনীতিও সচল থাকে। মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে হকারদের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি ও সুনির্দিষ্ট রূপ দিয়েছেন। গত কয়েক দশক ধরে শীর্ষ আদালতকে সংবিধানের ১৯(১)(ছ) অনুচ্ছেদ [Article 19(1)(g)] অনুযায়ী হকারদের স্বাধীনভাবে ব্যবসা বা জীবিকা অর্জনের মৌলিক অধিকার এবং জনসাধারণের পরিষ্কার ও নিরাপদ রাস্তায় চলাচলের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে। যেমন, ১. বোম্বে হকার্স ইউনিয়ন বনাম বোম্বে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (১৯৮৫) রাস্তার হকিং বা হকার ব্যবস্থা নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে আলোচনা করা প্রথম দিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মামলা এটি। সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করে যে হকারদের জীবিকা নির্বাহের অধিকার রয়েছে, তবে জনস্বার্থ ও যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই অধিকারের ওপর 'যুক্তিযুক্ত নিষেধাজ্ঞা' জারি করা যেতে পারে। ২. সোদান সিং বনাম নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কমিটি (১৯৮৯) হকারদের সাংবিধানিক মর্যাদার ক্ষেত্রে এই রায়টিকে সবচেয়ে মৌলিক এবং ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে গণ্য করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটপাথের ব্যবসাকে মৌলিক অধিকারের সাথে যুক্ত করে। ৩. গেন্দা রাম বনাম মিউনিকিপাল কর্পোরেশন অফ দিল্লি (২০১০) হকারদের সুরক্ষায় বর্তমান আধুনিক আইন প্রণয়নের পেছনে এই মামলাটিই ছিল সবচেয়ে বড় অনুঘটক। নির্দিষ্ট কোনো আইনি কাঠামো না থাকায় হকারদের যেভাবে বারবার স্থানীয় প্রশাসনের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হতো এবং উচ্ছেদ বা তোলাবাজির শিকার হতে হতো, তা দেখে সুপ্রিম কোর্ট গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। ফলাফল: আদালতের এই স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক নির্দেশের ফলেই পরবর্তীকালে তৈরি হয় ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014)। ৪. মহারাষ্ট্র একতা হকার্স ইউনিয়ন বনাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অফ গ্রেটার মুম্বাই (২০১৩) ২০১৪ সালের কেন্দ্রীয় আইনটি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার রায়ে গেন্দা রাম মামলার নির্দেশিকাকে পুনরায় পুনর্ব্যক্ত করে, যাতে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে হকারদের সুরক্ষা দেওয়া যায়। আদালতের আইনি অবস্থানের সারসংক্ষেপ এই সমস্ত রায়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট একটি স্পষ্ট আইনি মতবাদ (Legal Doctrine) প্রতিষ্ঠা করেছে: জীবিকার অধিকারকোনো সমীক্ষা বা বিকল্প ব্যবস্থার সুযোগ না দিয়ে আকস্মিক বা খামখেয়ালি উচ্ছেদ করা সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ (জীবন ও জীবিকার অধিকার)-এর লঙ্ঘন। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাহকারদের অধিকার পরিচালনার দায়িত্ব টাউন ভেন্ডিং কমিটি (TVC)-র মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে হতে হবে, যাতে নগর পরিকল্পনায় হকারদের নিজস্ব মতামত প্রতিফলিত হয়।

English
0
0
0
5
Abbashuddin Sk
Abbashuddin Sk@AbbashuddinSk·
Street vendors are the true pillar of our grassroots economy and their protection remains our biggest social commitment. @MamataOfficial @abhishekaitc @AITCOfficial @BJP4India #GrassrootsEconomy #BengalUnited
Mamata Banerjee@MamataOfficial

২৬ মে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক হকার দিবসে আমার খেটে খাওয়া হকার ভাই বোনেদের জানাই অভিনন্দন। তার সাথে তাঁদের জানাই সমবেদনা। যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার হকারদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে, উচ্ছেদ করছে, তাদের দোকান ভেঙে দিচ্ছে, তাদের চোখের জলকে তোয়াক্কা না করে তাদের পথে বসাচ্ছে সেটা দেখে আমি বিস্মিত, ক্রুদ্ধ, মর্মাহত। অত্যাচারীরা এর জবাব নিশ্চয়ই পাবে। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো। পথচলতি বিক্রেতা, হকার এবং অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যেভাবে স্থানীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করেন, এই দিনটি মূলত তাঁদের সেই অবদানকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য উৎসর্গীকৃত। হকার অর্থনীতির বাস্তব চিত্র রাস্তার হকাররা হলেন একেবারে তৃণমূল স্তরের অর্থনীতির প্রতীক। তাঁরা একদিকে যেমন বড় মাপের উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সাধারণ মানুষের দৈনিক চাহিদার যোগসূত্র তৈরি করেন, অন্যদিকে ঠিক তেমনই অত্যন্ত সুলভ মূল্যে জরুরি পণ্যসামগ্রী মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন। তবে এই ব্যবস্থার টিকে থাকা এবং নগর পরিকল্পনার মধ্যে সবসময়ই একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়: অর্থনৈতিক অবদান: উন্নয়নশীল দেশগুলির কর্মসংস্থানে এই অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রটির ভূমিকা অপরিসীম। হকাররা লাখ লাখ মানুষের স্বনির্ভরতার পথ তৈরি করেন, যার ফলে বহু নিম্নবিত্ত পরিবার কর্পোরেট বা সরকারি চাকরির ওপর নির্ভর না করেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। পথচারী ও স্থায়ী দোকানদারদের অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি হকারদের রুটি-রুজি —এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভারতে ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014) পাস হয়েছিল, যাতে যানজট এড়ানো যায় আবার হকারদের আকস্মিক উচ্ছেদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া যায়। একটি আদর্শ ও সুপরিকল্পিত শহরের লক্ষ্য হকার উচ্ছেদ করা নয়, বরং তাঁদের শহর ব্যবস্থার অঙ্গ করে নেওয়া। হকারদের জন্য সুশৃঙ্খল ও পরিকাঠামোযুক্ত পুর-বাজারের ব্যবস্থা করা গেলে পথচারীদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হয় না, আবার শহরের প্রাণবন্ত ক্ষুদ্র-অর্থনীতিও সচল থাকে। মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে হকারদের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি ও সুনির্দিষ্ট রূপ দিয়েছেন। গত কয়েক দশক ধরে শীর্ষ আদালতকে সংবিধানের ১৯(১)(ছ) অনুচ্ছেদ [Article 19(1)(g)] অনুযায়ী হকারদের স্বাধীনভাবে ব্যবসা বা জীবিকা অর্জনের মৌলিক অধিকার এবং জনসাধারণের পরিষ্কার ও নিরাপদ রাস্তায় চলাচলের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে। যেমন, ১. বোম্বে হকার্স ইউনিয়ন বনাম বোম্বে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (১৯৮৫) রাস্তার হকিং বা হকার ব্যবস্থা নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে আলোচনা করা প্রথম দিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মামলা এটি। সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করে যে হকারদের জীবিকা নির্বাহের অধিকার রয়েছে, তবে জনস্বার্থ ও যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই অধিকারের ওপর 'যুক্তিযুক্ত নিষেধাজ্ঞা' জারি করা যেতে পারে। ২. সোদান সিং বনাম নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কমিটি (১৯৮৯) হকারদের সাংবিধানিক মর্যাদার ক্ষেত্রে এই রায়টিকে সবচেয়ে মৌলিক এবং ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে গণ্য করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটপাথের ব্যবসাকে মৌলিক অধিকারের সাথে যুক্ত করে। ৩. গেন্দা রাম বনাম মিউনিকিপাল কর্পোরেশন অফ দিল্লি (২০১০) হকারদের সুরক্ষায় বর্তমান আধুনিক আইন প্রণয়নের পেছনে এই মামলাটিই ছিল সবচেয়ে বড় অনুঘটক। নির্দিষ্ট কোনো আইনি কাঠামো না থাকায় হকারদের যেভাবে বারবার স্থানীয় প্রশাসনের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হতো এবং উচ্ছেদ বা তোলাবাজির শিকার হতে হতো, তা দেখে সুপ্রিম কোর্ট গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। ফলাফল: আদালতের এই স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক নির্দেশের ফলেই পরবর্তীকালে তৈরি হয় ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014)। ৪. মহারাষ্ট্র একতা হকার্স ইউনিয়ন বনাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অফ গ্রেটার মুম্বাই (২০১৩) ২০১৪ সালের কেন্দ্রীয় আইনটি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার রায়ে গেন্দা রাম মামলার নির্দেশিকাকে পুনরায় পুনর্ব্যক্ত করে, যাতে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে হকারদের সুরক্ষা দেওয়া যায়। আদালতের আইনি অবস্থানের সারসংক্ষেপ এই সমস্ত রায়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট একটি স্পষ্ট আইনি মতবাদ (Legal Doctrine) প্রতিষ্ঠা করেছে: জীবিকার অধিকারকোনো সমীক্ষা বা বিকল্প ব্যবস্থার সুযোগ না দিয়ে আকস্মিক বা খামখেয়ালি উচ্ছেদ করা সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ (জীবন ও জীবিকার অধিকার)-এর লঙ্ঘন। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাহকারদের অধিকার পরিচালনার দায়িত্ব টাউন ভেন্ডিং কমিটি (TVC)-র মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে হতে হবে, যাতে নগর পরিকল্পনায় হকারদের নিজস্ব মতামত প্রতিফলিত হয়।

English
0
0
0
9
Abbashuddin Sk
Abbashuddin Sk@AbbashuddinSk·
Eviction without rehabilitation is a direct violation of constitutional values and economic fairness for the working class. @MamataOfficial @abhishekaitc @AITCOfficial @BJP4India #EconomicRights #HumanitarianApproach
Mamata Banerjee@MamataOfficial

২৬ মে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক হকার দিবসে আমার খেটে খাওয়া হকার ভাই বোনেদের জানাই অভিনন্দন। তার সাথে তাঁদের জানাই সমবেদনা। যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার হকারদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে, উচ্ছেদ করছে, তাদের দোকান ভেঙে দিচ্ছে, তাদের চোখের জলকে তোয়াক্কা না করে তাদের পথে বসাচ্ছে সেটা দেখে আমি বিস্মিত, ক্রুদ্ধ, মর্মাহত। অত্যাচারীরা এর জবাব নিশ্চয়ই পাবে। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো। পথচলতি বিক্রেতা, হকার এবং অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যেভাবে স্থানীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করেন, এই দিনটি মূলত তাঁদের সেই অবদানকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য উৎসর্গীকৃত। হকার অর্থনীতির বাস্তব চিত্র রাস্তার হকাররা হলেন একেবারে তৃণমূল স্তরের অর্থনীতির প্রতীক। তাঁরা একদিকে যেমন বড় মাপের উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সাধারণ মানুষের দৈনিক চাহিদার যোগসূত্র তৈরি করেন, অন্যদিকে ঠিক তেমনই অত্যন্ত সুলভ মূল্যে জরুরি পণ্যসামগ্রী মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন। তবে এই ব্যবস্থার টিকে থাকা এবং নগর পরিকল্পনার মধ্যে সবসময়ই একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়: অর্থনৈতিক অবদান: উন্নয়নশীল দেশগুলির কর্মসংস্থানে এই অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রটির ভূমিকা অপরিসীম। হকাররা লাখ লাখ মানুষের স্বনির্ভরতার পথ তৈরি করেন, যার ফলে বহু নিম্নবিত্ত পরিবার কর্পোরেট বা সরকারি চাকরির ওপর নির্ভর না করেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। পথচারী ও স্থায়ী দোকানদারদের অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি হকারদের রুটি-রুজি —এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভারতে ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014) পাস হয়েছিল, যাতে যানজট এড়ানো যায় আবার হকারদের আকস্মিক উচ্ছেদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া যায়। একটি আদর্শ ও সুপরিকল্পিত শহরের লক্ষ্য হকার উচ্ছেদ করা নয়, বরং তাঁদের শহর ব্যবস্থার অঙ্গ করে নেওয়া। হকারদের জন্য সুশৃঙ্খল ও পরিকাঠামোযুক্ত পুর-বাজারের ব্যবস্থা করা গেলে পথচারীদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হয় না, আবার শহরের প্রাণবন্ত ক্ষুদ্র-অর্থনীতিও সচল থাকে। মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে হকারদের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি ও সুনির্দিষ্ট রূপ দিয়েছেন। গত কয়েক দশক ধরে শীর্ষ আদালতকে সংবিধানের ১৯(১)(ছ) অনুচ্ছেদ [Article 19(1)(g)] অনুযায়ী হকারদের স্বাধীনভাবে ব্যবসা বা জীবিকা অর্জনের মৌলিক অধিকার এবং জনসাধারণের পরিষ্কার ও নিরাপদ রাস্তায় চলাচলের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে। যেমন, ১. বোম্বে হকার্স ইউনিয়ন বনাম বোম্বে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (১৯৮৫) রাস্তার হকিং বা হকার ব্যবস্থা নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে আলোচনা করা প্রথম দিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মামলা এটি। সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করে যে হকারদের জীবিকা নির্বাহের অধিকার রয়েছে, তবে জনস্বার্থ ও যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই অধিকারের ওপর 'যুক্তিযুক্ত নিষেধাজ্ঞা' জারি করা যেতে পারে। ২. সোদান সিং বনাম নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কমিটি (১৯৮৯) হকারদের সাংবিধানিক মর্যাদার ক্ষেত্রে এই রায়টিকে সবচেয়ে মৌলিক এবং ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে গণ্য করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটপাথের ব্যবসাকে মৌলিক অধিকারের সাথে যুক্ত করে। ৩. গেন্দা রাম বনাম মিউনিকিপাল কর্পোরেশন অফ দিল্লি (২০১০) হকারদের সুরক্ষায় বর্তমান আধুনিক আইন প্রণয়নের পেছনে এই মামলাটিই ছিল সবচেয়ে বড় অনুঘটক। নির্দিষ্ট কোনো আইনি কাঠামো না থাকায় হকারদের যেভাবে বারবার স্থানীয় প্রশাসনের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হতো এবং উচ্ছেদ বা তোলাবাজির শিকার হতে হতো, তা দেখে সুপ্রিম কোর্ট গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। ফলাফল: আদালতের এই স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক নির্দেশের ফলেই পরবর্তীকালে তৈরি হয় ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014)। ৪. মহারাষ্ট্র একতা হকার্স ইউনিয়ন বনাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অফ গ্রেটার মুম্বাই (২০১৩) ২০১৪ সালের কেন্দ্রীয় আইনটি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার রায়ে গেন্দা রাম মামলার নির্দেশিকাকে পুনরায় পুনর্ব্যক্ত করে, যাতে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে হকারদের সুরক্ষা দেওয়া যায়। আদালতের আইনি অবস্থানের সারসংক্ষেপ এই সমস্ত রায়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট একটি স্পষ্ট আইনি মতবাদ (Legal Doctrine) প্রতিষ্ঠা করেছে: জীবিকার অধিকারকোনো সমীক্ষা বা বিকল্প ব্যবস্থার সুযোগ না দিয়ে আকস্মিক বা খামখেয়ালি উচ্ছেদ করা সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ (জীবন ও জীবিকার অধিকার)-এর লঙ্ঘন। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাহকারদের অধিকার পরিচালনার দায়িত্ব টাউন ভেন্ডিং কমিটি (TVC)-র মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে হতে হবে, যাতে নগর পরিকল্পনায় হকারদের নিজস্ব মতামত প্রতিফলিত হয়।

English
0
0
0
5
Abbashuddin Sk
Abbashuddin Sk@AbbashuddinSk·
Standing with our hardworking street vendors on International Hawkers Day to protect their fundamental right to livelihood. @MamataOfficial @abhishekaitc @AITCOfficial @BJP4India #InternationalHawkersDay #RightToLivelihood
Mamata Banerjee@MamataOfficial

২৬ মে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক হকার দিবসে আমার খেটে খাওয়া হকার ভাই বোনেদের জানাই অভিনন্দন। তার সাথে তাঁদের জানাই সমবেদনা। যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার হকারদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে, উচ্ছেদ করছে, তাদের দোকান ভেঙে দিচ্ছে, তাদের চোখের জলকে তোয়াক্কা না করে তাদের পথে বসাচ্ছে সেটা দেখে আমি বিস্মিত, ক্রুদ্ধ, মর্মাহত। অত্যাচারীরা এর জবাব নিশ্চয়ই পাবে। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো। পথচলতি বিক্রেতা, হকার এবং অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যেভাবে স্থানীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করেন, এই দিনটি মূলত তাঁদের সেই অবদানকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য উৎসর্গীকৃত। হকার অর্থনীতির বাস্তব চিত্র রাস্তার হকাররা হলেন একেবারে তৃণমূল স্তরের অর্থনীতির প্রতীক। তাঁরা একদিকে যেমন বড় মাপের উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সাধারণ মানুষের দৈনিক চাহিদার যোগসূত্র তৈরি করেন, অন্যদিকে ঠিক তেমনই অত্যন্ত সুলভ মূল্যে জরুরি পণ্যসামগ্রী মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন। তবে এই ব্যবস্থার টিকে থাকা এবং নগর পরিকল্পনার মধ্যে সবসময়ই একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়: অর্থনৈতিক অবদান: উন্নয়নশীল দেশগুলির কর্মসংস্থানে এই অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রটির ভূমিকা অপরিসীম। হকাররা লাখ লাখ মানুষের স্বনির্ভরতার পথ তৈরি করেন, যার ফলে বহু নিম্নবিত্ত পরিবার কর্পোরেট বা সরকারি চাকরির ওপর নির্ভর না করেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। পথচারী ও স্থায়ী দোকানদারদের অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি হকারদের রুটি-রুজি —এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভারতে ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014) পাস হয়েছিল, যাতে যানজট এড়ানো যায় আবার হকারদের আকস্মিক উচ্ছেদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া যায়। একটি আদর্শ ও সুপরিকল্পিত শহরের লক্ষ্য হকার উচ্ছেদ করা নয়, বরং তাঁদের শহর ব্যবস্থার অঙ্গ করে নেওয়া। হকারদের জন্য সুশৃঙ্খল ও পরিকাঠামোযুক্ত পুর-বাজারের ব্যবস্থা করা গেলে পথচারীদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হয় না, আবার শহরের প্রাণবন্ত ক্ষুদ্র-অর্থনীতিও সচল থাকে। মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে হকারদের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি ও সুনির্দিষ্ট রূপ দিয়েছেন। গত কয়েক দশক ধরে শীর্ষ আদালতকে সংবিধানের ১৯(১)(ছ) অনুচ্ছেদ [Article 19(1)(g)] অনুযায়ী হকারদের স্বাধীনভাবে ব্যবসা বা জীবিকা অর্জনের মৌলিক অধিকার এবং জনসাধারণের পরিষ্কার ও নিরাপদ রাস্তায় চলাচলের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে। যেমন, ১. বোম্বে হকার্স ইউনিয়ন বনাম বোম্বে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (১৯৮৫) রাস্তার হকিং বা হকার ব্যবস্থা নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে আলোচনা করা প্রথম দিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মামলা এটি। সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করে যে হকারদের জীবিকা নির্বাহের অধিকার রয়েছে, তবে জনস্বার্থ ও যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই অধিকারের ওপর 'যুক্তিযুক্ত নিষেধাজ্ঞা' জারি করা যেতে পারে। ২. সোদান সিং বনাম নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কমিটি (১৯৮৯) হকারদের সাংবিধানিক মর্যাদার ক্ষেত্রে এই রায়টিকে সবচেয়ে মৌলিক এবং ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে গণ্য করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটপাথের ব্যবসাকে মৌলিক অধিকারের সাথে যুক্ত করে। ৩. গেন্দা রাম বনাম মিউনিকিপাল কর্পোরেশন অফ দিল্লি (২০১০) হকারদের সুরক্ষায় বর্তমান আধুনিক আইন প্রণয়নের পেছনে এই মামলাটিই ছিল সবচেয়ে বড় অনুঘটক। নির্দিষ্ট কোনো আইনি কাঠামো না থাকায় হকারদের যেভাবে বারবার স্থানীয় প্রশাসনের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হতো এবং উচ্ছেদ বা তোলাবাজির শিকার হতে হতো, তা দেখে সুপ্রিম কোর্ট গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। ফলাফল: আদালতের এই স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক নির্দেশের ফলেই পরবর্তীকালে তৈরি হয় ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014)। ৪. মহারাষ্ট্র একতা হকার্স ইউনিয়ন বনাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অফ গ্রেটার মুম্বাই (২০১৩) ২০১৪ সালের কেন্দ্রীয় আইনটি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার রায়ে গেন্দা রাম মামলার নির্দেশিকাকে পুনরায় পুনর্ব্যক্ত করে, যাতে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে হকারদের সুরক্ষা দেওয়া যায়। আদালতের আইনি অবস্থানের সারসংক্ষেপ এই সমস্ত রায়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট একটি স্পষ্ট আইনি মতবাদ (Legal Doctrine) প্রতিষ্ঠা করেছে: জীবিকার অধিকারকোনো সমীক্ষা বা বিকল্প ব্যবস্থার সুযোগ না দিয়ে আকস্মিক বা খামখেয়ালি উচ্ছেদ করা সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ (জীবন ও জীবিকার অধিকার)-এর লঙ্ঘন। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাহকারদের অধিকার পরিচালনার দায়িত্ব টাউন ভেন্ডিং কমিটি (TVC)-র মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে হতে হবে, যাতে নগর পরিকল্পনায় হকারদের নিজস্ব মতামত প্রতিফলিত হয়।

English
0
0
0
8
Abbashuddin Sk retweetledi
Mamata Banerjee
Mamata Banerjee@MamataOfficial·
২৬ মে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক হকার দিবসে আমার খেটে খাওয়া হকার ভাই বোনেদের জানাই অভিনন্দন। তার সাথে তাঁদের জানাই সমবেদনা। যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার হকারদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে, উচ্ছেদ করছে, তাদের দোকান ভেঙে দিচ্ছে, তাদের চোখের জলকে তোয়াক্কা না করে তাদের পথে বসাচ্ছে সেটা দেখে আমি বিস্মিত, ক্রুদ্ধ, মর্মাহত। অত্যাচারীরা এর জবাব নিশ্চয়ই পাবে। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো। পথচলতি বিক্রেতা, হকার এবং অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যেভাবে স্থানীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করেন, এই দিনটি মূলত তাঁদের সেই অবদানকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য উৎসর্গীকৃত। হকার অর্থনীতির বাস্তব চিত্র রাস্তার হকাররা হলেন একেবারে তৃণমূল স্তরের অর্থনীতির প্রতীক। তাঁরা একদিকে যেমন বড় মাপের উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সাধারণ মানুষের দৈনিক চাহিদার যোগসূত্র তৈরি করেন, অন্যদিকে ঠিক তেমনই অত্যন্ত সুলভ মূল্যে জরুরি পণ্যসামগ্রী মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন। তবে এই ব্যবস্থার টিকে থাকা এবং নগর পরিকল্পনার মধ্যে সবসময়ই একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়: অর্থনৈতিক অবদান: উন্নয়নশীল দেশগুলির কর্মসংস্থানে এই অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রটির ভূমিকা অপরিসীম। হকাররা লাখ লাখ মানুষের স্বনির্ভরতার পথ তৈরি করেন, যার ফলে বহু নিম্নবিত্ত পরিবার কর্পোরেট বা সরকারি চাকরির ওপর নির্ভর না করেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। পথচারী ও স্থায়ী দোকানদারদের অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি হকারদের রুটি-রুজি —এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভারতে ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014) পাস হয়েছিল, যাতে যানজট এড়ানো যায় আবার হকারদের আকস্মিক উচ্ছেদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া যায়। একটি আদর্শ ও সুপরিকল্পিত শহরের লক্ষ্য হকার উচ্ছেদ করা নয়, বরং তাঁদের শহর ব্যবস্থার অঙ্গ করে নেওয়া। হকারদের জন্য সুশৃঙ্খল ও পরিকাঠামোযুক্ত পুর-বাজারের ব্যবস্থা করা গেলে পথচারীদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হয় না, আবার শহরের প্রাণবন্ত ক্ষুদ্র-অর্থনীতিও সচল থাকে। মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে হকারদের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি ও সুনির্দিষ্ট রূপ দিয়েছেন। গত কয়েক দশক ধরে শীর্ষ আদালতকে সংবিধানের ১৯(১)(ছ) অনুচ্ছেদ [Article 19(1)(g)] অনুযায়ী হকারদের স্বাধীনভাবে ব্যবসা বা জীবিকা অর্জনের মৌলিক অধিকার এবং জনসাধারণের পরিষ্কার ও নিরাপদ রাস্তায় চলাচলের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে। যেমন, ১. বোম্বে হকার্স ইউনিয়ন বনাম বোম্বে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (১৯৮৫) রাস্তার হকিং বা হকার ব্যবস্থা নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে আলোচনা করা প্রথম দিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মামলা এটি। সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করে যে হকারদের জীবিকা নির্বাহের অধিকার রয়েছে, তবে জনস্বার্থ ও যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই অধিকারের ওপর 'যুক্তিযুক্ত নিষেধাজ্ঞা' জারি করা যেতে পারে। ২. সোদান সিং বনাম নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কমিটি (১৯৮৯) হকারদের সাংবিধানিক মর্যাদার ক্ষেত্রে এই রায়টিকে সবচেয়ে মৌলিক এবং ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে গণ্য করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটপাথের ব্যবসাকে মৌলিক অধিকারের সাথে যুক্ত করে। ৩. গেন্দা রাম বনাম মিউনিকিপাল কর্পোরেশন অফ দিল্লি (২০১০) হকারদের সুরক্ষায় বর্তমান আধুনিক আইন প্রণয়নের পেছনে এই মামলাটিই ছিল সবচেয়ে বড় অনুঘটক। নির্দিষ্ট কোনো আইনি কাঠামো না থাকায় হকারদের যেভাবে বারবার স্থানীয় প্রশাসনের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হতো এবং উচ্ছেদ বা তোলাবাজির শিকার হতে হতো, তা দেখে সুপ্রিম কোর্ট গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। ফলাফল: আদালতের এই স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক নির্দেশের ফলেই পরবর্তীকালে তৈরি হয় ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014)। ৪. মহারাষ্ট্র একতা হকার্স ইউনিয়ন বনাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অফ গ্রেটার মুম্বাই (২০১৩) ২০১৪ সালের কেন্দ্রীয় আইনটি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার রায়ে গেন্দা রাম মামলার নির্দেশিকাকে পুনরায় পুনর্ব্যক্ত করে, যাতে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে হকারদের সুরক্ষা দেওয়া যায়। আদালতের আইনি অবস্থানের সারসংক্ষেপ এই সমস্ত রায়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট একটি স্পষ্ট আইনি মতবাদ (Legal Doctrine) প্রতিষ্ঠা করেছে: জীবিকার অধিকারকোনো সমীক্ষা বা বিকল্প ব্যবস্থার সুযোগ না দিয়ে আকস্মিক বা খামখেয়ালি উচ্ছেদ করা সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ (জীবন ও জীবিকার অধিকার)-এর লঙ্ঘন। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাহকারদের অধিকার পরিচালনার দায়িত্ব টাউন ভেন্ডিং কমিটি (TVC)-র মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে হতে হবে, যাতে নগর পরিকল্পনায় হকারদের নিজস্ব মতামত প্রতিফলিত হয়।
বাংলা
369
230
1.2K
91.2K
Yusuf Pathan
Yusuf Pathan@iamyusufpathan·
May Allah accept the Hajj of every Hajji and bring them back safely with endless blessings.
English
5
32
286
4.2K